খুলনার কয়রা উপজেলায় বোরো আবাদে সেচের পানি সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় চাষিরা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১২টায় উপজেলা সদরের ৪ নম্বর কয়রা গ্রামের দেওয়ানখালী খালের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চাষিরা অভিযোগ করেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের দেওয়ানখালী খালের ওপর নির্ভর করে আশপাশের প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। কিন্তু সরকারি এ খালের ইজারাদার বিভিন্ন সময় পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করায় চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,স্থানীয় কৃষক ইয়াসিন আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাকিবুল ইসলাম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইজারাদার চাষিদের কাছ থেকে প্রতি বিঘায় ২ হাজার টাকা দাবি করছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন কৃষকরা।
তারা আরও বলেন, সরকার কৃষকদের সুবিধার্থে খালটি খনন করেছে এবং প্রতি বছর এই খালের পানির ওপর নির্ভর করেই নির্বিঘ্নে বোরো চাষ হয়ে আসছে। কিন্তু চলতি মৌসুমে হঠাৎ করে ইজারাদারের নানা অজুহাতে পানির প্রবাহ বন্ধ বা ব্যাহত হওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।
চাষিরা জানান, বোরো ধান ঘরে তুলতে এখন মাত্র একটি সেচের প্রয়োজন। এই শেষ সেচটি দিতে পারলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা। কিন্তু পানির অভাবে সেই সম্ভাবনা হুমকির মুখে পড়েছে। প্রতি বিঘায় প্রায় ১৪ হাজার টাকা ব্যয় করে চাষ করা এই ফসল নষ্ট হলে কৃষকদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।
এ অবস্থায় দ্রুত খালের পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
তবে এ সকল বিষয় অস্বীকার করে ছোট দেওয়ানখালী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি আকবারুল ইসলাম বলেন, চাষীদের থেকে কোন টাকা নেয়া হয়নি এবং তাদের কাছে কোন টাকা চাওয়া হয়নি আমাকে হয়রানি করতে কতিপয় লোকজন চাষীদের ভুল বুঝিয়ে মানববন্ধন করেছে।






































