শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

যেখানে দিনের শেষে মানুষ হয়ে যায় পাথর !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০১৭
  • ৮০১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বলা হয়ে থাকে যে, ভারতের রাজস্থানের মাটিতে বহু রহস্য লুকিয়ে আছে। কুলধারা গ্রাম এবং ভানগড় ফোর্ট এমনই একটি রহস্যময় স্থান। যা বিশ্বে ভুতুড়ে স্থান নামে পরিচিত। কুলধারা গ্রাম এবং ভানগড় ফোর্ট ছাড়া আরেকটি রহস্যময় স্থান বারমের জেলাতে অবস্থিত রয়েছে। সেটি হলো কিরাডু মন্দির।

রাজস্থানে খাজুরাহো মন্দির নামে পরিচিত এই মন্দির প্রেমিকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। কিন্তু এখানে এমন একটি ভয়ানক বিষয় রয়েছে যেটা জানার পর সাধারণ মানুষ রাতে এখানে থাকার সাহস করে না।

বিষয়টি হলো সন্ধ্যার পর যদি কেউ এই কিরাডুর মন্দিরে থাকে তাহলে সে পাথর হয়ে যায় বা তার মৃত্যু হয়ে যায়। কিরাডুর এই গল্পটি বহু বছর ধরে প্রচলিত। পাথর হয়ে যাওয়ার ভয় সন্ধ্যার পর এখানে কেউ থাকতে সাহস পায় না।

প্রচলিত কাহিনীটির পেছনের মূল বিষয়টি হলো – একটি মহিলার পাথর মূর্তি, যা কিরাডু থেকে দূরে অবস্থিত সিহণী গ্রামে রয়েছে। বহু বছর আগে কিরাডুতে এক সন্ন্যাসী এসেছিলেন। একদিন তিনি তার শিষ্যদের গ্রামে ছেড়ে চলে যান। তারই মধ্যে শিষ্যদের শরীর খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু গ্রামবাসীরা তাদের কোনও সাহায্য করেননি। শিষ্যদের এই দুর্দশা দেখার পর সন্ন্যাসী তাদের অভিশাপ দেন।

সন্ন্যাসী বলেন, যেখানের লোকের হৃদয় পাষাণের মতো তাদের মানুষের রূপে থাকা উচিত নয়। তাদের সকলের পাথর হয়ে যাওয়া উচিত। এক মহিলা শিষ্যদের সাহায্য করেছিলেন তাই জন্য সন্ন্যাসী তার ওপর দয়া করেন এবং তাকে বলেন সে যেন সেখানে থেকে চলে যায় অন্যথা সেও পাথরের হয়ে যাবে। কিন্তু মনে রাখবে পেছনে ফিরে তাকাবে না।  কিন্তু গ্রামে যাওয়ার সময় তার মনে সন্দেহ হয় সন্ন্যাসীর কথা সত্য না মিথ্যা। তাই সন্ন্যাসীর কথা সত্য না মিথ্যা তা প্রমাণ করার জন্য সে পেছনে ফিরে তাকাতে থাকলো এবং শেষে সেও পাথর হয়ে গেল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

যেখানে দিনের শেষে মানুষ হয়ে যায় পাথর !

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বলা হয়ে থাকে যে, ভারতের রাজস্থানের মাটিতে বহু রহস্য লুকিয়ে আছে। কুলধারা গ্রাম এবং ভানগড় ফোর্ট এমনই একটি রহস্যময় স্থান। যা বিশ্বে ভুতুড়ে স্থান নামে পরিচিত। কুলধারা গ্রাম এবং ভানগড় ফোর্ট ছাড়া আরেকটি রহস্যময় স্থান বারমের জেলাতে অবস্থিত রয়েছে। সেটি হলো কিরাডু মন্দির।

রাজস্থানে খাজুরাহো মন্দির নামে পরিচিত এই মন্দির প্রেমিকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। কিন্তু এখানে এমন একটি ভয়ানক বিষয় রয়েছে যেটা জানার পর সাধারণ মানুষ রাতে এখানে থাকার সাহস করে না।

বিষয়টি হলো সন্ধ্যার পর যদি কেউ এই কিরাডুর মন্দিরে থাকে তাহলে সে পাথর হয়ে যায় বা তার মৃত্যু হয়ে যায়। কিরাডুর এই গল্পটি বহু বছর ধরে প্রচলিত। পাথর হয়ে যাওয়ার ভয় সন্ধ্যার পর এখানে কেউ থাকতে সাহস পায় না।

প্রচলিত কাহিনীটির পেছনের মূল বিষয়টি হলো – একটি মহিলার পাথর মূর্তি, যা কিরাডু থেকে দূরে অবস্থিত সিহণী গ্রামে রয়েছে। বহু বছর আগে কিরাডুতে এক সন্ন্যাসী এসেছিলেন। একদিন তিনি তার শিষ্যদের গ্রামে ছেড়ে চলে যান। তারই মধ্যে শিষ্যদের শরীর খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু গ্রামবাসীরা তাদের কোনও সাহায্য করেননি। শিষ্যদের এই দুর্দশা দেখার পর সন্ন্যাসী তাদের অভিশাপ দেন।

সন্ন্যাসী বলেন, যেখানের লোকের হৃদয় পাষাণের মতো তাদের মানুষের রূপে থাকা উচিত নয়। তাদের সকলের পাথর হয়ে যাওয়া উচিত। এক মহিলা শিষ্যদের সাহায্য করেছিলেন তাই জন্য সন্ন্যাসী তার ওপর দয়া করেন এবং তাকে বলেন সে যেন সেখানে থেকে চলে যায় অন্যথা সেও পাথরের হয়ে যাবে। কিন্তু মনে রাখবে পেছনে ফিরে তাকাবে না।  কিন্তু গ্রামে যাওয়ার সময় তার মনে সন্দেহ হয় সন্ন্যাসীর কথা সত্য না মিথ্যা। তাই সন্ন্যাসীর কথা সত্য না মিথ্যা তা প্রমাণ করার জন্য সে পেছনে ফিরে তাকাতে থাকলো এবং শেষে সেও পাথর হয়ে গেল।