শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন Logo কয়রায় ঝড়ে নৌকাডুবি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত; নিখোঁজ দুই জেলের খোঁজ মেলেনি Logo চাঁদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রাফির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে অশ্রুসিক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮১৭ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া :
হাসি-খুশি মুখ, স্বপ্নভরা চোখ আর অগণিত আশা নিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন তিনি। পরিবারের হাল ধরবেন, চাকরি করবেন, সমাজের উপকারে আসবেন—এমনই স্বপ্ন ছিল সাইদুজ্জামান রাফির। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর ছোবলে সবকিছু থেমে যায় এক মুহূর্তেই। গত বছরের ১৮ই সেপ্টেম্বর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে যায় কচুয়ার তরুণ এই প্রাণ।
তার চলে যাওয়ার এক বছর পরও যেন কিছুই মানতে পারছে না পরিবার। শুক্রবার দুপুরে  কচুয়ার চাঁংপুর গ্রামে রাফির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, এলাকাবাসীসহ অসংখ্য মানুষ জড়ো হন।
বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পুত্র রাফি ছিলেন পরিবারের গর্ব ও আশা। কর্মজীবনে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েই চলে যেতে হয়েছিল তাকে। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন পরিবারের আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসী ও অসংখ্য মুসল্লি।
মিলাদ পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস খান এবং দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল কাশেম ভূঁইয়া। চোখের জলে ভিজে ওঠে উপস্থিত সকলের মন। দোয়া শেষে রাফির কবর জিয়ারত করেন পরিবারের সদস্যরা।রাফির মা ও বাবা এখনো প্রতিদিন ছেলের কবরে গিয়ে অশ্রু ঝরান।
এলাকাবাসীর ভাষায়—“রাফি ছিল সবার প্রিয়। হাসিমুখে সবার সাথে মিশে যেত। তার মতো সন্তান সমাজে বিরল। আজও মনে হয় সে আমাদের মাঝেই আছে।
রাফির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর এ দোয়া মাহফিল পরিণত হয়েছিল ভালোবাসা, স্মৃতি আর কান্নায় ভরা এক আবেগঘন সমাবেশে। প্রিয় ছেলেকে হারানোর বেদনা বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের বুক চিরে কাঁটার মতো বিঁধে রয়েছে এখনও। উপস্থিত সবার একটাই প্রার্থনা—আল্লাহ যেন রাফিকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে স্থান দান করেন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রাফির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে অশ্রুসিক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া :
হাসি-খুশি মুখ, স্বপ্নভরা চোখ আর অগণিত আশা নিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন তিনি। পরিবারের হাল ধরবেন, চাকরি করবেন, সমাজের উপকারে আসবেন—এমনই স্বপ্ন ছিল সাইদুজ্জামান রাফির। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর ছোবলে সবকিছু থেমে যায় এক মুহূর্তেই। গত বছরের ১৮ই সেপ্টেম্বর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে যায় কচুয়ার তরুণ এই প্রাণ।
তার চলে যাওয়ার এক বছর পরও যেন কিছুই মানতে পারছে না পরিবার। শুক্রবার দুপুরে  কচুয়ার চাঁংপুর গ্রামে রাফির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, এলাকাবাসীসহ অসংখ্য মানুষ জড়ো হন।
বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পুত্র রাফি ছিলেন পরিবারের গর্ব ও আশা। কর্মজীবনে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েই চলে যেতে হয়েছিল তাকে। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন পরিবারের আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসী ও অসংখ্য মুসল্লি।
মিলাদ পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস খান এবং দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল কাশেম ভূঁইয়া। চোখের জলে ভিজে ওঠে উপস্থিত সকলের মন। দোয়া শেষে রাফির কবর জিয়ারত করেন পরিবারের সদস্যরা।রাফির মা ও বাবা এখনো প্রতিদিন ছেলের কবরে গিয়ে অশ্রু ঝরান।
এলাকাবাসীর ভাষায়—“রাফি ছিল সবার প্রিয়। হাসিমুখে সবার সাথে মিশে যেত। তার মতো সন্তান সমাজে বিরল। আজও মনে হয় সে আমাদের মাঝেই আছে।
রাফির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর এ দোয়া মাহফিল পরিণত হয়েছিল ভালোবাসা, স্মৃতি আর কান্নায় ভরা এক আবেগঘন সমাবেশে। প্রিয় ছেলেকে হারানোর বেদনা বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের বুক চিরে কাঁটার মতো বিঁধে রয়েছে এখনও। উপস্থিত সবার একটাই প্রার্থনা—আল্লাহ যেন রাফিকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে স্থান দান করেন।