মঙ্গলবার | ২৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন: বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ

ব্যবসায়ীরা নিজেরাই পাহারা দিচ্ছেন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ আগস্ট ২০২৪
  • ৭৩৯ বার পড়া হয়েছে

সরকার পতনের ৭ দিন পার হলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের পুলিশি কার্যক্রম। গতকাল রোববার রাতে সংবাদ লেখা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর কোথাও চোখে পড়েনি পুলিশি কার্যক্রম।

জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের থানা, ফাঁড়ি ও ট্রাফিক পুলিশসহ পুলিশের একাধিক ইউনিট বাইরে কোথাও কাজে বের হচ্ছে না। নিরাপ্তাহীনতাসহ ১১ দফা দবি নিয়ে এখনও আগের অবস্থানেই আছে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরের অধস্তন পুলিশ সদস্যরা। ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে এই দুই জেলার মানুষ। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা নিজেরায় পাহারা দিচ্ছে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের। সরকার পতনের ওই অন্দোলনে পুলিশ সদস্যসহ শত-শত ছাত্র-জনতার মৃত্যু হয়। আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর কারণে ব্যাপকভাবে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। পরে সরকার পতন হলে সারা দেশব্যাপী পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। একই সাথে পুলিশ সদস্যদের হত্যা, থানায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেওয়াসহ পুলিশের অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এ অবস্থায় পুলিশ হত্যার বিচারসহ ১১ দফা দাবিতে গত ৬ আগস্ট কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় ‘বাংলাদেশ পুলিশ অধস্তন কর্মচারী’ ব্যানারে পুলিশের একটি অংশ। গত বুধবার পুলিশের অধস্তন কর্মচারী ব্যানারের ওই আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের অধস্তন পুলিশ সদস্যরা। তাদের ওই আন্দোলন এখনও চলমান রয়েছে। গতকাল রাত পর্যন্ত দুই জেলার প্রায় সকল থানার গেট বন্ধসহ দাপ্তরিক কাজেই সময় কাটিয়েছে পুলিশ সদস্যরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আন্দোলনকারী পুলিশ সদস্যরা বলেন, তারা স্ব স্ব কর্মস্থলে উপস্থিত আছেন। নিরাপত্তাহীনতা ও অধস্তন পুলিশ সদস্যদের ১১ দফা দাবি নিয়ে এখনও তাদের আন্দোলন চলমান আছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার

ব্যবসায়ীরা নিজেরাই পাহারা দিচ্ছেন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ আগস্ট ২০২৪

সরকার পতনের ৭ দিন পার হলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের পুলিশি কার্যক্রম। গতকাল রোববার রাতে সংবাদ লেখা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর কোথাও চোখে পড়েনি পুলিশি কার্যক্রম।

জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের থানা, ফাঁড়ি ও ট্রাফিক পুলিশসহ পুলিশের একাধিক ইউনিট বাইরে কোথাও কাজে বের হচ্ছে না। নিরাপ্তাহীনতাসহ ১১ দফা দবি নিয়ে এখনও আগের অবস্থানেই আছে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরের অধস্তন পুলিশ সদস্যরা। ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে এই দুই জেলার মানুষ। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা নিজেরায় পাহারা দিচ্ছে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের। সরকার পতনের ওই অন্দোলনে পুলিশ সদস্যসহ শত-শত ছাত্র-জনতার মৃত্যু হয়। আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর কারণে ব্যাপকভাবে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। পরে সরকার পতন হলে সারা দেশব্যাপী পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। একই সাথে পুলিশ সদস্যদের হত্যা, থানায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেওয়াসহ পুলিশের অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এ অবস্থায় পুলিশ হত্যার বিচারসহ ১১ দফা দাবিতে গত ৬ আগস্ট কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় ‘বাংলাদেশ পুলিশ অধস্তন কর্মচারী’ ব্যানারে পুলিশের একটি অংশ। গত বুধবার পুলিশের অধস্তন কর্মচারী ব্যানারের ওই আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের অধস্তন পুলিশ সদস্যরা। তাদের ওই আন্দোলন এখনও চলমান রয়েছে। গতকাল রাত পর্যন্ত দুই জেলার প্রায় সকল থানার গেট বন্ধসহ দাপ্তরিক কাজেই সময় কাটিয়েছে পুলিশ সদস্যরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আন্দোলনকারী পুলিশ সদস্যরা বলেন, তারা স্ব স্ব কর্মস্থলে উপস্থিত আছেন। নিরাপত্তাহীনতা ও অধস্তন পুলিশ সদস্যদের ১১ দফা দাবি নিয়ে এখনও তাদের আন্দোলন চলমান আছে।