বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, আশকোনার জঙ্গি আস্তানায়!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৪৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৭২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

জঙ্গিবিরোধী অভিযানের পর রাজধানীর দক্ষিণখান থানার পূর্ব আশকোনা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

রোববার সকাল বেলা পৌনে ১১টায় হাজী ক্যাম্পের অদূরে `সূর্য ভিলা` নামের ওই জঙ্গি আস্তানায় প্রবেশ করেছে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট। সেখান থেকে তারা ঘটনার আলামত সংগ্রহ করবে। এর কিছুক্ষণ পরই তিনতলা ভবনটিতে প্রবেশ করে ২৫ সদস্যের একটি বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল। ঘটনাস্থলে রাখা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের ২টি গাড়ি।

উল্লেখ্য, শনিবার রাজধানীর পূর্ব আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানের সময় আত্মঘাতী গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও গুলিতে দু`জন নিহত হয়।

অভিযানের দিনই জঙ্গি সুমন ওরফে ইকবালের স্ত্রী শাকিলার (৩০) লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি শরীরে বেঁধে রাখা গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটালে মারা যান।

আর আজিমপুরে অভিযানের সময় নিহত জঙ্গি তানভীর কাদেরী ওরফে শিপারের ছেলে রাশেদ ওরফে আদর (১৪) গোলাগুলিতে নিহত হয়।

শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৭ ঘণ্টার এ অভিযানে আত্মসমর্পণ করে দুই শিশু সন্তানসহ দুই নারী। তারা হচ্ছে- সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জাহিদ ওরফে মুরাদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা ও তার সন্তান (নাম অজ্ঞাত)। আরেকজন হচ্ছে জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার সন্তান (নাম অজ্ঞাত)।

এছাড়া গ্রেনেড বিস্ফোরণে গুরুতর আহতাবস্থায় আস্তানার ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সাবিনা নামের ৪ বছরের এক শিশুকে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটি) এ অভিযান পরিচালনা করে।

দক্ষিণখান থানার আশকোনায় হাজী ক্যাম্পের অদূরে কুয়েত প্রবাসী জামাল হোসেনের বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানটির নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেশন রিপল টোয়েন্টিফোর’।

১৭ ঘণ্টা অভিযানের পর শনিবার বিকাল ৫টায় সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। সন্ধ্যায় নিহত নারী জঙ্গির লাশ উদ্ধার করে ঢামেক মর্গে পাঠানো হলেও ভবনের ভেতরে বিস্ফোরক থাকায় আদরের লাশ উদ্ধার করা হয়নি।

ট্যাগস :

বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, আশকোনার জঙ্গি আস্তানায়!

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৪৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

জঙ্গিবিরোধী অভিযানের পর রাজধানীর দক্ষিণখান থানার পূর্ব আশকোনা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

রোববার সকাল বেলা পৌনে ১১টায় হাজী ক্যাম্পের অদূরে `সূর্য ভিলা` নামের ওই জঙ্গি আস্তানায় প্রবেশ করেছে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট। সেখান থেকে তারা ঘটনার আলামত সংগ্রহ করবে। এর কিছুক্ষণ পরই তিনতলা ভবনটিতে প্রবেশ করে ২৫ সদস্যের একটি বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল। ঘটনাস্থলে রাখা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের ২টি গাড়ি।

উল্লেখ্য, শনিবার রাজধানীর পূর্ব আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানের সময় আত্মঘাতী গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও গুলিতে দু`জন নিহত হয়।

অভিযানের দিনই জঙ্গি সুমন ওরফে ইকবালের স্ত্রী শাকিলার (৩০) লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি শরীরে বেঁধে রাখা গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটালে মারা যান।

আর আজিমপুরে অভিযানের সময় নিহত জঙ্গি তানভীর কাদেরী ওরফে শিপারের ছেলে রাশেদ ওরফে আদর (১৪) গোলাগুলিতে নিহত হয়।

শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৭ ঘণ্টার এ অভিযানে আত্মসমর্পণ করে দুই শিশু সন্তানসহ দুই নারী। তারা হচ্ছে- সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জাহিদ ওরফে মুরাদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা ও তার সন্তান (নাম অজ্ঞাত)। আরেকজন হচ্ছে জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার সন্তান (নাম অজ্ঞাত)।

এছাড়া গ্রেনেড বিস্ফোরণে গুরুতর আহতাবস্থায় আস্তানার ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সাবিনা নামের ৪ বছরের এক শিশুকে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটি) এ অভিযান পরিচালনা করে।

দক্ষিণখান থানার আশকোনায় হাজী ক্যাম্পের অদূরে কুয়েত প্রবাসী জামাল হোসেনের বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানটির নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেশন রিপল টোয়েন্টিফোর’।

১৭ ঘণ্টা অভিযানের পর শনিবার বিকাল ৫টায় সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। সন্ধ্যায় নিহত নারী জঙ্গির লাশ উদ্ধার করে ঢামেক মর্গে পাঠানো হলেও ভবনের ভেতরে বিস্ফোরক থাকায় আদরের লাশ উদ্ধার করা হয়নি।