রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা, বীরগঞ্জ উপজেলায় অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ Logo চাঁদপুরে যোগদানের প্রথম দিনেই সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় Logo সদরপুরে গার্ডিয়ান এর এরিয়া অফিস উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে ১০ লাখ টাকার মৃত্যু দাবী চেক বিতরণ। Logo ৪৫তম বিসিএস-এ ক্যাডার বুটেক্সের ১৩ শিক্ষার্থী Logo হাবিপ্রবিতে মশার উপদ্রবে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা, ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের Logo জবিস্থ চুয়াডাঙ্গা ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে সজিব ও তরিকুল Logo মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন : ডা. জাহিদ Logo কচুয়ায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা এনায়েত হাসিব Logo কচুয়ায় ইউএনও হেলাল চৌধুরীর বিদায় সংবর্ধনা Logo জীবননগর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা সভাপতি রিংকু, সম্পাদক ফরহাদ

ভবিষ্যতের মিস ইউনিভার্স হতে পারেন এই ‘আঁচিল সুন্দরী’ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৫৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭
  • ৭৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ভবিষ্যতের মিস ইউনিভার্স হতে পারে আঁচিলে ভার এক সুন্দরী! ভাবছেন এটাও কি সম্ভব। তার পুরো শরীরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আঁচিল। সবার চোখে সৌন্দর্যহানিকর হলেও লোমযুক্ত এসব আঁচিল তার জন্মদাগ। সেই ছোটকাল থেকে নানা বিদ্রূপ আর কটু কথার শিকার হয়েছেন অসংখ্যবার। আজকের ২০ বছর বয়সী এভিটা প্যাটসে এজার ডেলমুন্ডো কিন্তু তার দেহজুড়ে থাকা আঁচিলের মাঝেই সৌন্দর্য খুঁজেছেন। শুধু তাই নয়, তিনিই হতে পারেন ভবিষ্যতের মিস ইউনিভার্স!
স্কুলে থাকতেই সহপাঠীরা তাকে প্রায়ই দানব বলে ডাকতো। অনেকেই আবার ‘চকোলেট কুকি’ বলতো আঁচিলগুলোকে। গাঢ় বাদামী আঁচিলগুলোতে লোমের বিস্তার। এভিটা মালয়েশিয়ায় মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি ক্যাফেতে পার্ট-টাইম চাকরি করেন। এখন তার সৌন্দর্যকে ভিন্নমাত্রায় নিয়ে যাওয়ার পেছনে আঁচিলের উপস্থিতিকেই কারণ হিসাবে দেখছেন অনেকেই। যারা তাকে চেনেন, সবাই পরামর্শ দিচ্ছেন মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় নাম লেখাতে।

স্মৃতিচারণ করে এ বিষয়ে এভিটা বলেন, প্রাইমারিতে পড়ার সময় কেউ আমার বন্ধু হতে চাইতো না। মনে আছে, এক দিন শিক্ষক দুটো মেয়েকে বলেছিলেন মাঝে মাঝে আমাকে সময় দিতে। ওরা ফিসফিস করে বলতো, যেন রাজকুমারী এসেছে। কেন তার সঙ্গে আমাদের থাকতে হবে? আসলে আমি ছিলাম একাকী এক মেয়ে।

এলি ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ১৬ বছর বয়সে নিজের এই অবস্থাকে মেনে নিতে শিখেছি। এক চার্চের ক্যাম্পিংয়ে অংশ নেওয়ার পরই নিজের সম্পর্কে বাজে ধারণা বদলে যায় তার। এক সময় এই আঁচিলগুলো সার্জারি করে সরানোর চিন্তা থাকলেও তা বাদ দিয়েছি। অন্য পথে এসেছে আত্মবিশ্বাস। আমি যেমনটা দেখতে, তাই আমার পরিচয়। এটাকে মেনে নিতে শিখেছি।

গত ১৭ জুন তিনি ঠিকই মিস ইউনিভার্স মালয়েশিয়ার অডিশনে দাঁড়িয়েছিলেন। পরের পর্বের জন্য টিকে যান কিনা তাই দেখার বিষয়। কিন্তু যদি না টেকেন, তার জন্য এভিটার আত্মবিশ্বাসে এতটুকু চিড় ধরবে না। ভবিষ্যতে অন্যান্য সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় ঠিকই নাম লেখাবেন। কারণ, সুযোগ কোথাও না কোথাও ঠিকই আছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা, বীরগঞ্জ উপজেলায় অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ

ভবিষ্যতের মিস ইউনিভার্স হতে পারেন এই ‘আঁচিল সুন্দরী’ !

আপডেট সময় : ০২:০২:৫৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ভবিষ্যতের মিস ইউনিভার্স হতে পারে আঁচিলে ভার এক সুন্দরী! ভাবছেন এটাও কি সম্ভব। তার পুরো শরীরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আঁচিল। সবার চোখে সৌন্দর্যহানিকর হলেও লোমযুক্ত এসব আঁচিল তার জন্মদাগ। সেই ছোটকাল থেকে নানা বিদ্রূপ আর কটু কথার শিকার হয়েছেন অসংখ্যবার। আজকের ২০ বছর বয়সী এভিটা প্যাটসে এজার ডেলমুন্ডো কিন্তু তার দেহজুড়ে থাকা আঁচিলের মাঝেই সৌন্দর্য খুঁজেছেন। শুধু তাই নয়, তিনিই হতে পারেন ভবিষ্যতের মিস ইউনিভার্স!
স্কুলে থাকতেই সহপাঠীরা তাকে প্রায়ই দানব বলে ডাকতো। অনেকেই আবার ‘চকোলেট কুকি’ বলতো আঁচিলগুলোকে। গাঢ় বাদামী আঁচিলগুলোতে লোমের বিস্তার। এভিটা মালয়েশিয়ায় মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি ক্যাফেতে পার্ট-টাইম চাকরি করেন। এখন তার সৌন্দর্যকে ভিন্নমাত্রায় নিয়ে যাওয়ার পেছনে আঁচিলের উপস্থিতিকেই কারণ হিসাবে দেখছেন অনেকেই। যারা তাকে চেনেন, সবাই পরামর্শ দিচ্ছেন মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় নাম লেখাতে।

স্মৃতিচারণ করে এ বিষয়ে এভিটা বলেন, প্রাইমারিতে পড়ার সময় কেউ আমার বন্ধু হতে চাইতো না। মনে আছে, এক দিন শিক্ষক দুটো মেয়েকে বলেছিলেন মাঝে মাঝে আমাকে সময় দিতে। ওরা ফিসফিস করে বলতো, যেন রাজকুমারী এসেছে। কেন তার সঙ্গে আমাদের থাকতে হবে? আসলে আমি ছিলাম একাকী এক মেয়ে।

এলি ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ১৬ বছর বয়সে নিজের এই অবস্থাকে মেনে নিতে শিখেছি। এক চার্চের ক্যাম্পিংয়ে অংশ নেওয়ার পরই নিজের সম্পর্কে বাজে ধারণা বদলে যায় তার। এক সময় এই আঁচিলগুলো সার্জারি করে সরানোর চিন্তা থাকলেও তা বাদ দিয়েছি। অন্য পথে এসেছে আত্মবিশ্বাস। আমি যেমনটা দেখতে, তাই আমার পরিচয়। এটাকে মেনে নিতে শিখেছি।

গত ১৭ জুন তিনি ঠিকই মিস ইউনিভার্স মালয়েশিয়ার অডিশনে দাঁড়িয়েছিলেন। পরের পর্বের জন্য টিকে যান কিনা তাই দেখার বিষয়। কিন্তু যদি না টেকেন, তার জন্য এভিটার আত্মবিশ্বাসে এতটুকু চিড় ধরবে না। ভবিষ্যতে অন্যান্য সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় ঠিকই নাম লেখাবেন। কারণ, সুযোগ কোথাও না কোথাও ঠিকই আছে।