রবিবার | ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo রাবির ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটে প্রথম অনন্ত, দ্বিতীয় শিফটে সিয়াম Logo চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন Logo বীরগঞ্জের বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ! Logo হাবিবুর রহমান ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত Logo খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নোবিপ্রবির গাড়ি ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চৌহালী রক্ষা বাঁধে আবারো ধস ॥ একশ মিটার বিলীন

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:০৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭
  • ৭৭২ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ  অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে  যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা রক্ষায় নির্মাণাধীন বাঁধে সোমবার  আবারও প্রায় একশ শ’ মিটার এলাকা জুড়ে ধস নেমেছে। যমুনার প্রচন্ড ঘূর্ণাবর্তে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭ কিলোমিটার এই বাধের খগেনের ঘাট অংশে গতকাল  সোমবার দুপুরে প্রায় একশ মিটার এলাকা বিলীন হয়েছে। ১০ দিনের মাথায় এই ধস দিয়ে চলতি বছরে ৬ দফা ধসে গেল এই বাধ। নির্মানে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনেই কাজ প্রায় শেষের দিকে যাওয়া বাধটি মুলতঃ বার বার ধসের সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড ত এই ধস ঠেকাতে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। উল্লেখ্য, এপ্রিলে, ২ ও ১৬ মে, ৮ জুন, ২৩ জুন একই ভাবে এ বাধের বিভিন্ন অংশে ধসে যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্র এবং এলাকাবাসী জানায়, চৌহালী উপজেলা সদরের পৌনে ৪ কিলোমিটার এবং টাঙ্গাইলের সোয়া ৩ কিলোমিটার মিলে ৭ কিলোমিটার এলাকা রক্ষায় এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থানুকুলে ২০১৫ সালে ১০৯ কোটি টাকার এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় নদীর পুর্ব পাড়ের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সরাতৈল থেকে দক্ষিনে নাগরপুর উপজেলার পুকুরিয়া, খগেনের ঘাট, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ঘোরজানের চেকির মোড়, আজিমুদ্দি মোড়, খাসকাউলিয়া, জোতপাড়া পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের জন্য কাজ শুরু হয়। যার ৯৫ ভাগ কাজ  ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। তবে হঠাৎ করে সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নদীর চৌহালীর খগেনের ঘাট অংশে প্রায় ১শ মিটার জুড়ে ধসে যায়। বাধ থেকে বিচ্ছন্ন হয় পাথরের বোল্ড ও জিও ব্যাগ। সাধারন ¯্রােতে আকষ্মিক এ ধসে এলাকা জুড়ে সবার মাঝে আতংক দেখা দিয়। বাঁধ নির্মাণ কাজ সম্পূর্ন হবার আগেই দফায়-দয়ায় এমন  ধস নামায় নানা ানিয়ম ও দূর্নীতির বিষয়টি এরাকাবাসীকে নাড়া দিয়েছে। কাজ নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ  করেছে এলাকাবাসী।
এদিকে বাঁধটি বার-বার ধসে চিন্তিত তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ। তিনি জানান, বার-বার ধসে আমরাও বিব্রত। বিষয়টি প্রধান প্রকৌশলী ও মহাপরিচালককে অবহিত করা হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত বাঁধ পরিদর্শন করে কার্যকরি পদক্ষেপ নিবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাবির ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটে প্রথম অনন্ত, দ্বিতীয় শিফটে সিয়াম

চৌহালী রক্ষা বাঁধে আবারো ধস ॥ একশ মিটার বিলীন

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:০৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ  অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে  যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা রক্ষায় নির্মাণাধীন বাঁধে সোমবার  আবারও প্রায় একশ শ’ মিটার এলাকা জুড়ে ধস নেমেছে। যমুনার প্রচন্ড ঘূর্ণাবর্তে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭ কিলোমিটার এই বাধের খগেনের ঘাট অংশে গতকাল  সোমবার দুপুরে প্রায় একশ মিটার এলাকা বিলীন হয়েছে। ১০ দিনের মাথায় এই ধস দিয়ে চলতি বছরে ৬ দফা ধসে গেল এই বাধ। নির্মানে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনেই কাজ প্রায় শেষের দিকে যাওয়া বাধটি মুলতঃ বার বার ধসের সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড ত এই ধস ঠেকাতে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। উল্লেখ্য, এপ্রিলে, ২ ও ১৬ মে, ৮ জুন, ২৩ জুন একই ভাবে এ বাধের বিভিন্ন অংশে ধসে যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্র এবং এলাকাবাসী জানায়, চৌহালী উপজেলা সদরের পৌনে ৪ কিলোমিটার এবং টাঙ্গাইলের সোয়া ৩ কিলোমিটার মিলে ৭ কিলোমিটার এলাকা রক্ষায় এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থানুকুলে ২০১৫ সালে ১০৯ কোটি টাকার এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় নদীর পুর্ব পাড়ের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সরাতৈল থেকে দক্ষিনে নাগরপুর উপজেলার পুকুরিয়া, খগেনের ঘাট, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ঘোরজানের চেকির মোড়, আজিমুদ্দি মোড়, খাসকাউলিয়া, জোতপাড়া পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের জন্য কাজ শুরু হয়। যার ৯৫ ভাগ কাজ  ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। তবে হঠাৎ করে সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নদীর চৌহালীর খগেনের ঘাট অংশে প্রায় ১শ মিটার জুড়ে ধসে যায়। বাধ থেকে বিচ্ছন্ন হয় পাথরের বোল্ড ও জিও ব্যাগ। সাধারন ¯্রােতে আকষ্মিক এ ধসে এলাকা জুড়ে সবার মাঝে আতংক দেখা দিয়। বাঁধ নির্মাণ কাজ সম্পূর্ন হবার আগেই দফায়-দয়ায় এমন  ধস নামায় নানা ানিয়ম ও দূর্নীতির বিষয়টি এরাকাবাসীকে নাড়া দিয়েছে। কাজ নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ  করেছে এলাকাবাসী।
এদিকে বাঁধটি বার-বার ধসে চিন্তিত তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ। তিনি জানান, বার-বার ধসে আমরাও বিব্রত। বিষয়টি প্রধান প্রকৌশলী ও মহাপরিচালককে অবহিত করা হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত বাঁধ পরিদর্শন করে কার্যকরি পদক্ষেপ নিবেন।