মঙ্গলবার | ৩১ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ‘শাউয়া-মাউয়া-কাউয়া’: প্রতিরোধের রাজনীতি ও ভাষার বিবর্তন Logo সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকট একটি গুরুতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ Logo রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত Logo সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন খুবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী Logo খুবির বাংলা ডিসিপ্লিনের জার্নাল ‘সাহিত্যসন্দর্ভ’ এর ষষ্ঠ সংখ্যা প্রকাশ Logo বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় Logo সুন্দরবনে ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু, প্রস্তুত মৌয়ালরা—তবে ডাকাত আতঙ্কে অনিশ্চয়তা Logo বীরগঞ্জে দুই সিনটা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী আটক Logo বীরগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ী হতে জ্বালানি তেল উদ্ধার Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলীর যোগদান

পলাশবাড়ী চৌমাথায় সৌন্দর্যহীন ফাঁকা জায়গা, নান্দনিক উন্নয়নের দাবি স্থানীয়দের

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:৪৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে
বায়েজিদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
গাইনান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা চৌমাথা। প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচল থাকলেও এখানেই রয়েছে দীর্ঘদিনের এক অবহেলিত চিত্র। চৌমাথায় অবস্থিত পাবলিক টয়লেটের পশ্চিম পার্শ্বে থাকা ফাঁকা জায়গাটি বছরের পর বছর ধরে কোনো পরিকল্পনা বা ব্যবহারের বাইরে পড়ে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পৌর শহরের কেন্দ্রস্থলে এমন একটি উন্মুক্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও তা সৌন্দর্যবর্ধন বা জনসেবামূলক কাজে ব্যবহার না হওয়ায় পরিবেশ যেমন নান্দনিকতা হারাচ্ছে, তেমনি শহরের সামগ্রিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকের মতে, এ স্থানটি অপরিকল্পিতভাবে পড়ে থাকায় ময়লা-আবর্জনা জমে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কাও বাড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সামান্য পরিকল্পনা ও আন্তরিক উদ্যোগ নিলেই জায়গাটি চৌমাথার দৃশ্যমান সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। সেখানে পরিকল্পিত সবুজায়ন, ফুলের বাগান, বসার বেঞ্চ, পথচারীদের জন্য বিশ্রাম কর্নার, দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা কিংবা আধুনিক
 আলোকসজ্জা স্থাপন করা হলে পুরো এলাকা হয়ে উঠবে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সৌন্দর্যবর্ধন করা হলে ক্রেতা ও পথচারীদের উপস্থিতি বাড়বে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জা থাকলে নিরাপত্তাও বাড়বে বলে মত দেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত পলাশবাড়ী পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ ফাঁকা জায়গাটিকে কার্যকর ও নান্দনিকভাবে ব্যবহার করা জরুরি। তাদের প্রত্যাশা, পৌরসভা শিগগিরই উদ্যোগ নিয়ে চৌমাথার এ অবহেলিত স্থানকে আধুনিক এবং সাধারণ মানুষের জন্য মনোরম ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘শাউয়া-মাউয়া-কাউয়া’: প্রতিরোধের রাজনীতি ও ভাষার বিবর্তন

পলাশবাড়ী চৌমাথায় সৌন্দর্যহীন ফাঁকা জায়গা, নান্দনিক উন্নয়নের দাবি স্থানীয়দের

আপডেট সময় : ০৫:০৫:৪৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
বায়েজিদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
গাইনান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা চৌমাথা। প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচল থাকলেও এখানেই রয়েছে দীর্ঘদিনের এক অবহেলিত চিত্র। চৌমাথায় অবস্থিত পাবলিক টয়লেটের পশ্চিম পার্শ্বে থাকা ফাঁকা জায়গাটি বছরের পর বছর ধরে কোনো পরিকল্পনা বা ব্যবহারের বাইরে পড়ে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পৌর শহরের কেন্দ্রস্থলে এমন একটি উন্মুক্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও তা সৌন্দর্যবর্ধন বা জনসেবামূলক কাজে ব্যবহার না হওয়ায় পরিবেশ যেমন নান্দনিকতা হারাচ্ছে, তেমনি শহরের সামগ্রিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকের মতে, এ স্থানটি অপরিকল্পিতভাবে পড়ে থাকায় ময়লা-আবর্জনা জমে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কাও বাড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সামান্য পরিকল্পনা ও আন্তরিক উদ্যোগ নিলেই জায়গাটি চৌমাথার দৃশ্যমান সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। সেখানে পরিকল্পিত সবুজায়ন, ফুলের বাগান, বসার বেঞ্চ, পথচারীদের জন্য বিশ্রাম কর্নার, দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা কিংবা আধুনিক
 আলোকসজ্জা স্থাপন করা হলে পুরো এলাকা হয়ে উঠবে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সৌন্দর্যবর্ধন করা হলে ক্রেতা ও পথচারীদের উপস্থিতি বাড়বে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জা থাকলে নিরাপত্তাও বাড়বে বলে মত দেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত পলাশবাড়ী পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ ফাঁকা জায়গাটিকে কার্যকর ও নান্দনিকভাবে ব্যবহার করা জরুরি। তাদের প্রত্যাশা, পৌরসভা শিগগিরই উদ্যোগ নিয়ে চৌমাথার এ অবহেলিত স্থানকে আধুনিক এবং সাধারণ মানুষের জন্য মনোরম ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ সৃষ্টি করবে।