শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

যে কারণে গোপনে ‘চালকহীন’ এক্স-৩৭বি পাঠানো হচ্ছে মহাকাশে !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:০৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৮১১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

রহস্যজনক চালকহীন মহাকাশ বিমান এক্স-৩৭বি অরবিটাল টেস্ট ভেহিক্যাল বা ওটিভি ফের মাহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনী। চলতি মাসের ৭ তারিখে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এই প্রথম বারের মতো ইলন মাস্কের স্পেস এক্স ফ্যালকন ৯ রকেট থেকে এটি মহাকাশে ছোঁড়া হবে বলে মার্কিন বিমান বাহিনী জানিয়েছে। এই নিয়ে পঞ্চম দফা মহাকাশ যাত্রা করবে এক্স-৩৭বি।

মহাকাশ যাত্রায় কি ধরণের পে লোড বা মালামাল বহন করে বা পৃথিবীর কক্ষে দীর্ঘ অবস্থানকালে এটি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায় তা সযত্নে গোপন রাখে আমেরিকা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা নাসা ১৯৯৯ সালে প্রথম এক্স-৩৭ তৈরি করেছিল। মহাকাশ খেয়া হিসেবে একে তৈরি করা হয়। প্রয়োজনে কক্ষপথে স্থাপন করা যাবে এবং কাজ শেষে পৃথিবীতে ফিরে আসবে অর্থাৎ বারবার ব্যবহারের উপযোগী করে মহাকাশ খেয়া হিসেবে একে বানানো হয়। ২০০৬ সালে নিজেদের ব্যবহার উপযোগী এক্স-৩৭বি তৈরির ঘোষণা করে মার্কিন বিমান বাহিনী। তখন থেকে এটি দিয়ে যেসব প্রকল্প বা মিশনের কাজ করা হয়েছে তার বেশিরভাগই গোপন রাখা হয়েছে। মহাকাশে অস্ত্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বা গোয়েন্দা উপগ্রহের কাজে একে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জল্পনা-কল্পনা চলছে।

এক্স-৩৭বি প্রথম পাঠানো হয়েছিল ২০১০ সালে। ২২৪ দিন কক্ষপথে অবস্থানের পর তা পৃথিবীতে ফিরে আসে। এরপর আরও তিন দফা এক্স-৩৭বিকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। কাজ শেষে তা ফিরেও এসেছে। প্রতিবারই ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ বিমান ঘাঁটিতে এটি অবতরণ করেছে। পঞ্চম দফা অর্থাৎ শেষবার এটি মহাকাশে টানা ৭১৮ দিন অর্থাৎ প্রায় দু’বছর অবস্থানের রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এরপর এক্স-৩৭বি গত মে মাসে আমেরিকায় ফিরে আসে। এটি সে সময়ে প্রথমবারের মতো অবতরণ করে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে। অবতরণের সময় এর সৃষ্ট ‘সনিক বুম’ নামে পরিচিত প্রচণ্ড শব্দে অনেকেই চমকে ওঠেন। এর আগে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, চালকহীন বিমানটি ২৯ ফুট লম্বা আর উচ্চতায় ৯.৫ ফুট। ওজন ৪ হাজার ৯শ’ ৮৯ কেজি।

খবর:কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

যে কারণে গোপনে ‘চালকহীন’ এক্স-৩৭বি পাঠানো হচ্ছে মহাকাশে !

আপডেট সময় : ১২:৪৬:০৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

রহস্যজনক চালকহীন মহাকাশ বিমান এক্স-৩৭বি অরবিটাল টেস্ট ভেহিক্যাল বা ওটিভি ফের মাহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনী। চলতি মাসের ৭ তারিখে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এই প্রথম বারের মতো ইলন মাস্কের স্পেস এক্স ফ্যালকন ৯ রকেট থেকে এটি মহাকাশে ছোঁড়া হবে বলে মার্কিন বিমান বাহিনী জানিয়েছে। এই নিয়ে পঞ্চম দফা মহাকাশ যাত্রা করবে এক্স-৩৭বি।

মহাকাশ যাত্রায় কি ধরণের পে লোড বা মালামাল বহন করে বা পৃথিবীর কক্ষে দীর্ঘ অবস্থানকালে এটি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায় তা সযত্নে গোপন রাখে আমেরিকা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা নাসা ১৯৯৯ সালে প্রথম এক্স-৩৭ তৈরি করেছিল। মহাকাশ খেয়া হিসেবে একে তৈরি করা হয়। প্রয়োজনে কক্ষপথে স্থাপন করা যাবে এবং কাজ শেষে পৃথিবীতে ফিরে আসবে অর্থাৎ বারবার ব্যবহারের উপযোগী করে মহাকাশ খেয়া হিসেবে একে বানানো হয়। ২০০৬ সালে নিজেদের ব্যবহার উপযোগী এক্স-৩৭বি তৈরির ঘোষণা করে মার্কিন বিমান বাহিনী। তখন থেকে এটি দিয়ে যেসব প্রকল্প বা মিশনের কাজ করা হয়েছে তার বেশিরভাগই গোপন রাখা হয়েছে। মহাকাশে অস্ত্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বা গোয়েন্দা উপগ্রহের কাজে একে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জল্পনা-কল্পনা চলছে।

এক্স-৩৭বি প্রথম পাঠানো হয়েছিল ২০১০ সালে। ২২৪ দিন কক্ষপথে অবস্থানের পর তা পৃথিবীতে ফিরে আসে। এরপর আরও তিন দফা এক্স-৩৭বিকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। কাজ শেষে তা ফিরেও এসেছে। প্রতিবারই ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ বিমান ঘাঁটিতে এটি অবতরণ করেছে। পঞ্চম দফা অর্থাৎ শেষবার এটি মহাকাশে টানা ৭১৮ দিন অর্থাৎ প্রায় দু’বছর অবস্থানের রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এরপর এক্স-৩৭বি গত মে মাসে আমেরিকায় ফিরে আসে। এটি সে সময়ে প্রথমবারের মতো অবতরণ করে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে। অবতরণের সময় এর সৃষ্ট ‘সনিক বুম’ নামে পরিচিত প্রচণ্ড শব্দে অনেকেই চমকে ওঠেন। এর আগে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, চালকহীন বিমানটি ২৯ ফুট লম্বা আর উচ্চতায় ৯.৫ ফুট। ওজন ৪ হাজার ৯শ’ ৮৯ কেজি।

খবর:কলকাতা টুয়েন্টিফোর।