সোমবার | ১ ডিসেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা, বীরগঞ্জ উপজেলায় অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ Logo চাঁদপুরে যোগদানের প্রথম দিনেই সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় Logo সদরপুরে গার্ডিয়ান এর এরিয়া অফিস উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে ১০ লাখ টাকার মৃত্যু দাবী চেক বিতরণ। Logo ৪৫তম বিসিএস-এ ক্যাডার বুটেক্সের ১৩ শিক্ষার্থী Logo হাবিপ্রবিতে মশার উপদ্রবে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা, ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের Logo জবিস্থ চুয়াডাঙ্গা ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে সজিব ও তরিকুল Logo মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন : ডা. জাহিদ Logo কচুয়ায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা এনায়েত হাসিব Logo কচুয়ায় ইউএনও হেলাল চৌধুরীর বিদায় সংবর্ধনা Logo জীবননগর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা সভাপতি রিংকু, সম্পাদক ফরহাদ

বিয়ের আসরে এল না কনে, ক্ষতিপূরণ দাবি বরের !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৪৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ জুলাই ২০১৭
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ক্ষতিপূরণ, ছোট্ট এই শব্দটার মাহাত্ম্য অনেক। আবার এই শব্দটাই একটা আস্ত গল্প তৈরি করে দিতে পারে। গল্পটা মুম্বাইয়ের। দু’মাস ধরে বিয়ের প্রস্তুতি চলেছিল জোরকদমে। দু’পক্ষই তৈরি বিয়ের জন্য। অবশেষে সেই কাঙ্খিত দিন। বিয়ের আসরে পৌঁছাল বর, বসল বিয়ে করতে। এই পর্যন্ত সব ঠিকঠাক, আর পাঁচটা বিয়ের মতোই। জল গড়াল অন্য খাতে, একটু পরে।

সময় যতই এগোল, দেখা গেল কনের কোনও পাত্তা নেই। কনে যে আসবে না, তা ততক্ষণে বুঝে গেছেন বিয়ের আসরে উপস্থিত পাত্র, বরপক্ষের বাকি লোকজন ও অন্যান্য অতিথিরা। বিয়ে ভন্ডুল,কোনওরকম ঝামেলা, ঝঞ্ঝাটে যাননি পাত্র শ্রীকান্ত কুম্বলে। সোজা বিয়ের মন্ডপ থেকে উঠে চলে যান থানায়।

কনে পূজা ভান্ডারির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগে পরিষ্কার উল্লেখ করেন তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। গত দু’মাস ধরে তিনি ও তাঁর পরিবার বিয়ের প্রস্তুতিতে দুই লাখ টাকা খরচ করেছেন। সেই টাকা ফেরত দিতে হবে পাত্রীর পরিবারকে।

কালাচৌকি থানায় দায়ের করা অভিযোগে শ্রীকান্ত আরও বলেন, তাঁরা মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত। পূজার বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তির আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বিয়ের আসরে পূজার না আসা পরিকল্পিত ছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন শ্রীকান্ত। তাই যে টাকা তাঁর পরিবার বিয়ের জন্য খরচ করেছিল, সেই টাকার পুরোটাই ফেরত চেয়েছেন তিনি।

কুম্বলের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ। পূজার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তদন্তকারীরা। খুব তাড়াতাড়ি পূজাকে গ্রেফতার করা হবে বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এন অম্বিকা। পূজার তাঁকে কখনওই বিয়ে করতে চাননি বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কুম্বলে।

পরে কালাচৌকি থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন পূজা। সাফাই দিয়েছেন নিজের কৃতকর্মের। বিয়েতে তাঁর কোনওদিনই মত ছিল না বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন তিনিও। কার্যত তাঁর মতের বিরুদ্ধে বাড়ির লোকজন তাঁর বিয়ে ঠিক করেছিল বলে স্বীকারোক্তি পূজার। তাই বিয়ের দিন নিজের প্রেমিকের সঙ্গে তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন যুবতী। এরপর পুলিশ কী করবে, সেটা সময় বলবে। আলোচনা করে সমস্যার সমাধানও হয়ে যাবে। তবে বিয়েটাই এ যাত্রায় হল না পাত্র কুম্বলের।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা, বীরগঞ্জ উপজেলায় অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ

বিয়ের আসরে এল না কনে, ক্ষতিপূরণ দাবি বরের !

আপডেট সময় : ০২:০২:৪৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ক্ষতিপূরণ, ছোট্ট এই শব্দটার মাহাত্ম্য অনেক। আবার এই শব্দটাই একটা আস্ত গল্প তৈরি করে দিতে পারে। গল্পটা মুম্বাইয়ের। দু’মাস ধরে বিয়ের প্রস্তুতি চলেছিল জোরকদমে। দু’পক্ষই তৈরি বিয়ের জন্য। অবশেষে সেই কাঙ্খিত দিন। বিয়ের আসরে পৌঁছাল বর, বসল বিয়ে করতে। এই পর্যন্ত সব ঠিকঠাক, আর পাঁচটা বিয়ের মতোই। জল গড়াল অন্য খাতে, একটু পরে।

সময় যতই এগোল, দেখা গেল কনের কোনও পাত্তা নেই। কনে যে আসবে না, তা ততক্ষণে বুঝে গেছেন বিয়ের আসরে উপস্থিত পাত্র, বরপক্ষের বাকি লোকজন ও অন্যান্য অতিথিরা। বিয়ে ভন্ডুল,কোনওরকম ঝামেলা, ঝঞ্ঝাটে যাননি পাত্র শ্রীকান্ত কুম্বলে। সোজা বিয়ের মন্ডপ থেকে উঠে চলে যান থানায়।

কনে পূজা ভান্ডারির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগে পরিষ্কার উল্লেখ করেন তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। গত দু’মাস ধরে তিনি ও তাঁর পরিবার বিয়ের প্রস্তুতিতে দুই লাখ টাকা খরচ করেছেন। সেই টাকা ফেরত দিতে হবে পাত্রীর পরিবারকে।

কালাচৌকি থানায় দায়ের করা অভিযোগে শ্রীকান্ত আরও বলেন, তাঁরা মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত। পূজার বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তির আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বিয়ের আসরে পূজার না আসা পরিকল্পিত ছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন শ্রীকান্ত। তাই যে টাকা তাঁর পরিবার বিয়ের জন্য খরচ করেছিল, সেই টাকার পুরোটাই ফেরত চেয়েছেন তিনি।

কুম্বলের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ। পূজার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তদন্তকারীরা। খুব তাড়াতাড়ি পূজাকে গ্রেফতার করা হবে বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এন অম্বিকা। পূজার তাঁকে কখনওই বিয়ে করতে চাননি বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কুম্বলে।

পরে কালাচৌকি থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন পূজা। সাফাই দিয়েছেন নিজের কৃতকর্মের। বিয়েতে তাঁর কোনওদিনই মত ছিল না বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন তিনিও। কার্যত তাঁর মতের বিরুদ্ধে বাড়ির লোকজন তাঁর বিয়ে ঠিক করেছিল বলে স্বীকারোক্তি পূজার। তাই বিয়ের দিন নিজের প্রেমিকের সঙ্গে তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন যুবতী। এরপর পুলিশ কী করবে, সেটা সময় বলবে। আলোচনা করে সমস্যার সমাধানও হয়ে যাবে। তবে বিয়েটাই এ যাত্রায় হল না পাত্র কুম্বলের।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন