শনিবার | ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় Logo খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খুবিতে ‘রান ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির Logo দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অগ্রযাত্রা Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন Logo হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ দিনভর গণসংযোগ Logo হাল্ট প্রাইজ অ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল Logo চাঁদপুর ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ইবলীসকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করার পর সে মহান আল্লাহ কে সম্বোধন করে যা বলেছিল !

  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ আগস্ট ২০১৮
  • ৮৩০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

 ইবলীসকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করার পর সে মহান আল্লাহ কে সম্বোধন করে বলেছিল – হে পরওয়ারদেগার ! আপনি আমাকে আদমের কারণে জান্নাত থেকে বহিস্কার করেছেন । আপনি যদি আমাকে ক্ষমতা দান না করেন তা হলে আমি তাঁর শক্রতা ও ক্ষতি সাধন করতে পারব না । তখন আল্লাহ তা‘লা তাকে বললেন , যা , আমি তোকে ক্ষমতা প্রদান করলাম । তুই তাদের ক্ষতি সাধন করার ক্ষমতা প্রাপ্ত হলে । তবে আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালাম মা‘সুম নিস্পাপ হওয়ার কারণে তুই তাদের কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবি না । তাহারা তোর থেকে মাহফুয , তাদের উপর তোর কোন কর্তৃত্ব নেই । ইবলীস বলল , আমাকে আরো অধিক ক্ষমতা দান করুন । আল্লাহ বললেন , যে , এক একজন আদম সন্তানের শক্রতার জন্য তোর দু‘ দুটি সন্তান জন্ম নিবে । তখন সে বলল-আমাকে আরো ক্ষমতা দিন । আল্লাহ বললেন , যা তাদের বক্ষদেশ তোর আবাসস্থল হবে এবং তাদের শিরায় শিরায় তোর চলার ক্ষমতা থাকবে । সে বলল , আমাকে আরো অধিক ক্ষমতা দিন । তখন আল্লাহ বললেন , যা , আদম সন্তানের বিরুদ্ধে তোর অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে মেতে উঠ । তোর সহযোগীদের সবাইকে নিয়ে তাদের ক্ষতি সাধনে মত্ত হয়ে যা , তাদেরকে ধন সম্পদ উপার্জনে ,জীবিকার্বাহে, হারাম উপায়ে যথা -ঋতুকালীন সময়ে স্ত্রীদের সাথে মিলনে , সন্তান-সন্ততিদের শিরকি নাম রাখা ব্যাপারে প্রতারিত কর ,অনুরুপ ভ্রান্ত ধর্ম ও ভ্রান্ত মতবাদে বিশ্বাসী করে গর্হিত কার্যকলাপ দ্বারা তাদেরকে পথভ্রষ্ট করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যা । যেমন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি প্রদান । তারা তোমাদের জন্য সুপারিশ করবে বলে মূর্তিপূজা ও শিরকের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যা । অথবা বাপ-দাদা বুযুর্গী দ্বারা নাজাত পেয়ে যাবে , অথবা দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকার আশা দিয়ে তওবা থেকে বিরত রাখা ইত্যাদি । তবে মনে রাখিস , যারা আমার খাঁটি বন্দা , যারা আমার হুকুম আহকাম পালন করবে , তাদের তুই কোন ক্ষতি করতে পারবি না । ( মনে রাখবি এ সব কিছুই মহান আল্লাহর পক্ষ হতে তার বান্দাদের সাবধানতার জন্য করা হয়েছে ) ।
>>>>>>>>>>>অপর দিকে হযরত আদম ( আ: ) আরজ করেন , হে বারী তা‘লা ! আপনী ইবলীস কে আমার সন্তান – সন্তাতির উপর ক্ষমতাবান করে দিয়েছেন । এখন আপনার তওপীক ও সাহায্য সহানুভূতি ছাড়া রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় নেই ।তদুত্তরে মহান আল্লা বলেন –হে আদম ! তোমার প্রতিটি সন্তানের সাথে ১ জন করে সংরক্ষক তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতা নিয়োজিত থাকবে । আদম ( আ: ) বললেন ইহা আল্লাহ ! আমার সন্তানদেরকে আরো অধিক সাহয্য করুন । তদুত্তরে আল্লাহ বলেন হে আদম ! যতক্ষণ আদম সন্তনের দেহে প্রাণ থাকবে , ততক্ষণ তাদের জন্য তওবার দরজা কোরা খাকবে । হযরত আদম ( আ: ) বললেন , আমাদেরকে আরো সাহয্য করুন । আল্লাহ বললেন ! আমি আদম সন্তানকে ক্ষমা করতে থাকবো তাঁরা যত গুনাহই করুক, কোন পরওয়া করবো না । তাঁরা ক্ষমা চাইলে আমি তাদের কে ক্ষমা করবো । ততপর: হযরত আদম ( আ: ) – এখন যথেষ্ট হয়েছে ।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায়

ইবলীসকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করার পর সে মহান আল্লাহ কে সম্বোধন করে যা বলেছিল !

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:১০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ আগস্ট ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:

 ইবলীসকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করার পর সে মহান আল্লাহ কে সম্বোধন করে বলেছিল – হে পরওয়ারদেগার ! আপনি আমাকে আদমের কারণে জান্নাত থেকে বহিস্কার করেছেন । আপনি যদি আমাকে ক্ষমতা দান না করেন তা হলে আমি তাঁর শক্রতা ও ক্ষতি সাধন করতে পারব না । তখন আল্লাহ তা‘লা তাকে বললেন , যা , আমি তোকে ক্ষমতা প্রদান করলাম । তুই তাদের ক্ষতি সাধন করার ক্ষমতা প্রাপ্ত হলে । তবে আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালাম মা‘সুম নিস্পাপ হওয়ার কারণে তুই তাদের কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবি না । তাহারা তোর থেকে মাহফুয , তাদের উপর তোর কোন কর্তৃত্ব নেই । ইবলীস বলল , আমাকে আরো অধিক ক্ষমতা দান করুন । আল্লাহ বললেন , যে , এক একজন আদম সন্তানের শক্রতার জন্য তোর দু‘ দুটি সন্তান জন্ম নিবে । তখন সে বলল-আমাকে আরো ক্ষমতা দিন । আল্লাহ বললেন , যা তাদের বক্ষদেশ তোর আবাসস্থল হবে এবং তাদের শিরায় শিরায় তোর চলার ক্ষমতা থাকবে । সে বলল , আমাকে আরো অধিক ক্ষমতা দিন । তখন আল্লাহ বললেন , যা , আদম সন্তানের বিরুদ্ধে তোর অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে মেতে উঠ । তোর সহযোগীদের সবাইকে নিয়ে তাদের ক্ষতি সাধনে মত্ত হয়ে যা , তাদেরকে ধন সম্পদ উপার্জনে ,জীবিকার্বাহে, হারাম উপায়ে যথা -ঋতুকালীন সময়ে স্ত্রীদের সাথে মিলনে , সন্তান-সন্ততিদের শিরকি নাম রাখা ব্যাপারে প্রতারিত কর ,অনুরুপ ভ্রান্ত ধর্ম ও ভ্রান্ত মতবাদে বিশ্বাসী করে গর্হিত কার্যকলাপ দ্বারা তাদেরকে পথভ্রষ্ট করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যা । যেমন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি প্রদান । তারা তোমাদের জন্য সুপারিশ করবে বলে মূর্তিপূজা ও শিরকের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যা । অথবা বাপ-দাদা বুযুর্গী দ্বারা নাজাত পেয়ে যাবে , অথবা দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকার আশা দিয়ে তওবা থেকে বিরত রাখা ইত্যাদি । তবে মনে রাখিস , যারা আমার খাঁটি বন্দা , যারা আমার হুকুম আহকাম পালন করবে , তাদের তুই কোন ক্ষতি করতে পারবি না । ( মনে রাখবি এ সব কিছুই মহান আল্লাহর পক্ষ হতে তার বান্দাদের সাবধানতার জন্য করা হয়েছে ) ।
>>>>>>>>>>>অপর দিকে হযরত আদম ( আ: ) আরজ করেন , হে বারী তা‘লা ! আপনী ইবলীস কে আমার সন্তান – সন্তাতির উপর ক্ষমতাবান করে দিয়েছেন । এখন আপনার তওপীক ও সাহায্য সহানুভূতি ছাড়া রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় নেই ।তদুত্তরে মহান আল্লা বলেন –হে আদম ! তোমার প্রতিটি সন্তানের সাথে ১ জন করে সংরক্ষক তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতা নিয়োজিত থাকবে । আদম ( আ: ) বললেন ইহা আল্লাহ ! আমার সন্তানদেরকে আরো অধিক সাহয্য করুন । তদুত্তরে আল্লাহ বলেন হে আদম ! যতক্ষণ আদম সন্তনের দেহে প্রাণ থাকবে , ততক্ষণ তাদের জন্য তওবার দরজা কোরা খাকবে । হযরত আদম ( আ: ) বললেন , আমাদেরকে আরো সাহয্য করুন । আল্লাহ বললেন ! আমি আদম সন্তানকে ক্ষমা করতে থাকবো তাঁরা যত গুনাহই করুক, কোন পরওয়া করবো না । তাঁরা ক্ষমা চাইলে আমি তাদের কে ক্ষমা করবো । ততপর: হযরত আদম ( আ: ) – এখন যথেষ্ট হয়েছে ।