শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন Logo কয়রায় ঝড়ে নৌকাডুবি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত; নিখোঁজ দুই জেলের খোঁজ মেলেনি Logo চাঁদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

ভিত্তিহীন অপহরন ও ধর্ষণ মামলা দায়ের হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:১৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১০ আগস্ট ২০২৫
  • ৮৩৯ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুর প্রতিনিধি- ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অপহরন ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করায় এবং অবিচার, জুলুম ও হয়রানীর ন্যায্য তদন্তের ভিত্তিতে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার ১০ আগস্ট সকাল ১১ টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন ঠাকুরগাঁও সদরের বহুভাষী গ্রামের মোহাম্মদ মিমনূর। এ সময় তার বন্ধু রিফাত হোসেন, বন্ধু লিমন, তৃষা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২৩ সালে ডিসেম্বরে এক মেয়ের সাথে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মেয়ে তার মোবাইল নম্বর জোগাড় করে একাধিকবার যোগাযোগ করে এবং প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পরবর্তীতে মেয়ের বড় বোন আফরিন ও তার পরিবার মিমনূরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে ধাবিত করতে থাকে। কিন্তু বারবার ফোনে যোগাযোগ করে এবং এক পর্যায়ে আত্মহত্যার ভয় দেখায়। পরবর্তীতে মেয়ে বিষপান করে। এমন অবস্থা দেখে উভয়ের সম্মতিতে ছেলে ও মেয়ে দিনাজপুর কোর্টে এসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তবে বিবাহর বিষয়ে পরিবারের কেউ জানতো না, শুধুমাত্র মেয়ের মা অবগত ছিলেন।

চলতি বছরের মার্চ মাসে মেয়ে ছেলের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। এ সময় মেয়ের মায়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কিছুদিনের মধ্যে যোগাযোগ করবে বলে আশ্বস্ত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মিমনূর অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে আমি তাদের বাড়িতে গিয়ে আমাদের বিয়ের বিষয়ে অবগত করি এবং তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করি। কিন্তু তার বাবা অন্যের প্ররোচনায় পরে আমার বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। যার প্রমাণ মামলার এজাহারে আমার নামের সাথে বিন্দুমাত্র মিল নেই। যার ফলাফল আমি বিনা অপরাধে ৫৭ দিন কারাবরণ করি।

এখন বাদীপক্ষ আমার থেকে টাকা দাবি করেছে এবং এর বিনিময়ে মামলা প্রত্যাহার করবে কথা বলে আসছে। আমার প্রতি অবিচার জুলুম ও হয়রানীর ন্যায্য তদন্তের ভিত্তিতে সুষ্ঠু বিচার চাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন

ভিত্তিহীন অপহরন ও ধর্ষণ মামলা দায়ের হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:১৮:১৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১০ আগস্ট ২০২৫

দিনাজপুর প্রতিনিধি- ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অপহরন ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করায় এবং অবিচার, জুলুম ও হয়রানীর ন্যায্য তদন্তের ভিত্তিতে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার ১০ আগস্ট সকাল ১১ টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন ঠাকুরগাঁও সদরের বহুভাষী গ্রামের মোহাম্মদ মিমনূর। এ সময় তার বন্ধু রিফাত হোসেন, বন্ধু লিমন, তৃষা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২৩ সালে ডিসেম্বরে এক মেয়ের সাথে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মেয়ে তার মোবাইল নম্বর জোগাড় করে একাধিকবার যোগাযোগ করে এবং প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পরবর্তীতে মেয়ের বড় বোন আফরিন ও তার পরিবার মিমনূরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং সম্পর্ক বিচ্ছেদের দিকে ধাবিত করতে থাকে। কিন্তু বারবার ফোনে যোগাযোগ করে এবং এক পর্যায়ে আত্মহত্যার ভয় দেখায়। পরবর্তীতে মেয়ে বিষপান করে। এমন অবস্থা দেখে উভয়ের সম্মতিতে ছেলে ও মেয়ে দিনাজপুর কোর্টে এসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তবে বিবাহর বিষয়ে পরিবারের কেউ জানতো না, শুধুমাত্র মেয়ের মা অবগত ছিলেন।

চলতি বছরের মার্চ মাসে মেয়ে ছেলের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। এ সময় মেয়ের মায়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কিছুদিনের মধ্যে যোগাযোগ করবে বলে আশ্বস্ত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মিমনূর অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে আমি তাদের বাড়িতে গিয়ে আমাদের বিয়ের বিষয়ে অবগত করি এবং তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করি। কিন্তু তার বাবা অন্যের প্ররোচনায় পরে আমার বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। যার প্রমাণ মামলার এজাহারে আমার নামের সাথে বিন্দুমাত্র মিল নেই। যার ফলাফল আমি বিনা অপরাধে ৫৭ দিন কারাবরণ করি।

এখন বাদীপক্ষ আমার থেকে টাকা দাবি করেছে এবং এর বিনিময়ে মামলা প্রত্যাহার করবে কথা বলে আসছে। আমার প্রতি অবিচার জুলুম ও হয়রানীর ন্যায্য তদন্তের ভিত্তিতে সুষ্ঠু বিচার চাই।