বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক Logo আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন চাঁদপুর-২ আসনে লেবার পার্টির নাসিমা নাজনীন সরকার Logo আমরা বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে সাতক্ষীরার ৯নং ওয়ার্ডে তারেক রহমানের ৮ দফা রাষ্ট্র বিনির্মাণ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ Logo আবেদনের শর্ত পূরণ ছাড়াই খুবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি Logo দায়মুক্তি আইনের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে প্রতিবাদ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ক্যাবের Logo চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo সাতক্ষীরায় ইয়াবা, অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ  গ্রেফতার- ৩ Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

দলিল লেখক নাসির এখন টাকার কুমির!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৩৮ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও কালীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ নেতা নাসির চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেপরোয়া দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আজ রোববার (৩ নভেম্বর) সাক্ষীদের তলব করা হয়েছে। তবে নাসির চৌধুরী যাবেন ৫ নভেম্বর। গত ২৮ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো বর্ণিত ০০.০১.৪৪০০.৭৩৩.০১.০১৯.১৯.২৯১৪ নং স্মারকে এই চিঠিতে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মোঃ শহীদুল আসলাম মোড়লের অফিসে সকাল ১০টার মধ্যে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দলিল লেখক ও ইউপি চেয়ারম্যান নাসির চৌধুরীর পিতা কালীগঞ্জ উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের জমশেদ আলী চৌধুরী ও চাচা মোনছের আলীর মাত্র ৮ শতক জমি ছিল। অতি কষ্টে দিনাতিপাত করতেন নাসির। প্রথম জীবনে পরের বাড়িতে দিনমজুর করে বাল্যকাল শুরু করেন। এরপর বাজারে ডাব বিক্রি করতেন। সেখান থেকে কালীগঞ্জ সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে টি-বয় হিসেবে দিন হাজিরার চাকরি নেয়। পরবর্তীতে ৮ম শ্রেণি পাশ সনদ জোগাড় করে দলিল লেখক হিসেবে নাম লেখায়। তৎকালীন সাব রেজিস্ট্রার আলতাফ হোসেনের বাড়িতে কাজ করার সুবাদে তিনিই তাঁকে লাইসেন্স করে দেন। এরপর বিভিন্ন উপায়ে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হন। এলাকায় গড়ে তোলেন নিজস্ব বাহিনী। একের পর এক বাড়ি, দামি গাড়ি, মাঠে জমি ও ব্যাংকে টাকার পাহাড় গড়ে তোলেন। একজন দলিল লেখক হয়ে বেপরোয়া দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের দায়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে নাসির চৌধুরীর প্রথম স্ত্রী খোদেজা বেগমের নামে যশোরের আল আরাফাহ ব্যাংকে রয়েছে ৫০ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট। যার ব্যাংক একাউন্ট নং ০৩০১৬২০০০১০২৫। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংক স্টেটমেন্টে এই টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। নাসির চৌধুরীর শ্যালিকা মাহফুজা খাতুনের নামেও রাখা আছে ৫০ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের ১৪ মে তারিখে যশোরের আল আরাফাহ ব্যাংকে ০৩০১৬২০০০১২৪৮ নং হিসাব খোলা হয়। নাসির চৌধুরীর ব্র্যাক ব্যংক যশোর শাখায় ৮টি হিসাব নাম্বারে লাখ লাখ টাকার তথ্য পেয়েছে অনুসন্ধানকারী দল। ব্র্যাক ব্যংকের ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০২ নং হিসাবে ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ পর্যন্ত জমা ছিল ২০ লাখ টাকা। একই ব্যাংকের ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৩ নং হিসাবে জমা ছিল ২১ লাখ ৫০ হাজার, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০১ নং একাউন্টে ৩০ লাখ ৫০ হাজার, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৮ একাউন্টে ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৯২০ টাকা, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৪ একাউন্টে ২ লাখ ১৬ হাজার ৬৩৪ টাকা, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৭ নং একাউন্টে ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫১ টাকা, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০১ নং একাউন্টে ৫ লাখ ৮৫ হাজার ১৪২ টাকা ও ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৬ নং একাউন্টে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া এবি ব্যাংকে মাহফুজা ও তার শ্যালক জিয়া কবীরের নামেও কোটি কোটি টাকা থাকতে পারে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও তার কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়ায় ৩টি আলীশান বাড়ি, নদীপাড়ায় একটি ও কুল্লোপাড়ায় বাগান বাড়ি রয়েছে। দলিল লেখক নাসির চৌধুরীর জমিও আছে অঢেল। গ্রামে তার কারণে কেও উচ্চমুল্যে জমি কিনতে পারেন না। পিতার ৪ শতক জমি থেকে নাসির চৌধুরী শত কোটি টাকার জমি কিনেছেন। সর্বশেষ তথ্য মতে নাসিরের নামে ৫৯.২৭ বিঘা জমির সন্ধান মিলেছে। কালীগঞ্জের বাবরা, পকুরিয়া, তিল্লা, ডাকাতিয়া, এ্যাড়েখাল, মনোহরপুর, সিমলাসহ বিভিন্ন মাঠে এই জমি রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও কালীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির চৌধুরী বলেন, মাঠে আমার এতো জমি নেই। কালীগঞ্জের এসিল্যান্ড তদন্ত করে মাত্র ১০ বিঘা জমির অস্তিত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন আমার স্ত্রী ও শ্যালিকার নামে যে টাকা ব্যাংকে আছে সেটা আমার শ্বশুর চুরামনকাঠি বাজারে সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে। তিনি বলেন, আমার আখ চাষ আছে। এছাড়া আমি দলিল লেখক। এ সব খাত থেকে আমার বছরে অনেক টাকা আয় হয়। আমি দুর্নীতি করি না। তিনি অভিযোগ করেন, আমার মিনি নামে এক ভাইপো ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। টাকা চাওয়ায় সেই আমার বিরুদ্ধে ভুয়া ও বানোয়ট অভিযোগ দিয়েছে। তিনি জানান এর আগেও র‌্যাব, পুলিশ ও জেলা প্রশাসন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কোন সত্যতা পায়নি। আগামী ৫ নভেম্বর তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে যাবেন বলেও স্বীকার করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক

দলিল লেখক নাসির এখন টাকার কুমির!

আপডেট সময় : ১০:২২:৩৮ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও কালীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ নেতা নাসির চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেপরোয়া দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আজ রোববার (৩ নভেম্বর) সাক্ষীদের তলব করা হয়েছে। তবে নাসির চৌধুরী যাবেন ৫ নভেম্বর। গত ২৮ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো বর্ণিত ০০.০১.৪৪০০.৭৩৩.০১.০১৯.১৯.২৯১৪ নং স্মারকে এই চিঠিতে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মোঃ শহীদুল আসলাম মোড়লের অফিসে সকাল ১০টার মধ্যে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দলিল লেখক ও ইউপি চেয়ারম্যান নাসির চৌধুরীর পিতা কালীগঞ্জ উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের জমশেদ আলী চৌধুরী ও চাচা মোনছের আলীর মাত্র ৮ শতক জমি ছিল। অতি কষ্টে দিনাতিপাত করতেন নাসির। প্রথম জীবনে পরের বাড়িতে দিনমজুর করে বাল্যকাল শুরু করেন। এরপর বাজারে ডাব বিক্রি করতেন। সেখান থেকে কালীগঞ্জ সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে টি-বয় হিসেবে দিন হাজিরার চাকরি নেয়। পরবর্তীতে ৮ম শ্রেণি পাশ সনদ জোগাড় করে দলিল লেখক হিসেবে নাম লেখায়। তৎকালীন সাব রেজিস্ট্রার আলতাফ হোসেনের বাড়িতে কাজ করার সুবাদে তিনিই তাঁকে লাইসেন্স করে দেন। এরপর বিভিন্ন উপায়ে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হন। এলাকায় গড়ে তোলেন নিজস্ব বাহিনী। একের পর এক বাড়ি, দামি গাড়ি, মাঠে জমি ও ব্যাংকে টাকার পাহাড় গড়ে তোলেন। একজন দলিল লেখক হয়ে বেপরোয়া দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের দায়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে নাসির চৌধুরীর প্রথম স্ত্রী খোদেজা বেগমের নামে যশোরের আল আরাফাহ ব্যাংকে রয়েছে ৫০ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট। যার ব্যাংক একাউন্ট নং ০৩০১৬২০০০১০২৫। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংক স্টেটমেন্টে এই টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। নাসির চৌধুরীর শ্যালিকা মাহফুজা খাতুনের নামেও রাখা আছে ৫০ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের ১৪ মে তারিখে যশোরের আল আরাফাহ ব্যাংকে ০৩০১৬২০০০১২৪৮ নং হিসাব খোলা হয়। নাসির চৌধুরীর ব্র্যাক ব্যংক যশোর শাখায় ৮টি হিসাব নাম্বারে লাখ লাখ টাকার তথ্য পেয়েছে অনুসন্ধানকারী দল। ব্র্যাক ব্যংকের ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০২ নং হিসাবে ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ পর্যন্ত জমা ছিল ২০ লাখ টাকা। একই ব্যাংকের ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৩ নং হিসাবে জমা ছিল ২১ লাখ ৫০ হাজার, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০১ নং একাউন্টে ৩০ লাখ ৫০ হাজার, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৮ একাউন্টে ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৯২০ টাকা, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৪ একাউন্টে ২ লাখ ১৬ হাজার ৬৩৪ টাকা, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৭ নং একাউন্টে ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫১ টাকা, ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০১ নং একাউন্টে ৫ লাখ ৮৫ হাজার ১৪২ টাকা ও ২৪০১৩০২১১২৫৯৯০০৬ নং একাউন্টে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া এবি ব্যাংকে মাহফুজা ও তার শ্যালক জিয়া কবীরের নামেও কোটি কোটি টাকা থাকতে পারে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও তার কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়ায় ৩টি আলীশান বাড়ি, নদীপাড়ায় একটি ও কুল্লোপাড়ায় বাগান বাড়ি রয়েছে। দলিল লেখক নাসির চৌধুরীর জমিও আছে অঢেল। গ্রামে তার কারণে কেও উচ্চমুল্যে জমি কিনতে পারেন না। পিতার ৪ শতক জমি থেকে নাসির চৌধুরী শত কোটি টাকার জমি কিনেছেন। সর্বশেষ তথ্য মতে নাসিরের নামে ৫৯.২৭ বিঘা জমির সন্ধান মিলেছে। কালীগঞ্জের বাবরা, পকুরিয়া, তিল্লা, ডাকাতিয়া, এ্যাড়েখাল, মনোহরপুর, সিমলাসহ বিভিন্ন মাঠে এই জমি রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও কালীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির চৌধুরী বলেন, মাঠে আমার এতো জমি নেই। কালীগঞ্জের এসিল্যান্ড তদন্ত করে মাত্র ১০ বিঘা জমির অস্তিত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন আমার স্ত্রী ও শ্যালিকার নামে যে টাকা ব্যাংকে আছে সেটা আমার শ্বশুর চুরামনকাঠি বাজারে সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে। তিনি বলেন, আমার আখ চাষ আছে। এছাড়া আমি দলিল লেখক। এ সব খাত থেকে আমার বছরে অনেক টাকা আয় হয়। আমি দুর্নীতি করি না। তিনি অভিযোগ করেন, আমার মিনি নামে এক ভাইপো ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। টাকা চাওয়ায় সেই আমার বিরুদ্ধে ভুয়া ও বানোয়ট অভিযোগ দিয়েছে। তিনি জানান এর আগেও র‌্যাব, পুলিশ ও জেলা প্রশাসন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কোন সত্যতা পায়নি। আগামী ৫ নভেম্বর তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে যাবেন বলেও স্বীকার করেন।