রবিবার | ২২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ Logo চাঁদপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ Logo বড়স্টেশন প্রধানীয়া বাড়ির মানবিক উদ্যোগ: ৫ শতাধিক অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

এফ-১৬ মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র চায় ভারতীয় বিমান বাহিনী !

  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯
  • ৮১৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় বিমান বাহিনী জরুরি ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। ভারতীয় একটি দৈনিক এবং রাশিয়ার একটি সংবাদ মাধ্যম এ খবর দিয়েছে।এতে বলা হয়েছে, কাশ্মির সীমান্তের কাছাকাছি পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের গোটা বহর মোতায়েনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় বিমান বাহিনীর টহল বেড়ে গেছে। আকাশযুদ্ধে ব্যবহার যোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ সব ধরণের সমরাস্ত্রে পুরোপুরি সজ্জিত হয়ে এ সব টহল দেয়া হয়।

ভারতের সরকারের শীর্ষ সূত্র থেকে বলা হয়েছে, এ সব ক্ষেপণাস্ত্রের আয়ু সীমিত। এগুলো যখন বাক্সবন্দি হয়ে থাকে তখন বছর গুণে আয়ুর হিসাব করা হয়। কিন্তু যুদ্ধবিমানে টহল দেয়ার জন্য এ সব ক্ষেপণাস্ত্র বহন করা হলে তাতে ক্ষেপণাস্ত্রের খোল বা শেলের আয়ু কমে যায়। কতবার টহল দেয়া হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে ক্ষেপণাস্ত্রের আয়ু। এ অবস্থায়, ভারতীয় বিমান বাহিনীকে বিশেষ করে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত যোগান দিতে হবে। গত মাসের শেষের দিকে পাকিস্তানের সঙ্গে আকাশ যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারতীয় বিমান বাহিনী উচ্চ সতর্কাবস্থায় বজায় রেখেছে। এ ছাড়া, সীমান্তের দুই পাশেই বিমান বাহিনী তৎপরতা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রাতের টহল তৎপরতা বেড়েছে।দ্রুততম সময়ে জবাব দেয়ার প্রয়োজনকে সামনে রেখে ভারতের অগ্রবর্তী অবস্থানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে আইএএফ যুদ্ধবিমান বহর। এ সব যুদ্ধবিমানের মধ্যে রয়েছে সুখোই-৩০এমকেআই এবং মিরেজ-২০০০। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু এবং কাশ্মিরেও যুদ্ধবিমানের শক্তি বাড়ানো হয়েছে।এ দিকে, বালাকোটে হামলার পরদিন ভারতের বিরুদ্ধে আকাশযুদ্ধে এফ-১৬ ব্যবহারের বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আমেরিকার সঙ্গে শলা-পরামর্শ করেছে ভারত। আর তাতেও ভারত সীমান্তে পাকিস্তানের এফ-১৬ মোতায়েন ঠেকানো যায় নি এবং ফলে অস্বস্তি বোধ করছে নয়াদিল্লি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল

এফ-১৬ মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র চায় ভারতীয় বিমান বাহিনী !

আপডেট সময় : ১২:৪৫:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় বিমান বাহিনী জরুরি ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। ভারতীয় একটি দৈনিক এবং রাশিয়ার একটি সংবাদ মাধ্যম এ খবর দিয়েছে।এতে বলা হয়েছে, কাশ্মির সীমান্তের কাছাকাছি পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের গোটা বহর মোতায়েনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় বিমান বাহিনীর টহল বেড়ে গেছে। আকাশযুদ্ধে ব্যবহার যোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ সব ধরণের সমরাস্ত্রে পুরোপুরি সজ্জিত হয়ে এ সব টহল দেয়া হয়।

ভারতের সরকারের শীর্ষ সূত্র থেকে বলা হয়েছে, এ সব ক্ষেপণাস্ত্রের আয়ু সীমিত। এগুলো যখন বাক্সবন্দি হয়ে থাকে তখন বছর গুণে আয়ুর হিসাব করা হয়। কিন্তু যুদ্ধবিমানে টহল দেয়ার জন্য এ সব ক্ষেপণাস্ত্র বহন করা হলে তাতে ক্ষেপণাস্ত্রের খোল বা শেলের আয়ু কমে যায়। কতবার টহল দেয়া হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে ক্ষেপণাস্ত্রের আয়ু। এ অবস্থায়, ভারতীয় বিমান বাহিনীকে বিশেষ করে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত যোগান দিতে হবে। গত মাসের শেষের দিকে পাকিস্তানের সঙ্গে আকাশ যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারতীয় বিমান বাহিনী উচ্চ সতর্কাবস্থায় বজায় রেখেছে। এ ছাড়া, সীমান্তের দুই পাশেই বিমান বাহিনী তৎপরতা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রাতের টহল তৎপরতা বেড়েছে।দ্রুততম সময়ে জবাব দেয়ার প্রয়োজনকে সামনে রেখে ভারতের অগ্রবর্তী অবস্থানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে আইএএফ যুদ্ধবিমান বহর। এ সব যুদ্ধবিমানের মধ্যে রয়েছে সুখোই-৩০এমকেআই এবং মিরেজ-২০০০। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু এবং কাশ্মিরেও যুদ্ধবিমানের শক্তি বাড়ানো হয়েছে।এ দিকে, বালাকোটে হামলার পরদিন ভারতের বিরুদ্ধে আকাশযুদ্ধে এফ-১৬ ব্যবহারের বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আমেরিকার সঙ্গে শলা-পরামর্শ করেছে ভারত। আর তাতেও ভারত সীমান্তে পাকিস্তানের এফ-১৬ মোতায়েন ঠেকানো যায় নি এবং ফলে অস্বস্তি বোধ করছে নয়াদিল্লি।