রবিবার | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু Logo জীবননগর বাঁকা গ্রামে বর্গা জমির কলা কাটা নিয়ে দ্বন্দ্ব বিএনপি কর্মীর মাথায় ইটের আঘাত, কানের অংশ বিচ্ছিন্ন Logo টরন্টোতে ফোবানার ৪০ বছর উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা Logo খুবিতে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত Logo কয়রায় মৎস্য ঘের দখলের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন Logo সাতক্ষীরার উপকূলে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ মাছ আহরণ, মান্দারবাড়িয়ায় ২২ জেলে আটক Logo জীবননগরে রেললাইনের লোহার পাত ভেঙে ৪ ঘণ্টা ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন Logo জীবননগরে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo সাতক্ষীরায় ব্র্যাক-এর উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত Logo ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা কথা: ভাষা দিবস ও রাজনীতির ভাষা ড. মাহরুফ চৌধুরী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

ত্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে নানা প্রস্তুতি ঈদ কেনাকাটায় স্বাস্থ্যঝুঁকি!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ মে ২০২০
  • ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে উৎসব। এই উৎসবকে আরো রাঙাতে, আনন্দময় করে তুলতে ত্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে নানা প্রস্তুতি। ঈদে চাই নতুন নতুন পোশাক। যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে এ রেওয়াজ চালু থাকলেও এবারের ঈদ যেন আনন্দহীন এর একটিই কারণ বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রদুর্ভাব। তবুও থেমে নেই মেয়েদের ঈদের কেনা-কাটা। তাই ঘরে ঘরে নতুন জামা-জুতা কেনার ধুম পড়ে গেছে। পছন্দমতো নতুন নতুন জামা-কাপড়, জুতা ও প্রসাধনী কিনতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ডাকবাংলার সব মার্কেটগুলোতে এখন উপছে পড়া ভিড়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে শর্ত সাপেক্ষে দোকান-পাট খুলে দেয়ার ঘোষণার পর থেকেই ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা-বাজার ও সড়কে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের উপছে পড়া ভিড় দেখা যায়। বাজারের মুদি বা অন্য দোকানগুলোতে ভীড় না থাকলেও গতকাল রোববার সকাল ১০ টার দিকে ডাকবাংলা বাজারের রুপম গার্মেন্টস, প্রোঃ আঃ রহমান কামাল, ইয়াদুল সু-সেন্টার, প্রোঃ আবুল কামাল, খন্দকার ইলেকট্রনিক এন্ড ভিডিও, নিউ একতা সুজ, প্রোঃ সালাম, ফাতেমা কসমেটিকস্ মেহেদী হাসান, মুন মিলন কসমেটিকস, মিমি গার্মেন্টস, বিশ্বাস বস্ত্রালয়, ছিট ভান্ডার, সুমন গার্মেন্টস এন্ড বস্ত্রালয়, একতা গার্মেন্টস, আশরাফুল গার্মেন্টস, আধুনিক বস্ত্রালয় এন্ড বোরকা হাউস।

নকশীকাঁথা, সবুজ গার্মেন্টস, হেলাল গার্মেন্টস এন্ড বোরকা হাউস, শাহানাজ গার্মেন্টস, চায়না কালেকশন বোরকা হাউস, হাসান গার্মেন্টস্ ইত্যাদি দোকান গুলোতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের প্রচণ্ড ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্য বিধির কোনো বালাই লক্ষ্য করা যায়নি। এবং সড়কগুলোতে গ্রামীণ পরিবহন আগের মতোই নেমে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর নারায়নপুর ত্রিমহনী, ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে নাম করা মিনি শহর ডাকবাংলা বাজারের ছোট বড় সকল হাট-বাজারগুলোতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির শর্ত বা সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে দোকান মালিকেরা দেদারছে লুটে নিচ্ছে (ব্যবসা-ই) তাদের স্বার্থ। এতে মহা বিপাকে পড়তে হতে পারে সাধারণ মানুষ, ধারণা করছেন এলাকার সচেতন মহলেরা।

আরোও দেখা গেছে, দোকানদারসহ বেশির ভাগ মানুষেরই মুখে নেই মাক্স ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থা। মার্কেটগুলোর প্রবেশ পথে নেই হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা। বিশেষ করে ছেলেদের তুলনায় নারী ও শিশুদের উপস্থিতির হার বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, আমরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকান চালানোর জন্য চেষ্টা করছি। কেনা বেচা সম্পর্কে বলেন, প্রায় আগের মতোই দোকানে বিক্রেতা পাচ্ছি।
এবিষয়ে ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আঃ রহমান কামাল জানান, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রেতাদের দাঁড়াতে বা বসতে বললেও তারা সেদিকে কোনো খেয়ালই করছেন না। সামনে ঈদ যার কারণে এখন একটু ভীড় বেশি।

ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজিব শেখ বলেন, এভাবে যদি করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির শর্ত বা সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বাজার বা মার্কেট গুলো চলতে থাকে তাহলে এই করোনার ভয়াবহ থাবা থেকে কেউই রেহায় পাবে না। সুতরাং ঝিনাইদহের সুযোগ্য জেলা প্রশাসকের নিকট আমিসহ এলাকার সচেতনও শিক্ষিত মহলের দাবি আমাদের পার্শ্ববর্তী জেলা গুলোর মতো ঝিনাইদহ জেলাকেও লক ডাউনের আওতাধীন আনা হোক। তবে এ বিষয়ে ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সচেতনতার জন্য নির্দেশিকা সম্বলিত ব্যাপক প্রচারের জন্য মাইকিং করে যাচ্ছেন, সোনা (পাগলা) মিয়া এবং শরিফুল ইসলাম (গোপাল)।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু

ত্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে নানা প্রস্তুতি ঈদ কেনাকাটায় স্বাস্থ্যঝুঁকি!

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ মে ২০২০

নিউজ ডেস্ক:
ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে উৎসব। এই উৎসবকে আরো রাঙাতে, আনন্দময় করে তুলতে ত্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে নানা প্রস্তুতি। ঈদে চাই নতুন নতুন পোশাক। যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে এ রেওয়াজ চালু থাকলেও এবারের ঈদ যেন আনন্দহীন এর একটিই কারণ বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রদুর্ভাব। তবুও থেমে নেই মেয়েদের ঈদের কেনা-কাটা। তাই ঘরে ঘরে নতুন জামা-জুতা কেনার ধুম পড়ে গেছে। পছন্দমতো নতুন নতুন জামা-কাপড়, জুতা ও প্রসাধনী কিনতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ডাকবাংলার সব মার্কেটগুলোতে এখন উপছে পড়া ভিড়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে শর্ত সাপেক্ষে দোকান-পাট খুলে দেয়ার ঘোষণার পর থেকেই ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা-বাজার ও সড়কে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের উপছে পড়া ভিড় দেখা যায়। বাজারের মুদি বা অন্য দোকানগুলোতে ভীড় না থাকলেও গতকাল রোববার সকাল ১০ টার দিকে ডাকবাংলা বাজারের রুপম গার্মেন্টস, প্রোঃ আঃ রহমান কামাল, ইয়াদুল সু-সেন্টার, প্রোঃ আবুল কামাল, খন্দকার ইলেকট্রনিক এন্ড ভিডিও, নিউ একতা সুজ, প্রোঃ সালাম, ফাতেমা কসমেটিকস্ মেহেদী হাসান, মুন মিলন কসমেটিকস, মিমি গার্মেন্টস, বিশ্বাস বস্ত্রালয়, ছিট ভান্ডার, সুমন গার্মেন্টস এন্ড বস্ত্রালয়, একতা গার্মেন্টস, আশরাফুল গার্মেন্টস, আধুনিক বস্ত্রালয় এন্ড বোরকা হাউস।

নকশীকাঁথা, সবুজ গার্মেন্টস, হেলাল গার্মেন্টস এন্ড বোরকা হাউস, শাহানাজ গার্মেন্টস, চায়না কালেকশন বোরকা হাউস, হাসান গার্মেন্টস্ ইত্যাদি দোকান গুলোতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের প্রচণ্ড ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্য বিধির কোনো বালাই লক্ষ্য করা যায়নি। এবং সড়কগুলোতে গ্রামীণ পরিবহন আগের মতোই নেমে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর নারায়নপুর ত্রিমহনী, ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে নাম করা মিনি শহর ডাকবাংলা বাজারের ছোট বড় সকল হাট-বাজারগুলোতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির শর্ত বা সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে দোকান মালিকেরা দেদারছে লুটে নিচ্ছে (ব্যবসা-ই) তাদের স্বার্থ। এতে মহা বিপাকে পড়তে হতে পারে সাধারণ মানুষ, ধারণা করছেন এলাকার সচেতন মহলেরা।

আরোও দেখা গেছে, দোকানদারসহ বেশির ভাগ মানুষেরই মুখে নেই মাক্স ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থা। মার্কেটগুলোর প্রবেশ পথে নেই হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা। বিশেষ করে ছেলেদের তুলনায় নারী ও শিশুদের উপস্থিতির হার বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, আমরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকান চালানোর জন্য চেষ্টা করছি। কেনা বেচা সম্পর্কে বলেন, প্রায় আগের মতোই দোকানে বিক্রেতা পাচ্ছি।
এবিষয়ে ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আঃ রহমান কামাল জানান, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রেতাদের দাঁড়াতে বা বসতে বললেও তারা সেদিকে কোনো খেয়ালই করছেন না। সামনে ঈদ যার কারণে এখন একটু ভীড় বেশি।

ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজিব শেখ বলেন, এভাবে যদি করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির শর্ত বা সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বাজার বা মার্কেট গুলো চলতে থাকে তাহলে এই করোনার ভয়াবহ থাবা থেকে কেউই রেহায় পাবে না। সুতরাং ঝিনাইদহের সুযোগ্য জেলা প্রশাসকের নিকট আমিসহ এলাকার সচেতনও শিক্ষিত মহলের দাবি আমাদের পার্শ্ববর্তী জেলা গুলোর মতো ঝিনাইদহ জেলাকেও লক ডাউনের আওতাধীন আনা হোক। তবে এ বিষয়ে ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সচেতনতার জন্য নির্দেশিকা সম্বলিত ব্যাপক প্রচারের জন্য মাইকিং করে যাচ্ছেন, সোনা (পাগলা) মিয়া এবং শরিফুল ইসলাম (গোপাল)।