বৃহস্পতিবার | ২ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন Logo প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ ছাড় সংক্রান্ত অবহিতকরণ সভা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কোনো ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ঢুকতে পারবেন না Logo সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদে দায়িত্ব নিলেন নতুন প্রশাসক সলিম উল্যা সেলিম Logo স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুন্দরবনে জোনাব বাহিনীর কবল থেকে জেলে উদ্ধার, কোস্ট গার্ডের অভিযান জোরদার Logo সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু: নিরাপদ সড়কের দাবিতে খুবিতে মানববন্ধন Logo মতলব দক্ষিণে নায়েরগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভরসার নাম ফারুক হাসান Logo চাঁদপুর লঞ্চে জন্ম নিল কন্যাশিশু, পাশে দাঁড়াল পুলিশ-সাংবাদিক-স্বেচ্ছাসেবকরা Logo চাঁদপুরে হামে আক্রান্ত ২৮ শিশু ভর্তি, মৃত্যু ৩, খোলা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড

ঝিনাইদহে ১০৭ ইটভাটার মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ নিবন্ধন রয়েছে ১৮ টি

  • আপডেট সময় : ০২:২৬:২০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯
  • ৭৫০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহ জেলায় ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে অধিকাংশ ইটভাটাগুলো। আবার ইটপোড়াতে বাগানের হাজার হাজার মন কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। সুবিধার্তে কাঠ চেরাই করার জন্য ইটভাটার পাশে স’মিল (করাতকল) বসিয়ে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালি ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আইনকে অমান্য করে ইটভাটা তৈরি করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে বনই উজাড় হচ্ছেনা। পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এক্ষেত্রে প্রশাসন কর্তারাও দেখেও না দেখার ভান করছে। ইটভাটা সমিতি সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলার ৬টি উপজেলায় ১’শ ৭টি ইটভাটা রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলায় ৯২ টি ইট ভাঁটা রয়েছে। যার মধ্যে ১৮ টি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ নিবন্ধন রয়েছে। আর বাকি ৭৪ টি ইটভাটা রয়েছে অবৈধ। ইট প্রস্তুত এবং ভাঁটা স্থাপনা (নিয়ন্ত্রন) আইন ২০১৩-এর ৮ ধারা অনুযায়ি, লোকালয় ও কৃষি জমিতে ইটভাটা তৈরি দন্ডনিয় অপরাধ। কিন্তু কর্মকর্তাদের উদাসিনতা এবং ইট ভাঁটা মালিকেরা স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালি ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আইনকে অমান্য করে ইটভাটা গড়ে তোলেন। যে কারণে কোন সময় অভিযোগ উঠলেও বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অধিকাংশ ইটভাটাগুলোই ফসলি জমিতে, যা পাশের জমি গুলোর ফসল ছাই, ধোয়ায় নষ্ঠ হচ্ছে। অন্যদিকে তাদের কোন বৈধ লাইসেন্স নেই। তারা আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে ফসলি জমিতে ও অবাধে কাঠ পোড়াচ্ছেন। সেই সাথে ব্যারেল চিমনিও ব্যবহার করছেন মফস্ফলের ইটভাটাতে। কৃষকের অভাবের সুযোগে কমদামে গাছপালা কিনছে। আর উজার করা হচ্ছে বন। ঝিনাইদহ সদর, হরিনাকুন্ডু, শৈলকুপা ও কালীগঞ্জ মহাসড়কের পাশের দুটি এবং কোটচাঁদপুর সড়কের কালীগঞ্জের মধ্যে ২ টি ইটভাটায় দেখা যায় কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। একটি ইটভাটায় ব্যারেল চিমনি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে উঠেছে নতুন নতুন অনুমোদনহীন ইটভাটা। অনুমোদনের জন্য আবেদন কেরই চলছে বছরের পর বছর। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, আমরা খুব দ্রুত অবৈধ ও পরিবেশ দুষণকারী ইট ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে প্রচুর পরিমান ইটের প্রয়োজন। ফলে পরিবেশ বান্ধব ইটভাটা তৈরিতে অনুরোধ জানাবো।

ট্যাগস :

ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব

ঝিনাইদহে ১০৭ ইটভাটার মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ নিবন্ধন রয়েছে ১৮ টি

আপডেট সময় : ০২:২৬:২০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহ জেলায় ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে অধিকাংশ ইটভাটাগুলো। আবার ইটপোড়াতে বাগানের হাজার হাজার মন কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। সুবিধার্তে কাঠ চেরাই করার জন্য ইটভাটার পাশে স’মিল (করাতকল) বসিয়ে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালি ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আইনকে অমান্য করে ইটভাটা তৈরি করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে বনই উজাড় হচ্ছেনা। পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এক্ষেত্রে প্রশাসন কর্তারাও দেখেও না দেখার ভান করছে। ইটভাটা সমিতি সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলার ৬টি উপজেলায় ১’শ ৭টি ইটভাটা রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলায় ৯২ টি ইট ভাঁটা রয়েছে। যার মধ্যে ১৮ টি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ নিবন্ধন রয়েছে। আর বাকি ৭৪ টি ইটভাটা রয়েছে অবৈধ। ইট প্রস্তুত এবং ভাঁটা স্থাপনা (নিয়ন্ত্রন) আইন ২০১৩-এর ৮ ধারা অনুযায়ি, লোকালয় ও কৃষি জমিতে ইটভাটা তৈরি দন্ডনিয় অপরাধ। কিন্তু কর্মকর্তাদের উদাসিনতা এবং ইট ভাঁটা মালিকেরা স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালি ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আইনকে অমান্য করে ইটভাটা গড়ে তোলেন। যে কারণে কোন সময় অভিযোগ উঠলেও বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অধিকাংশ ইটভাটাগুলোই ফসলি জমিতে, যা পাশের জমি গুলোর ফসল ছাই, ধোয়ায় নষ্ঠ হচ্ছে। অন্যদিকে তাদের কোন বৈধ লাইসেন্স নেই। তারা আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে ফসলি জমিতে ও অবাধে কাঠ পোড়াচ্ছেন। সেই সাথে ব্যারেল চিমনিও ব্যবহার করছেন মফস্ফলের ইটভাটাতে। কৃষকের অভাবের সুযোগে কমদামে গাছপালা কিনছে। আর উজার করা হচ্ছে বন। ঝিনাইদহ সদর, হরিনাকুন্ডু, শৈলকুপা ও কালীগঞ্জ মহাসড়কের পাশের দুটি এবং কোটচাঁদপুর সড়কের কালীগঞ্জের মধ্যে ২ টি ইটভাটায় দেখা যায় কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। একটি ইটভাটায় ব্যারেল চিমনি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে উঠেছে নতুন নতুন অনুমোদনহীন ইটভাটা। অনুমোদনের জন্য আবেদন কেরই চলছে বছরের পর বছর। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, আমরা খুব দ্রুত অবৈধ ও পরিবেশ দুষণকারী ইট ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে প্রচুর পরিমান ইটের প্রয়োজন। ফলে পরিবেশ বান্ধব ইটভাটা তৈরিতে অনুরোধ জানাবো।