শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন Logo কয়রায় ঝড়ে নৌকাডুবি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত; নিখোঁজ দুই জেলের খোঁজ মেলেনি Logo চাঁদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

পবনাপুরের মরণ ফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে মানুষ ও যানবাহন।

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:০০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১১ আগস্ট ২০২৫
  • ৭৯৫ বার পড়া হয়েছে

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 154.99768; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

 

বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ৭ নং পবনাপুর ইউনিয়নে কালারঘাট নামক স্থানটি যেনও দিন দিন মরণ ফাঁদ হয়ে উঠছে। ঘটে যেতে পারে যেকোনো ধরনের বড় দুর্ঘটনা। দৃষ্টি নেই কোন কর্তৃপক্ষের। অথচ দিনে রাতে হাজারো মানুষের ও ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা, অটো রিক্সা, ভ্যান, সিএনজি, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেলের চলাচল এই রাস্তা দিয়ে। পলাশবাড়ীর আমলাগাছী ও ফকিরহাটের ব্যস্ততম রাস্তা এটি। পলাশবাড়ী হয়ে আমলাগাছী, ফকিরহাট থেকে তুলসিঘাট হয়ে গাইবান্ধার যাওয়ার অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। এই সংযোগ স্থানের এপার ওপার রয়েছে কয়েকটি বড় স্কুল ও কলেজ, রয়েছে দুটি বড়বাজার,। প্রতিদিনই এই রাস্তা দিয়ে হাজারো মানুষের চলাচল। চলাচলের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা মোটরবাইক ও ভ্যান। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাটি বিপদজনক অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কেউ যেন দেখেও দেখেনা। বিশেষ করে রাতের বেলা আমলাগাছী বাজার থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের অনেক দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছে। রাস্তায় নেই কোন ল্যাম্পোস্টের আলো। মোবাইল ফোনের আলো চলাচল করতে হয় এই বিপদজনক জায়গাটুকু। সামনে রয়েছে গোপীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফুটানি বাজার নাম বাজার।
হাজী আব্দুল হালিম নামে এক পথচারী বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ও আগে থেকেই ক্ষত থাকায় রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে। চলাচল করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। রাতের বেলা অনেকে গর্তে পড়েও যায়। তারপরও কেউ সারাতে আসে না।
রিপন সরকার নামে এক পথচারী বলেন, আমি প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করি। গোবিন্দগঞ্জে কাজ করার সুবাদে অনেক রাত করে ফিরতে হয় আমাকে। মাঝে মাঝে আমি বড় ধরনের ধাক্কা খায়। একদিন কোমরে ব্যথাও পেয়ে গায়ে জ্বর চলে এসেছিল।
এলাকাবাসী আবেদন যাতে খুব দ্রুত এই ভাঙ্গা রাস্তার কাজ করানো হয়। তাহলেই আমাদের দুর্ভোগ কমবে না হলে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন

পবনাপুরের মরণ ফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে মানুষ ও যানবাহন।

আপডেট সময় : ০৭:৩২:০০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১১ আগস্ট ২০২৫

 

বায়েজিদ, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ৭ নং পবনাপুর ইউনিয়নে কালারঘাট নামক স্থানটি যেনও দিন দিন মরণ ফাঁদ হয়ে উঠছে। ঘটে যেতে পারে যেকোনো ধরনের বড় দুর্ঘটনা। দৃষ্টি নেই কোন কর্তৃপক্ষের। অথচ দিনে রাতে হাজারো মানুষের ও ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা, অটো রিক্সা, ভ্যান, সিএনজি, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেলের চলাচল এই রাস্তা দিয়ে। পলাশবাড়ীর আমলাগাছী ও ফকিরহাটের ব্যস্ততম রাস্তা এটি। পলাশবাড়ী হয়ে আমলাগাছী, ফকিরহাট থেকে তুলসিঘাট হয়ে গাইবান্ধার যাওয়ার অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। এই সংযোগ স্থানের এপার ওপার রয়েছে কয়েকটি বড় স্কুল ও কলেজ, রয়েছে দুটি বড়বাজার,। প্রতিদিনই এই রাস্তা দিয়ে হাজারো মানুষের চলাচল। চলাচলের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা মোটরবাইক ও ভ্যান। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাটি বিপদজনক অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কেউ যেন দেখেও দেখেনা। বিশেষ করে রাতের বেলা আমলাগাছী বাজার থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের অনেক দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছে। রাস্তায় নেই কোন ল্যাম্পোস্টের আলো। মোবাইল ফোনের আলো চলাচল করতে হয় এই বিপদজনক জায়গাটুকু। সামনে রয়েছে গোপীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফুটানি বাজার নাম বাজার।
হাজী আব্দুল হালিম নামে এক পথচারী বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ও আগে থেকেই ক্ষত থাকায় রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে। চলাচল করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। রাতের বেলা অনেকে গর্তে পড়েও যায়। তারপরও কেউ সারাতে আসে না।
রিপন সরকার নামে এক পথচারী বলেন, আমি প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করি। গোবিন্দগঞ্জে কাজ করার সুবাদে অনেক রাত করে ফিরতে হয় আমাকে। মাঝে মাঝে আমি বড় ধরনের ধাক্কা খায়। একদিন কোমরে ব্যথাও পেয়ে গায়ে জ্বর চলে এসেছিল।
এলাকাবাসী আবেদন যাতে খুব দ্রুত এই ভাঙ্গা রাস্তার কাজ করানো হয়। তাহলেই আমাদের দুর্ভোগ কমবে না হলে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।