রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

সোনা আবিষ্কারের রহস্য ভেদ করলেন বিজ্ঞানীরা!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:৪১:৩৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭
  • ৭৯২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মহাজাগতিক বিশ্বে প্রতিনিয়ত যা ঘটে চলেছে তা সত্যিই চমকে দেওয়ার মতই। অতীতের ওপরই যে বর্তমান নির্ভর করে এমনই এক বাস্তব প্রমাণ মিলল এই মহাবিশ্বে।
প্রায় ১৩ কোটি বছর আগে দুটো মৃত তারার মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে মহাকাশে তৈরি হয় এমন এক রশ্মির যা ভারী ধাতুকে সোনা বানিয়ে দিতে সক্ষম।

শুনতে আশ্চর্য লাগলেও এমনই তথ্যের সত্যতা রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে এটা সম্ভব বলেই তাদের মতামত। সেক্ষেত্রে বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির পরীক্ষিত সত্য তথ্য ফের প্রমাণ করে দিল, অতীতের ওপর বর্তমান আজও নির্ভরশীল। গবেষকরা বলছেন, বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তথ্যই এই রশ্মির চিহ্নিতকরণ করতে সাহায্য করেছে।

ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভিড রিৎজি বলেন, “‌মহাবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ আতশবাজি দেখা বলা যেতে পারে এই অবস্থাকে। ‌ ১৯১৬ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই ধরনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তরঙ্গের কথা বলেছিলেন। যা আজ বাস্তব হয়ে উঠছে।
মহাজাগতিক বিশ্বে এই সংঘাতের ফলে সৃষ্ট রশ্মির জন্য বেশকিছু রাসায়নিক পরিবর্তন হয়ে ভারী ধাতু সোনা, রূপা, প্ল্যাটিনাম এবং ইউরেনিয়াম তৈরি করবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

সোনা আবিষ্কারের রহস্য ভেদ করলেন বিজ্ঞানীরা!

আপডেট সময় : ১২:৪১:৩৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

মহাজাগতিক বিশ্বে প্রতিনিয়ত যা ঘটে চলেছে তা সত্যিই চমকে দেওয়ার মতই। অতীতের ওপরই যে বর্তমান নির্ভর করে এমনই এক বাস্তব প্রমাণ মিলল এই মহাবিশ্বে।
প্রায় ১৩ কোটি বছর আগে দুটো মৃত তারার মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে মহাকাশে তৈরি হয় এমন এক রশ্মির যা ভারী ধাতুকে সোনা বানিয়ে দিতে সক্ষম।

শুনতে আশ্চর্য লাগলেও এমনই তথ্যের সত্যতা রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে এটা সম্ভব বলেই তাদের মতামত। সেক্ষেত্রে বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির পরীক্ষিত সত্য তথ্য ফের প্রমাণ করে দিল, অতীতের ওপর বর্তমান আজও নির্ভরশীল। গবেষকরা বলছেন, বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তথ্যই এই রশ্মির চিহ্নিতকরণ করতে সাহায্য করেছে।

ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভিড রিৎজি বলেন, “‌মহাবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ আতশবাজি দেখা বলা যেতে পারে এই অবস্থাকে। ‌ ১৯১৬ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই ধরনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তরঙ্গের কথা বলেছিলেন। যা আজ বাস্তব হয়ে উঠছে।
মহাজাগতিক বিশ্বে এই সংঘাতের ফলে সৃষ্ট রশ্মির জন্য বেশকিছু রাসায়নিক পরিবর্তন হয়ে ভারী ধাতু সোনা, রূপা, প্ল্যাটিনাম এবং ইউরেনিয়াম তৈরি করবে।