শিরোনাম :
Logo মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন Logo সিরাজদিখানে মরহুম হাজী জয়নাল আবেদীন মাষ্টার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের দুটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo ঢাকায় হামলার প্রতিবাদে খুবিতে প্রকৌশল অধিকার দাবিতে মানববন্ধন Logo চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রবাসফেরত ইসমাইল হোসেন Logo চিত্রা-নড়াইল জেলা ছাত্রকল্যাণ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে আরমান ও বোরহান Logo চাঁদপুর সদরের জনবান্ধব ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুরের এডিসি পদে বদলী Logo বেরোবিতে ভর্তি পরীক্ষার আসন বরাদ্দে অনিময়ের অভিযোগ ; প্রশাসন বলছে শিক্ষার্থীদের বুঝার ভুল Logo প্রকাশিত হয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক নুরুন্নাহার মুন্নির সাহিত্য পত্রিকা ‘আখ্যান’ Logo পলাশবাড়ী পৌর এলাকায় জমি জবর দখলের অভিযোগ Logo প্রবাসফেরত ইসমাইলের পাশে দাঁড়ালেন এনসিপি নেতা ডা. আরিফুল ইসলাম

শোভাযাত্রা, পিঠা-পুলিতে মুখর পাবিপ্রবির বাংলা নববর্ষ ১৪৩২

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • ৮২৫ বার পড়া হয়েছে

নাফিস সাদিক (পাবিপ্রবি প্রতিনিধি) ‘

সো হে বৈশাখ’—রবীন্দ্রনাথের এই চিরন্তন আহ্বান যেন প্রাণ ছুঁয়ে গেল পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্টল, লোকজ সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন করেছে পাবিপ্রবি পরিবার।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় মঞ্চ থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল। সঙ্গে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামীম আহসানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শত শত শিক্ষার্থী।

শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক ঘুরে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মূল মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। মুখোশ, মহিষের গাড়ি, পটচিত্র, পালকি, রঙিন ব্যানার, বাদ্যযন্ত্র ও লোকজ উপাদানে ছিল শোভাযাত্রার বিশেষ আকর্ষণ।
এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা হয় পৃথক স্টল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী হল, বিভাগ ও ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে এসব স্টলে পরিবেশন করা হয় নানান ঐতিহ্যবাহী খাবার, দেশীয় খেলনা, হস্তশিল্প ও পিঠা-পুলির সম্ভার। পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল সৃজনশীল সাজসজ্জা ও উৎসবের আমেজ।

দিনভর চলা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও নাটকের মধ্য দিয়ে বাংলা সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন তারা।

ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী ইউসুফ খান রাচি বলেন, “২০১৯ সালের পর এমন বড় আয়োজন এবারই প্রথম। নিজ হাতে স্টল সাজানো আর পিঠা বিক্রির অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ।”

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব বলেন, “এ রকম আয়োজনে সবাই একে অপরের কত আপন মনে হয়! এর মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে জানতে পারি, কাছ থেকে ছুঁতে পারি। ”পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এমন প্রাণবন্ত আয়োজন যেন প্রমাণ করে—পাবিপ্রবি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি সংস্কৃতির চার ভূমিও।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুদণ্ড বজায় রেখে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

শোভাযাত্রা, পিঠা-পুলিতে মুখর পাবিপ্রবির বাংলা নববর্ষ ১৪৩২

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

নাফিস সাদিক (পাবিপ্রবি প্রতিনিধি) ‘

সো হে বৈশাখ’—রবীন্দ্রনাথের এই চিরন্তন আহ্বান যেন প্রাণ ছুঁয়ে গেল পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্টল, লোকজ সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন করেছে পাবিপ্রবি পরিবার।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় মঞ্চ থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল। সঙ্গে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামীম আহসানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শত শত শিক্ষার্থী।

শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক ঘুরে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মূল মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। মুখোশ, মহিষের গাড়ি, পটচিত্র, পালকি, রঙিন ব্যানার, বাদ্যযন্ত্র ও লোকজ উপাদানে ছিল শোভাযাত্রার বিশেষ আকর্ষণ।
এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা হয় পৃথক স্টল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী হল, বিভাগ ও ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে এসব স্টলে পরিবেশন করা হয় নানান ঐতিহ্যবাহী খাবার, দেশীয় খেলনা, হস্তশিল্প ও পিঠা-পুলির সম্ভার। পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল সৃজনশীল সাজসজ্জা ও উৎসবের আমেজ।

দিনভর চলা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও নাটকের মধ্য দিয়ে বাংলা সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন তারা।

ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী ইউসুফ খান রাচি বলেন, “২০১৯ সালের পর এমন বড় আয়োজন এবারই প্রথম। নিজ হাতে স্টল সাজানো আর পিঠা বিক্রির অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ।”

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব বলেন, “এ রকম আয়োজনে সবাই একে অপরের কত আপন মনে হয়! এর মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে জানতে পারি, কাছ থেকে ছুঁতে পারি। ”পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এমন প্রাণবন্ত আয়োজন যেন প্রমাণ করে—পাবিপ্রবি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি সংস্কৃতির চার ভূমিও।