শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন Logo কয়রায় ঝড়ে নৌকাডুবি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত; নিখোঁজ দুই জেলের খোঁজ মেলেনি Logo চাঁদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

বাংলাদেশ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মটোরোলার

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০
  • ৮৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বাজার নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জনপ্রিয় মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড মটোরোলা। দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো লাইফস্টাইল পণ্য এবং উৎপাদন কারখানার মাধ্যমে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশে মটোরোলার ন্যাশনাল পার্টনার সেলস একস্ট্রা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাকিব আরাফাত বলেন, মটোরোলা বাংলাদেশের বাজারে প্রথমবারের মতো লাইফস্টাইল পণ্য নিয়ে এসেছে। করোনার মধ্যে আমরা শিশুদের জন্য স্কোয়াড ২০০ এবং স্কোয়াড ৩০০ নামে দুইটি ডিভাইস এনেছিলাম, এগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সার্টিফায়েড ছিল। এর মাধ্যমে শিশুরা ঘরে বসে ক্লাস করতে পেরেছে। বাংলাদেশের বাজার নিয়ে মটোরোলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের গ্রাহক মটোরোলাকে ভোলেনি। আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের কারখানা স্থাপনের জন্য আবেদন করেছি। এর জন্য ছোট ছোট যে কাজগুলো করা দরকার আমরা করছি।

মটোরোলার লাইফস্টাইল পণ্য নিয়ে শাকিব আরাফাত বলেন, ভারতের ফ্লিপকার্ট এ মটোরোলা টিভি তৃতীয় সর্বোচ্চ বিক্রিত টিভি। এখন ফ্লিপকার্ট এ মাসে ৮ লাখ ডিভাইস বিক্রি হয়। এমন একটি বাজার আমরা বাংলাদেশেও করতে চাই। ২০২১ সাল নাগাদ বিভিন্ন লাইফস্টাইল পণ্য এই দেশের গ্রাহকদের জন্য আমরা নিয়ে আসব।

সেলস একস্ট্রার চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদনকারী কারখানা তৈরিতে আমরা প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। এর মাধ্যমে আমরা মটোরোলা কে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে পারবো। গ্রাহকরা শুধু মটোরোলা মোবাইলের কথা জানে। আশা রাখছি, এখন থেকে অন্যান্য ডিভাইসের কথাও জানবে।

এসময় এক ভিডিও বার্তায় মটোরোলা মবিলিটি এর সার্ক অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্থ মানি বলেন, বাংলাদেশের বাজারে আসতে পারে আমরা আনন্দিত। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের কিছু স্মার্টফোন ডিভাইসকে বাংলাদেশের গ্রাহকেরা যেভাবে আপন করে নিয়েছেন সেটা আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা ছিল।

আজকের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাজারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি মডেলের ডিভাইস লঞ্চ করে মটোরোলা। এগুলো- মটোরোলা জি৯ প্লাস, জি৯ প্লে এবং জি৮। অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ এ ডিভাইসগুলো পাওয়া যাবে যথাক্রমে ২৫ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৬ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ১৩ হাজার ৪৯৯ টাকায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে মটোরোলা, দারাজ এবং সেলস একস্ট্রার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন

বাংলাদেশ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মটোরোলার

আপডেট সময় : ০৬:১৯:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বাজার নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জনপ্রিয় মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড মটোরোলা। দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো লাইফস্টাইল পণ্য এবং উৎপাদন কারখানার মাধ্যমে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশে মটোরোলার ন্যাশনাল পার্টনার সেলস একস্ট্রা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাকিব আরাফাত বলেন, মটোরোলা বাংলাদেশের বাজারে প্রথমবারের মতো লাইফস্টাইল পণ্য নিয়ে এসেছে। করোনার মধ্যে আমরা শিশুদের জন্য স্কোয়াড ২০০ এবং স্কোয়াড ৩০০ নামে দুইটি ডিভাইস এনেছিলাম, এগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সার্টিফায়েড ছিল। এর মাধ্যমে শিশুরা ঘরে বসে ক্লাস করতে পেরেছে। বাংলাদেশের বাজার নিয়ে মটোরোলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের গ্রাহক মটোরোলাকে ভোলেনি। আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের কারখানা স্থাপনের জন্য আবেদন করেছি। এর জন্য ছোট ছোট যে কাজগুলো করা দরকার আমরা করছি।

মটোরোলার লাইফস্টাইল পণ্য নিয়ে শাকিব আরাফাত বলেন, ভারতের ফ্লিপকার্ট এ মটোরোলা টিভি তৃতীয় সর্বোচ্চ বিক্রিত টিভি। এখন ফ্লিপকার্ট এ মাসে ৮ লাখ ডিভাইস বিক্রি হয়। এমন একটি বাজার আমরা বাংলাদেশেও করতে চাই। ২০২১ সাল নাগাদ বিভিন্ন লাইফস্টাইল পণ্য এই দেশের গ্রাহকদের জন্য আমরা নিয়ে আসব।

সেলস একস্ট্রার চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদনকারী কারখানা তৈরিতে আমরা প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। এর মাধ্যমে আমরা মটোরোলা কে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে পারবো। গ্রাহকরা শুধু মটোরোলা মোবাইলের কথা জানে। আশা রাখছি, এখন থেকে অন্যান্য ডিভাইসের কথাও জানবে।

এসময় এক ভিডিও বার্তায় মটোরোলা মবিলিটি এর সার্ক অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্থ মানি বলেন, বাংলাদেশের বাজারে আসতে পারে আমরা আনন্দিত। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের কিছু স্মার্টফোন ডিভাইসকে বাংলাদেশের গ্রাহকেরা যেভাবে আপন করে নিয়েছেন সেটা আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা ছিল।

আজকের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাজারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি মডেলের ডিভাইস লঞ্চ করে মটোরোলা। এগুলো- মটোরোলা জি৯ প্লাস, জি৯ প্লে এবং জি৮। অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ এ ডিভাইসগুলো পাওয়া যাবে যথাক্রমে ২৫ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৬ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ১৩ হাজার ৪৯৯ টাকায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে মটোরোলা, দারাজ এবং সেলস একস্ট্রার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।