রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

ভারতের ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতি: কোন পথে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক?

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:২৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৪৯ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেশীদের গুরুত্ব দিয়ে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানসহ সব দেশের সরকারপ্রধান বা প্রতিনিধিদের হাজির করেছিল ভারত। এরপর বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীতে এসেও প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তবে বাংলাদেশ ও ভুটান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের সাথেই ভারত ভাল সম্পর্ক রাখতে পারেনি। তাহলে কি দেশটির ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতি ব্যর্থ হলো?

এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক আহমেদ করিম বলেন, ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অর্থ হলো সব প্রতিবেশীদের সাথে আমাদের চলতে হবে। এখন দেখতে হবে আমরা তা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি। লক্ষ্য এখনও রয়েছে। তবে ভারত তা কতটা উপলব্ধি করতে পেরেছে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

জিন্দাল স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের শ্রী রাধা দত্ত বলেন, দুই দেশের কিছু সাফল্যের গল্প রয়েছে। কিছু জায়গায় কাজ চলছে। আবার কোথাও কোথাও ঘাটতি রয়েছে। প্রতিবেশী সবার আগে নীতিতে যে আমরা খুব দ্রুত নিজেদের সম্পর্ক বদলাতে পেরেছি- বিষয়টি এমন নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নিরেট বন্ধুত্ব বলে কিছু নেই। যা আছে তা হলো দেশের স্বার্থ রক্ষা। সমানভাবে পারস্পরিক স্বার্থ নিশ্চিত করতে না করা গেলে যেকোনো সম্পর্কই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। ঢাকা-দিল্লি বর্তমান সম্পর্কই এর উদাহরণ। নিজেদের স্বার্থেই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পর্যালোচনা ও পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। এমন অবস্থায় অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন তারা।

এদিকে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের সোনালী অধ্যায় বলে অভিহিত করেছে দুই দেশের সরকার।

এ বিষয়ে শ্রী রাধা দত্ত বলেন, ভারত শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের সাথে কাজ করে অভ্যস্ত। হঠাৎ সম্পর্কের বাক পরিবর্তন হয়েছে। তবে জাতীয় স্বার্থে দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক আহমেদ করিম, কেবলমাত্র দুই দেশেরই স্বার্থ রক্ষা হলেই তাকে বন্ধুত্ব বলা যেতে পারে। ভারত থেকে কিছু চাইলে তারাও আমাদের থেকে কিছু চাইবে-তা মনে রাখতে হবে।

অপরদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ক্রমশই বন্ধুহীন হয় পড়ছে বলে আশঙ্কা করছে অনেকে। তবে দেশটি তা মানতে নারাজ দেশটি।

এছাড়া, কূটনীতি নিয়ে দেশের ভেতরে রাজনৈতিক ঐক্য না থাকলে অন্যরা এর সুযোগ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

ভারতের ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতি: কোন পথে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক?

আপডেট সময় : ০৫:২১:২৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

প্রতিবেশীদের গুরুত্ব দিয়ে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানসহ সব দেশের সরকারপ্রধান বা প্রতিনিধিদের হাজির করেছিল ভারত। এরপর বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীতে এসেও প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তবে বাংলাদেশ ও ভুটান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের সাথেই ভারত ভাল সম্পর্ক রাখতে পারেনি। তাহলে কি দেশটির ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতি ব্যর্থ হলো?

এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক আহমেদ করিম বলেন, ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অর্থ হলো সব প্রতিবেশীদের সাথে আমাদের চলতে হবে। এখন দেখতে হবে আমরা তা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি। লক্ষ্য এখনও রয়েছে। তবে ভারত তা কতটা উপলব্ধি করতে পেরেছে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

জিন্দাল স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের শ্রী রাধা দত্ত বলেন, দুই দেশের কিছু সাফল্যের গল্প রয়েছে। কিছু জায়গায় কাজ চলছে। আবার কোথাও কোথাও ঘাটতি রয়েছে। প্রতিবেশী সবার আগে নীতিতে যে আমরা খুব দ্রুত নিজেদের সম্পর্ক বদলাতে পেরেছি- বিষয়টি এমন নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নিরেট বন্ধুত্ব বলে কিছু নেই। যা আছে তা হলো দেশের স্বার্থ রক্ষা। সমানভাবে পারস্পরিক স্বার্থ নিশ্চিত করতে না করা গেলে যেকোনো সম্পর্কই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। ঢাকা-দিল্লি বর্তমান সম্পর্কই এর উদাহরণ। নিজেদের স্বার্থেই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পর্যালোচনা ও পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। এমন অবস্থায় অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন তারা।

এদিকে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের সোনালী অধ্যায় বলে অভিহিত করেছে দুই দেশের সরকার।

এ বিষয়ে শ্রী রাধা দত্ত বলেন, ভারত শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের সাথে কাজ করে অভ্যস্ত। হঠাৎ সম্পর্কের বাক পরিবর্তন হয়েছে। তবে জাতীয় স্বার্থে দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক আহমেদ করিম, কেবলমাত্র দুই দেশেরই স্বার্থ রক্ষা হলেই তাকে বন্ধুত্ব বলা যেতে পারে। ভারত থেকে কিছু চাইলে তারাও আমাদের থেকে কিছু চাইবে-তা মনে রাখতে হবে।

অপরদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ক্রমশই বন্ধুহীন হয় পড়ছে বলে আশঙ্কা করছে অনেকে। তবে দেশটি তা মানতে নারাজ দেশটি।

এছাড়া, কূটনীতি নিয়ে দেশের ভেতরে রাজনৈতিক ঐক্য না থাকলে অন্যরা এর সুযোগ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন বিশ্লেষকরা।