মঙ্গলবার | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা। Logo আইনের ফাঁদে দুই প্রতিষ্ঠান: চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, অর্ধ লক্ষাধিক টাকার মাদক ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় Logo গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা Logo শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি Logo পলাশবাড়ীতে ধানের শীর্ষের পক্ষে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল  Logo ঝালকাঠিতে ৬লিটার চোলাই মদ সহ নাসির ডিবির হাতে আটক  Logo পলাশবাড়ীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ৪, অবরুদ্ধ ৯ পরিবার

মুজিবনগরকে আন্তর্জাতিক মানের মুক্তিযুদ্ধ তীর্থস্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:১০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০১৯
  • ৭৭৭ বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র প্রকল্পের স্থাপত্য নকশা অনুমোদন-সংক্রান্ত সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক
নিউজ ডেস্ক:মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘হাইকোর্টের একটি নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমরা রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রকাশ করতে পারিনি। আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্য আমরা এদের তালিকা প্রকাশ করতে পারব। প্রতিটা ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।’ গতকাল শুক্রবার সকালে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর পর্যটন মোটেলে আয়োজিত মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র প্রকল্পের স্থাপত্য নকশা অনুমোদন-সংক্রান্ত সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগরে আন্তর্জাতিক মানের মুক্তিযুদ্ধের চিত্র তুলে ধরে অন্যতম তীর্থস্থান হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি। আজকে সভার মাধ্যেমে সব পরিকল্পনা ও নকশা মোতাবেক আগামী ১৭ এপ্রিলের আগেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে যাবে।’ তিনি বলেন, মুজিবনগর হচ্ছে স্বাধীনতার শপথ ভূমি, সূর্যোদয় ভূমি। মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ না নিলে দেশ স্বাধীন নিয়ে বড় ধরনের সমস্যা হতো। মুক্তিযুদ্ধের সে স্মৃতি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে এখানে অন্তর্জাতিক মানের মুক্তিযুদ্ধ তীর্থস্থান গড়ে তোলা হবে। নতুন কাজ শুরুর বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ৩৭ একর জমি অধিগ্রহণ করেছি। আগামী তিন মাসের মধ্য নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বেশকিছু ভাস্কর্য পরিবর্তন করা হবে।’
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে মুজিবনগর পর্যটন মোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রালয়ের সচিব এস এম আরিফ-উর-রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক আতাউল গনী, মেহেরপুর জেলা পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী, মেহেরপুর পৌরসভার মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন, মুজিবনগর উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস, মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গনীসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সবার সামনে তুলে ধরতে মুজিবনগরের ঐতিহাসিক শপথস্থলে স্মৃতিসৌধ, বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক মানচিত্র, মানচিত্রের সামনে জাতির পিতাসহ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বগাথা আত্মদানকারী ব্যক্তিদের ভাস্কর্যসহ নানা স্থাপনা রয়েছে। প্রতিবছরই এখানে হাজার হাজার পর্যটক আসেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ 

মুজিবনগরকে আন্তর্জাতিক মানের মুক্তিযুদ্ধ তীর্থস্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে

আপডেট সময় : ১২:৪৭:১০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০১৯

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র প্রকল্পের স্থাপত্য নকশা অনুমোদন-সংক্রান্ত সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক
নিউজ ডেস্ক:মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘হাইকোর্টের একটি নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমরা রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রকাশ করতে পারিনি। আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্য আমরা এদের তালিকা প্রকাশ করতে পারব। প্রতিটা ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।’ গতকাল শুক্রবার সকালে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর পর্যটন মোটেলে আয়োজিত মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র প্রকল্পের স্থাপত্য নকশা অনুমোদন-সংক্রান্ত সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগরে আন্তর্জাতিক মানের মুক্তিযুদ্ধের চিত্র তুলে ধরে অন্যতম তীর্থস্থান হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি। আজকে সভার মাধ্যেমে সব পরিকল্পনা ও নকশা মোতাবেক আগামী ১৭ এপ্রিলের আগেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে যাবে।’ তিনি বলেন, মুজিবনগর হচ্ছে স্বাধীনতার শপথ ভূমি, সূর্যোদয় ভূমি। মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ না নিলে দেশ স্বাধীন নিয়ে বড় ধরনের সমস্যা হতো। মুক্তিযুদ্ধের সে স্মৃতি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে এখানে অন্তর্জাতিক মানের মুক্তিযুদ্ধ তীর্থস্থান গড়ে তোলা হবে। নতুন কাজ শুরুর বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ৩৭ একর জমি অধিগ্রহণ করেছি। আগামী তিন মাসের মধ্য নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বেশকিছু ভাস্কর্য পরিবর্তন করা হবে।’
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে মুজিবনগর পর্যটন মোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রালয়ের সচিব এস এম আরিফ-উর-রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক আতাউল গনী, মেহেরপুর জেলা পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী, মেহেরপুর পৌরসভার মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন, মুজিবনগর উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস, মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গনীসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সবার সামনে তুলে ধরতে মুজিবনগরের ঐতিহাসিক শপথস্থলে স্মৃতিসৌধ, বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক মানচিত্র, মানচিত্রের সামনে জাতির পিতাসহ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বগাথা আত্মদানকারী ব্যক্তিদের ভাস্কর্যসহ নানা স্থাপনা রয়েছে। প্রতিবছরই এখানে হাজার হাজার পর্যটক আসেন।