বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

মাইক্রোওয়েভ ম্যাজিক নাকি ব্ল্যাক ম্যাজিক !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:২৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭
  • ৮২০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ম্যাজিকে এখন সবাই ভক্ত। যন্ত্রটির কদর ঘরে ঘরে। চোখের নিমেষেই খাবার গরম হয়, বলতে গেলে বাঁ হাতের খেলা। কিন্তু সব খাবারই কি গরম করতে মাইক্রোওয়েভে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন? এটা করবেন না। ডাক্তাররাই বলছেন, কিছু কিছু খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভয়ঙ্কর!
হাতের সামনে গরম গরম খাবার। কার না ভাল লাগে? তবে আধুনিক যুগে ব্যস্ততা বেশি। খেতে বসার ঠিক আগে রান্নার সুযোগ আর ক’জনের থাকে? হয়ত দু’বেলার রান্নাই একবারে করে রেখে দেওয়া হয় ফ্রিজে। তারপর সময় সুযোগমতো মাইক্রোওয়েভে গরম করে খেয়ে নিলেই হল! সহজ সলিউশন! কিন্তু সবকিছু মোটেই এত সহজ নয়। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোনো কোনো খাবার মাইক্রোওয়েভে চটজলদি গরম করা মানেই বিপদকে নিমন্ত্রণ। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, এতে পুষ্টিগুণ নষ্ট তো হয়ই। স্বাস্থ্যেও মারাত্মক প্রভাব পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে আমার-আপনার প্রিয় বহু খাবারই।

পালং বা গাজর বা যে কোনো শাকপাতায় প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট থাকে। রান্না করা শাকসবজি মাইক্রোওয়েভে ফের গরম করলে নাইট্রেট থেকে নাইট্রোস্যামাইন নামে বিষাক্ত রাসায়নিক তৈরি হয়। মস্তিষ্কের ক্ষতিসহ পাকস্থলী, অন্ত্রে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে এই নাইট্রোস্যামাইন।

মাইক্রোওয়েভে ভাত গরম করা মানেই তাতে নানা ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থেকে ফুড পয়জনিং পর্যন্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

মুরগির মাংসে যে প্রোটিন থাকে তার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। রান্না করা মুরগির মাংস গরম করলে প্রোটিনের অণুগুলি ভেঙে যায়, যা হজমের সমস্যা তৈরি করে।

মাইক্রোওয়েভে চিকেন গরম করলে সালমোনেলা নামে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল।

রান্না করা আলু ঠাণ্ডা হলেই তাতে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়, যা ফের গরম করলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। মাইক্রোওয়েভে গরম করা আলু থেকে পেটে মারাত্মক ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

মাশরুমেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, মিনারেল থাকে যা গরম করলে বিপদ। রান্না করা মাশরুম ফের গরম করলে হজমের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। গরম না করে সেক্ষেত্রে ঠাণ্ডা মাশরুমই খাওয়া উচিত বলে মত ডাক্তারদের।

স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই তাই, মাইক্রোওয়েভে খাবার গরমে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। নইলে নিজেরই বিপদ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

মাইক্রোওয়েভ ম্যাজিক নাকি ব্ল্যাক ম্যাজিক !

আপডেট সময় : ০২:২৯:২৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ম্যাজিকে এখন সবাই ভক্ত। যন্ত্রটির কদর ঘরে ঘরে। চোখের নিমেষেই খাবার গরম হয়, বলতে গেলে বাঁ হাতের খেলা। কিন্তু সব খাবারই কি গরম করতে মাইক্রোওয়েভে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন? এটা করবেন না। ডাক্তাররাই বলছেন, কিছু কিছু খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভয়ঙ্কর!
হাতের সামনে গরম গরম খাবার। কার না ভাল লাগে? তবে আধুনিক যুগে ব্যস্ততা বেশি। খেতে বসার ঠিক আগে রান্নার সুযোগ আর ক’জনের থাকে? হয়ত দু’বেলার রান্নাই একবারে করে রেখে দেওয়া হয় ফ্রিজে। তারপর সময় সুযোগমতো মাইক্রোওয়েভে গরম করে খেয়ে নিলেই হল! সহজ সলিউশন! কিন্তু সবকিছু মোটেই এত সহজ নয়। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোনো কোনো খাবার মাইক্রোওয়েভে চটজলদি গরম করা মানেই বিপদকে নিমন্ত্রণ। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, এতে পুষ্টিগুণ নষ্ট তো হয়ই। স্বাস্থ্যেও মারাত্মক প্রভাব পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে আমার-আপনার প্রিয় বহু খাবারই।

পালং বা গাজর বা যে কোনো শাকপাতায় প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট থাকে। রান্না করা শাকসবজি মাইক্রোওয়েভে ফের গরম করলে নাইট্রেট থেকে নাইট্রোস্যামাইন নামে বিষাক্ত রাসায়নিক তৈরি হয়। মস্তিষ্কের ক্ষতিসহ পাকস্থলী, অন্ত্রে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে এই নাইট্রোস্যামাইন।

মাইক্রোওয়েভে ভাত গরম করা মানেই তাতে নানা ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থেকে ফুড পয়জনিং পর্যন্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

মুরগির মাংসে যে প্রোটিন থাকে তার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। রান্না করা মুরগির মাংস গরম করলে প্রোটিনের অণুগুলি ভেঙে যায়, যা হজমের সমস্যা তৈরি করে।

মাইক্রোওয়েভে চিকেন গরম করলে সালমোনেলা নামে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল।

রান্না করা আলু ঠাণ্ডা হলেই তাতে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়, যা ফের গরম করলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। মাইক্রোওয়েভে গরম করা আলু থেকে পেটে মারাত্মক ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

মাশরুমেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, মিনারেল থাকে যা গরম করলে বিপদ। রান্না করা মাশরুম ফের গরম করলে হজমের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। গরম না করে সেক্ষেত্রে ঠাণ্ডা মাশরুমই খাওয়া উচিত বলে মত ডাক্তারদের।

স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই তাই, মাইক্রোওয়েভে খাবার গরমে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। নইলে নিজেরই বিপদ।