মঙ্গলবার | ২৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন: বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ

শেরপুরে শিক্ষার্থী, ছাত্রলীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪
  • ৭৫২ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, ছাত্রলীগ ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত শহরের নিউমার্কেট মোড়, থানা মোড় ও চকবাজারে এসব সংঘর্ষ ঘটে।

এই ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিক ও কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য, দৈনিক গণমুক্তির জেলা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান খোকন, ছাত্রলীগ নেতা তাশদীদুর রহমান, মাসুদ রানা ও জসিম, শিক্ষার্থী জান্নাতুল মিম, সুজন, রিয়া, তালহাজ, শরিফসহ বেশ কয়েকজন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী রয়েছেন।

এর আগে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দুপুর তিনটায় শেরপুর সরকারি কলেজে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে মিছিল শুরু করে শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রদক্ষিণের সময় ছাত্রলীগের বাঁধার মুখে পড়ে। পরে কোটাবিরোধীরা শহরের থানামোড়ে, ছাত্রলীগ নিউমার্কেট মোড়ে এবং পুলিশ তাদের মাঝামাঝি অবস্থান নেয়। এসময় আকস্মিক কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় ইট পাটকেল নিক্ষেপের সময় এক সাংবাদিক, পুলিশসহ দুই গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। এ সময় শহরের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল ছোড়ে। এতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও একটু পর ফের কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা থানা মোড়ে অবস্থান নেয়। সেখানে ডিবি পুলিশের ব্যবহৃত তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং রাস্তায় আগুন দেয় শিক্ষার্থীরা। পরে ফের শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ। ওইসময় দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়। এভাবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত হলেও শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সাইদুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা খুবই গুরুতর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার

শেরপুরে শিক্ষার্থী, ছাত্রলীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪

শেরপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, ছাত্রলীগ ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত শহরের নিউমার্কেট মোড়, থানা মোড় ও চকবাজারে এসব সংঘর্ষ ঘটে।

এই ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিক ও কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য, দৈনিক গণমুক্তির জেলা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান খোকন, ছাত্রলীগ নেতা তাশদীদুর রহমান, মাসুদ রানা ও জসিম, শিক্ষার্থী জান্নাতুল মিম, সুজন, রিয়া, তালহাজ, শরিফসহ বেশ কয়েকজন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী রয়েছেন।

এর আগে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দুপুর তিনটায় শেরপুর সরকারি কলেজে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে মিছিল শুরু করে শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রদক্ষিণের সময় ছাত্রলীগের বাঁধার মুখে পড়ে। পরে কোটাবিরোধীরা শহরের থানামোড়ে, ছাত্রলীগ নিউমার্কেট মোড়ে এবং পুলিশ তাদের মাঝামাঝি অবস্থান নেয়। এসময় আকস্মিক কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় ইট পাটকেল নিক্ষেপের সময় এক সাংবাদিক, পুলিশসহ দুই গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। এ সময় শহরের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল ছোড়ে। এতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও একটু পর ফের কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা থানা মোড়ে অবস্থান নেয়। সেখানে ডিবি পুলিশের ব্যবহৃত তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং রাস্তায় আগুন দেয় শিক্ষার্থীরা। পরে ফের শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ। ওইসময় দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়। এভাবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত হলেও শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সাইদুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা খুবই গুরুতর।