মঙ্গলবার | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা। Logo আইনের ফাঁদে দুই প্রতিষ্ঠান: চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, অর্ধ লক্ষাধিক টাকার মাদক ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় Logo গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা Logo শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি Logo পলাশবাড়ীতে ধানের শীর্ষের পক্ষে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল  Logo ঝালকাঠিতে ৬লিটার চোলাই মদ সহ নাসির ডিবির হাতে আটক  Logo পলাশবাড়ীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ৪, অবরুদ্ধ ৯ পরিবার

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ৪-৫ দিন লাগবে: প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:১৩:২৩ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০১৭
  • ৭৭৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

আশুগঞ্জের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ভেঙে পড়ায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুতের সংকট দেখা দিয়েছে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তিনি বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে। তবে সঞ্চালন লাইন মেরামত করতে ৬-৭ মাস লাগবে বলেও জানান তিনি।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা যে প্রবণতায়, বলবো না খুব ভালো অবস্থায় আছি। ভালো অবস্থায় যেতে আরও তিন‍ বছর লাগবে। ট্রান্সমিশনে এখন ঘাটতি রয়ে গেছে, কাজ চলছে। চায়না সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ পাওয়ার কথা তা অন প্রসেসিং। এজন্য কাজ শুরু করতে হবে। ।

রমজান মাসে বিদ্যুতের কোনো সংকট হবে কিনা’- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি বলতে পারি একটা ভালো পরিস্থিতির দিকে যাবে। সংকট তো থাকবেই, এখনও আছে। ভালো পরিস্থিতি বলতে আগের থেকে ভালো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃহৎ প্রকল্পগুলো এখনও আসেনি। আমি মনে করি, দেশবাসী, গ্রাহক বিষয়টা বুঝতে চেষ্টা করবেন। নসরুল হামিদ বলেন, আমরা দেখছি ক্যাপাসিটি বেড়ে যাচ্ছে, একবার বৃষ্টি হলে চার হাজার মেগাওয়টে নেমে যাচ্ছে, গরম পড়লে ১২ হাজার। বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্যাটার্ন পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। গরমে এসি ছাড়ছি, বৃষ্টিতে ঠান্ডা পড়ায় এসি বন্ধ করছি। এখনও ব্যবসায়ী লাইনগুলো ওরকমভাবে বিদ্যুৎ দিচ্ছে না। যদি ধরে নেই যে ক্যাপটিভ পাওয়ারের প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চালু রাখছে, তাহলেও আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়ে যাবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ 

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ৪-৫ দিন লাগবে: প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

আপডেট সময় : ১১:১৩:২৩ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

আশুগঞ্জের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ভেঙে পড়ায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুতের সংকট দেখা দিয়েছে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তিনি বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে। তবে সঞ্চালন লাইন মেরামত করতে ৬-৭ মাস লাগবে বলেও জানান তিনি।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা যে প্রবণতায়, বলবো না খুব ভালো অবস্থায় আছি। ভালো অবস্থায় যেতে আরও তিন‍ বছর লাগবে। ট্রান্সমিশনে এখন ঘাটতি রয়ে গেছে, কাজ চলছে। চায়না সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ পাওয়ার কথা তা অন প্রসেসিং। এজন্য কাজ শুরু করতে হবে। ।

রমজান মাসে বিদ্যুতের কোনো সংকট হবে কিনা’- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি বলতে পারি একটা ভালো পরিস্থিতির দিকে যাবে। সংকট তো থাকবেই, এখনও আছে। ভালো পরিস্থিতি বলতে আগের থেকে ভালো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃহৎ প্রকল্পগুলো এখনও আসেনি। আমি মনে করি, দেশবাসী, গ্রাহক বিষয়টা বুঝতে চেষ্টা করবেন। নসরুল হামিদ বলেন, আমরা দেখছি ক্যাপাসিটি বেড়ে যাচ্ছে, একবার বৃষ্টি হলে চার হাজার মেগাওয়টে নেমে যাচ্ছে, গরম পড়লে ১২ হাজার। বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্যাটার্ন পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। গরমে এসি ছাড়ছি, বৃষ্টিতে ঠান্ডা পড়ায় এসি বন্ধ করছি। এখনও ব্যবসায়ী লাইনগুলো ওরকমভাবে বিদ্যুৎ দিচ্ছে না। যদি ধরে নেই যে ক্যাপটিভ পাওয়ারের প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চালু রাখছে, তাহলেও আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়ে যাবে।