বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

ডায়েটেই লুকিয়ে মোটা হওয়ার উপাদান !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৪৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭
  • ৮০০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ডায়েটের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাচ্ছেন? রোগা হওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন। নিয়ম করে মোটা টাকা খরচ করে জিম, নয়তো বাড়িতে ব্যায়াম।

কিন্তু ফল যা তাই। ১ কেজি ওজন কমছে না, বরং বাড়ছে। কিন্তু কেন কমছে না ওজন? সমস্যা লুকিয়ে আপনার সাধের হেল্থ ফুডে। জানেন কি সেটা?

১. গমের পাউরুটি : গমের পাউরুটি স্বাস্থ্যকর, সবাই জানেন সে কথা। কিন্তু বাজার চলতি গমের পাউরুটিতে যে কেমিক্যাল থাকে, তা রীতিমতো ক্ষতিকারক। প্রক্রিয়াজাত গমের আটাতে থাকতে পারে মোটা হওয়ার যাবতীয় উপাদান। তবে বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন ব্রাউন রাইস। কার্যকর ভূমিকা নেবে আপনার ডায়েটে এই খাবার। আর মোটা হওয়ার কোনো ভয়ও নেই।

২. ফলের রস : প্যাকেটজাত বা বোতলজাত ফলের রস সহজলভ্য। খেতেও সুস্বাদু। স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে খেলেও, ক্ষতিকর পানীয়র মধ্যেই পড়ছে এই প্যাকেটজাত ফলের রস। এতে দেওয়া হয় ক্ষতিকারক রং ও রাসায়নিক। এছাড়াও যে চিনি ব্যবহার করা হয়, তাও মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কারণ শরীরে এর থেকে বাড়তে পারে শর্করার পরিমাণ। বাড়তে পারে ওজন। বিকল্প হিসেবে পানি খান। নয়তো বাড়িতেই বানিয়ে নিন গোটা ফল দিয়ে ফলের রস।

৩. কৃত্রিম চিনি : মধুমেহর আশঙ্কায় আমরা অনেকেই চিনির বদলে কৃত্রিম চিনি খেয়ে থাকি। সেই কৃত্রিম চিনি তৈরি হয় অ-প্রাকৃতিক কেমিক্যাল দিয়ে যা আমাদের শরীর হজম করতে পারে না। এই কৃত্রিম উপাদানগুলোই আমাদের শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের ডায়াবেটিস নেই, কৃত্রিম চিনি বেশি খেলে তাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা হতে পারে। হতে পারে ওবেসিটি ও হার্টের সমস্যাও। দেখা দিতে পারে হজমের সমস্যাও।

৪. সয়া দুধ: সয়া মিল্ক কম বেশি সবাই ব্যবহার করি। আমরা জানি সয়া দুধ ওজন কমায়। কিন্তু যেসব সয়া দুধ বাজারে বিশেষত শপিং মলে মেলে, তা নিম্ন মানের এবং প্রক্রিয়াজাত দুধ। যা পরে ক্ষতিকারক তরল পদর্থে পরিণত হয়। এটি শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এতে মোটা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

৫. মারজারিন: কৃত্রিম মাখন বা মারজারিন মোটা করে দিতে পারে। এর বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন ঘরে তৈরি মাখন। এতে থাকবে ভাল চর্বি যা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ডায়েটেই লুকিয়ে মোটা হওয়ার উপাদান !

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৪৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ডায়েটের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাচ্ছেন? রোগা হওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন। নিয়ম করে মোটা টাকা খরচ করে জিম, নয়তো বাড়িতে ব্যায়াম।

কিন্তু ফল যা তাই। ১ কেজি ওজন কমছে না, বরং বাড়ছে। কিন্তু কেন কমছে না ওজন? সমস্যা লুকিয়ে আপনার সাধের হেল্থ ফুডে। জানেন কি সেটা?

১. গমের পাউরুটি : গমের পাউরুটি স্বাস্থ্যকর, সবাই জানেন সে কথা। কিন্তু বাজার চলতি গমের পাউরুটিতে যে কেমিক্যাল থাকে, তা রীতিমতো ক্ষতিকারক। প্রক্রিয়াজাত গমের আটাতে থাকতে পারে মোটা হওয়ার যাবতীয় উপাদান। তবে বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন ব্রাউন রাইস। কার্যকর ভূমিকা নেবে আপনার ডায়েটে এই খাবার। আর মোটা হওয়ার কোনো ভয়ও নেই।

২. ফলের রস : প্যাকেটজাত বা বোতলজাত ফলের রস সহজলভ্য। খেতেও সুস্বাদু। স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে খেলেও, ক্ষতিকর পানীয়র মধ্যেই পড়ছে এই প্যাকেটজাত ফলের রস। এতে দেওয়া হয় ক্ষতিকারক রং ও রাসায়নিক। এছাড়াও যে চিনি ব্যবহার করা হয়, তাও মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কারণ শরীরে এর থেকে বাড়তে পারে শর্করার পরিমাণ। বাড়তে পারে ওজন। বিকল্প হিসেবে পানি খান। নয়তো বাড়িতেই বানিয়ে নিন গোটা ফল দিয়ে ফলের রস।

৩. কৃত্রিম চিনি : মধুমেহর আশঙ্কায় আমরা অনেকেই চিনির বদলে কৃত্রিম চিনি খেয়ে থাকি। সেই কৃত্রিম চিনি তৈরি হয় অ-প্রাকৃতিক কেমিক্যাল দিয়ে যা আমাদের শরীর হজম করতে পারে না। এই কৃত্রিম উপাদানগুলোই আমাদের শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের ডায়াবেটিস নেই, কৃত্রিম চিনি বেশি খেলে তাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা হতে পারে। হতে পারে ওবেসিটি ও হার্টের সমস্যাও। দেখা দিতে পারে হজমের সমস্যাও।

৪. সয়া দুধ: সয়া মিল্ক কম বেশি সবাই ব্যবহার করি। আমরা জানি সয়া দুধ ওজন কমায়। কিন্তু যেসব সয়া দুধ বাজারে বিশেষত শপিং মলে মেলে, তা নিম্ন মানের এবং প্রক্রিয়াজাত দুধ। যা পরে ক্ষতিকারক তরল পদর্থে পরিণত হয়। এটি শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এতে মোটা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

৫. মারজারিন: কৃত্রিম মাখন বা মারজারিন মোটা করে দিতে পারে। এর বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন ঘরে তৈরি মাখন। এতে থাকবে ভাল চর্বি যা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।