শনিবার | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo সোমবার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু Logo ইউপি সদস্য থেকে সংসদ সদস্য: নুরুল আমিন Logo গণরায়ের বিজয়ে শুকরিয়া আদায়: যুবদল নেতা জিয়া প্রধানীয়ার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া Logo চাঁদপুরে বিএনপির শক্ত অবস্থান, ৪ আসনে বিজয়; একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চমক Logo ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে প্লেকার্ড হাতে ভোট কেন্দ্রে বোন মাসুম Logo চাঁদপুর-৩ আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ, নারী ও তরুণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি Logo নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার Logo ভোট বর্জন করলেন হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী জসীম Logo ৪৬ কেন্দ্রে তিনগুণেরও বেশি ভোটে এগিয়ে হাসনাত Logo মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গার মৃৎশিল্প

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:২০:৫৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
  • ৭৫৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:মৃৎ কারিগররা মৃৎ শিল্পে লাভবান না হওয়ায় এ পেশা ছাড়তে বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় নিয়োজিত হচ্ছেন। মৃৎ কারিগরদের তৈরি পণ্য অন্য আধুনিক পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। মৃৎ কারিগররা বলছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে মৃৎ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভাব হবে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে মৃৎ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাসহ বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতা প্রয়োজন। মৃৎ শিল্পে আধুনিকতার ছোয়া লাগলে আবারও সুদিন ফিরে পাবে মৃৎ কারিগররা। মৃৎ কারিগররা তাদের পুরাতন পেশা টিকিয়ে রাখতে গিয়ে দরিদ্র থেকে অতি দরিদ্র হচ্ছেন। তারপরও আশার আলো দেখছেন, একদিন এ পেশায় সুদিন ফিরবে।
মৃৎ শিল্পের প্রয়োজনীয় জিনিস মাটি, খঁড়ি, বিদ্যুত, লেবারসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। মৃৎ শিল্পের কাজ এখনও হাতেই তৈরি করছেন কারিগররা। এ শিল্পে আধুনিকতার ছোঁয়া না লাগা বিলুপ্তির কারণ। বছরের কিছু বিশেষ দিন পহেলা বৈশাখ, ঈদ, পূজা ছাড়া এ শিল্পের জিনিসের চাহিদা নেই। তৈরি জিনিসের দাম কম থাকায় লোকসানের মুখে পড়তে হয়। এ সব কারণে তারা পেশা বদলাতে বাধ্য হচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তালতলা গ্রাম, মোমিনপুর গ্রাম, ডিঙ্গেদহ গ্রাম, দামুড়হুদা উপজেলার কুষাঘাটা গ্রামের ৮-১০টি পরিবার, জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর, শিয়ালমারী, আন্দুলবাড়িয়া মৃৎ শিল্পের কাজ করেন। আগে জেলার চারটি উপজেলায় প্রায় ২৫০টি পরিবার এ শিল্পের সাথে জড়িত ছিল। সরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা ও ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ পেলে এ শিল্প বাঁচিয়ে রাখা সম্ভাব। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও এ কাজ করেন।
একজন মৃৎ শিল্পী জানান, মৃৎ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারিভাবে পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। মাটির তৈরি জিনিসের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় লাভ তেমন হয়না। এ পেশা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছি। বাপ-দাদার পুরাতন পেশা বলে কষ্ট করে বাঁচিয়ে রেখেছি।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্ষুদ কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) চুয়াডাঙ্গার উপব্যবস্থাপক হামিদুর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গায় এক সময় অনেক মৃৎ শিল্প গড়ে উঠেছিল। নানা কারণে বিলুপ্ত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪টি উপজেলাতেই কিছু সংখ্যক পরিবার মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত। আর এ মৃৎ শিল্পের কাজ করেই তারা জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোমবার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু

বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গার মৃৎশিল্প

আপডেট সময় : ১০:২০:৫৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:মৃৎ কারিগররা মৃৎ শিল্পে লাভবান না হওয়ায় এ পেশা ছাড়তে বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় নিয়োজিত হচ্ছেন। মৃৎ কারিগরদের তৈরি পণ্য অন্য আধুনিক পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। মৃৎ কারিগররা বলছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে মৃৎ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভাব হবে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে মৃৎ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাসহ বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতা প্রয়োজন। মৃৎ শিল্পে আধুনিকতার ছোয়া লাগলে আবারও সুদিন ফিরে পাবে মৃৎ কারিগররা। মৃৎ কারিগররা তাদের পুরাতন পেশা টিকিয়ে রাখতে গিয়ে দরিদ্র থেকে অতি দরিদ্র হচ্ছেন। তারপরও আশার আলো দেখছেন, একদিন এ পেশায় সুদিন ফিরবে।
মৃৎ শিল্পের প্রয়োজনীয় জিনিস মাটি, খঁড়ি, বিদ্যুত, লেবারসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। মৃৎ শিল্পের কাজ এখনও হাতেই তৈরি করছেন কারিগররা। এ শিল্পে আধুনিকতার ছোঁয়া না লাগা বিলুপ্তির কারণ। বছরের কিছু বিশেষ দিন পহেলা বৈশাখ, ঈদ, পূজা ছাড়া এ শিল্পের জিনিসের চাহিদা নেই। তৈরি জিনিসের দাম কম থাকায় লোকসানের মুখে পড়তে হয়। এ সব কারণে তারা পেশা বদলাতে বাধ্য হচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তালতলা গ্রাম, মোমিনপুর গ্রাম, ডিঙ্গেদহ গ্রাম, দামুড়হুদা উপজেলার কুষাঘাটা গ্রামের ৮-১০টি পরিবার, জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর, শিয়ালমারী, আন্দুলবাড়িয়া মৃৎ শিল্পের কাজ করেন। আগে জেলার চারটি উপজেলায় প্রায় ২৫০টি পরিবার এ শিল্পের সাথে জড়িত ছিল। সরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা ও ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ পেলে এ শিল্প বাঁচিয়ে রাখা সম্ভাব। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও এ কাজ করেন।
একজন মৃৎ শিল্পী জানান, মৃৎ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারিভাবে পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। মাটির তৈরি জিনিসের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় লাভ তেমন হয়না। এ পেশা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছি। বাপ-দাদার পুরাতন পেশা বলে কষ্ট করে বাঁচিয়ে রেখেছি।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্ষুদ কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) চুয়াডাঙ্গার উপব্যবস্থাপক হামিদুর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গায় এক সময় অনেক মৃৎ শিল্প গড়ে উঠেছিল। নানা কারণে বিলুপ্ত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪টি উপজেলাতেই কিছু সংখ্যক পরিবার মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত। আর এ মৃৎ শিল্পের কাজ করেই তারা জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।