বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক Logo আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন চাঁদপুর-২ আসনে লেবার পার্টির নাসিমা নাজনীন সরকার Logo আমরা বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে সাতক্ষীরার ৯নং ওয়ার্ডে তারেক রহমানের ৮ দফা রাষ্ট্র বিনির্মাণ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ Logo আবেদনের শর্ত পূরণ ছাড়াই খুবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি Logo দায়মুক্তি আইনের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে প্রতিবাদ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ক্যাবের Logo চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo সাতক্ষীরায় ইয়াবা, অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ  গ্রেফতার- ৩ Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

লাল রঙের যেসব খাবার হার্টের জন্য ভালো

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০২:০০:০৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • ৮০৯ বার পড়া হয়েছে

লাল রঙের কিছু সাধারণ খাবার রয়েছে, যেগুলো শুধু চোখ ধাঁধানো নয়, শরীরের জন্যও ভীষণ উপকারী। এসব খাবারে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও প্রদাহ-বিরোধী উপাদান, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভালো খবর হলো—এই খাবারগুলো আমাদের খুব চেনা, প্রায় প্রতিদিনের রান্নাঘরেই পাওয়া যায়। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তত একটি লাল রঙের উপকারী খাবার রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কী সেগুলো? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

টমেটো

টমেটোতে প্রচুর লাইকোপিন থাকে, যা টমেটোকে লাল রঙ দেয়। এটি এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতে, প্লাক জমা হওয়া রোধ করতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। টমেটো রান্না করলে তা লাইকোপিন শোষণকে বাড়িয়ে তোলে, তাই ঘরে তৈরি টমেটো স্যুপ বা পাস্তা সস খেতেই পারেন। টমেটোর সালাদ নিয়মিত খেলেও উপকার পাবেন।

বিট

বিটের স্বাদ আপনার পছন্দ না হলেও এর গুণগুলো এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বিট নাইট্রেট দিয়ে ভরপুর, যা শরীর নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত করে। নাইট্রিক অক্সাইড একটি প্রাকৃতিক যৌগ যা রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করতে সহায়তা করে। এর অর্থ হলো রক্তচাপ কমানো, রক্ত ​​সঞ্চালন ভালো করা এবং হৃদযন্ত্র অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা। বিটে প্রচুর ফোলেট, ফাইবার এবং পটাসিয়াম থাকে। এসব পুষ্টি উপাদান হৃদরোগের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক।

লাল আপেল

প্রতিদিন একটি আপেল হৃদরোগ বিশেষজ্ঞকে দূরে রাখতে পারে- বিশেষ করে যদি  সেটি লাল আপেল হয়। লাল আপেল ফ্ল্যাভোনয়েড, বিশেষ করে কোয়ারসেটিন সমৃদ্ধ, যা প্রদাহ কমাতে এবং রক্ত ​​জমাট বাঁধা রোধ করতে সাহায্য করে। এতে দ্রবণীয় ফাইবারও থাকে, যা অন্ত্রে কোলেস্টেরলের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং বের করে দেয়। আপেলের খোসাই হলো সবচেয়ে জাদুকরী অংশ, তাই খোসা ছাড়াবেন না! নিয়মিত আপেল খাওয়ার অভ্যাস স্ট্রোকের ঝুঁকি এবং রক্তচাপ কমাতেও কাজ করে।

লাল আঙুর

লাল আঙুর রেসভারট্রোল সমৃদ্ধ। এটি একটি যৌগ যা হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে, প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালীর নমনীয়তা উন্নত করে। আস্ত লাল আঙুর খেলে তা আপনাকে ফাইবার এবং প্রাকৃতিক চিনির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে। এটি রেসভারট্রোল ধমনীর ভেতরের আস্তরণ রক্ষা করতে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের অন্যতম কারণ।

স্ট্রবেরি

ভিটামিন সি, পলিফেনল এবং অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ স্ট্রবেরি প্রদাহ কমাতে, ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। হার্ভার্ডের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা সপ্তাহে তিনবারের বেশি স্ট্রবেরি বা ব্লুবেরি খান তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৩২% কম থাকে। তাই এই ফল আপনার খাবারের তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন।

 

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক

লাল রঙের যেসব খাবার হার্টের জন্য ভালো

আপডেট সময় : ০২:০০:০৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

লাল রঙের কিছু সাধারণ খাবার রয়েছে, যেগুলো শুধু চোখ ধাঁধানো নয়, শরীরের জন্যও ভীষণ উপকারী। এসব খাবারে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও প্রদাহ-বিরোধী উপাদান, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভালো খবর হলো—এই খাবারগুলো আমাদের খুব চেনা, প্রায় প্রতিদিনের রান্নাঘরেই পাওয়া যায়। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তত একটি লাল রঙের উপকারী খাবার রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কী সেগুলো? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

টমেটো

টমেটোতে প্রচুর লাইকোপিন থাকে, যা টমেটোকে লাল রঙ দেয়। এটি এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতে, প্লাক জমা হওয়া রোধ করতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। টমেটো রান্না করলে তা লাইকোপিন শোষণকে বাড়িয়ে তোলে, তাই ঘরে তৈরি টমেটো স্যুপ বা পাস্তা সস খেতেই পারেন। টমেটোর সালাদ নিয়মিত খেলেও উপকার পাবেন।

বিট

বিটের স্বাদ আপনার পছন্দ না হলেও এর গুণগুলো এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বিট নাইট্রেট দিয়ে ভরপুর, যা শরীর নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত করে। নাইট্রিক অক্সাইড একটি প্রাকৃতিক যৌগ যা রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করতে সহায়তা করে। এর অর্থ হলো রক্তচাপ কমানো, রক্ত ​​সঞ্চালন ভালো করা এবং হৃদযন্ত্র অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা। বিটে প্রচুর ফোলেট, ফাইবার এবং পটাসিয়াম থাকে। এসব পুষ্টি উপাদান হৃদরোগের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক।

লাল আপেল

প্রতিদিন একটি আপেল হৃদরোগ বিশেষজ্ঞকে দূরে রাখতে পারে- বিশেষ করে যদি  সেটি লাল আপেল হয়। লাল আপেল ফ্ল্যাভোনয়েড, বিশেষ করে কোয়ারসেটিন সমৃদ্ধ, যা প্রদাহ কমাতে এবং রক্ত ​​জমাট বাঁধা রোধ করতে সাহায্য করে। এতে দ্রবণীয় ফাইবারও থাকে, যা অন্ত্রে কোলেস্টেরলের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং বের করে দেয়। আপেলের খোসাই হলো সবচেয়ে জাদুকরী অংশ, তাই খোসা ছাড়াবেন না! নিয়মিত আপেল খাওয়ার অভ্যাস স্ট্রোকের ঝুঁকি এবং রক্তচাপ কমাতেও কাজ করে।

লাল আঙুর

লাল আঙুর রেসভারট্রোল সমৃদ্ধ। এটি একটি যৌগ যা হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে, প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালীর নমনীয়তা উন্নত করে। আস্ত লাল আঙুর খেলে তা আপনাকে ফাইবার এবং প্রাকৃতিক চিনির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে। এটি রেসভারট্রোল ধমনীর ভেতরের আস্তরণ রক্ষা করতে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের অন্যতম কারণ।

স্ট্রবেরি

ভিটামিন সি, পলিফেনল এবং অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ স্ট্রবেরি প্রদাহ কমাতে, ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। হার্ভার্ডের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা সপ্তাহে তিনবারের বেশি স্ট্রবেরি বা ব্লুবেরি খান তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৩২% কম থাকে। তাই এই ফল আপনার খাবারের তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন।