বৃহস্পতিবার | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo পলাশবাড়ীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন Logo আজ ৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। Logo খুবিতে ‘ভৈরবী’র নতুন নেতৃত্বে রাদ ও রাহুল Logo সুন্দরবন ও উপকূলীয় যৌথ গবেষণার লক্ষ্যে খুবি ও বেড্সের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী

ভিয়েতনাম ও চীনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হলো চট্টগ্রাম বন্দর

  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২০
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

চীন ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে শনিবার থেকে নতুন কনটেইনার শিপিং সার্ভিস চালু হয়েছে। ফলে এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সমুদ্রপথে ভিয়েতনামের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে।

ফরাসি জাহাজ কোম্পানি সিএনসি লাইন ও হংকংভিত্তিক স্যানডং ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন কর্পোরেশন (এসআইটিসি) যৌথভাবে নতুন বে বেঙ্গল এক্সপ্রেস-২ (বিবিএক্স-২) নামে এই সার্ভিস চালু করেছে।

এই সার্ভিস বাংলাদেশ, চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বন্দরগুলোকে সংযুক্ত করবে। বিবিএক্স-২ শিপমেন্টগুলো সিএমএ সিজিএমের গ্লোবাল নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকবে বলে এসআইটিসি’র স্থানীয় এজেন্ট এফএএমএফএ সল্যুশন চেয়ারম্যান শওকাতুল ইসলাম জানিয়েছেন।

চীনের নিংবো বন্দর থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়ে ১৩ দিন পর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। পথে এটি চীনের সাংহাই ও শেকু বন্দর ও মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাংয়ে থামবে।

ফেরার পথে জাহাজটি প্রথমে সিঙ্গাপুর যাবে। পরে ভিয়েতনামের হোচিমিন সিটি হয়ে নিংবোতে ফিরে যাবে।

আগে চীন-বাংলাদেশ পণ্য আনা নেয়া করতে সময় লাগতো ২২ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত। সেখানে ১৩ দিন, অর্থাৎ ৯ থেকে ১২ দিন কমে যাবে এবং পণ্য আনা নেয়ার খরচও কমে আসবে। চীন থেকে প্রচুর গার্মেন্টসের কাঁচামাল আসে। এর ফলে রফতানিযোগ্য গার্মেন্টস পণ্য জাহাজে তুলতে Lead Timeও কমে আসবে।

এছাড়া ভিয়েতনাম বাংলাদেশের জন্য খুই উপকারী পোর্ট অব কল হবে কারণ সেখানে থেকে বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট কোস্টে পৌঁছাতে চার থেকে পাঁচ দিন কম লাগবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কোনো রফতানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে প্রায় এক মাস লাগে। এগুলো সিঙ্গাপুর হয়ে যায়। তখন চট্টগ্রাম ও ভিয়েতনামের মধ্যে কোনো ফিডার সার্ভিস ছিল না।

এই সার্ভিস চালু হওয়ায় চট্টগ্রাম ও চীনের মধ্যে চারটি ফিডার সার্ভিস চালু হলো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

ভিয়েতনাম ও চীনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হলো চট্টগ্রাম বন্দর

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

চীন ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে শনিবার থেকে নতুন কনটেইনার শিপিং সার্ভিস চালু হয়েছে। ফলে এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সমুদ্রপথে ভিয়েতনামের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে।

ফরাসি জাহাজ কোম্পানি সিএনসি লাইন ও হংকংভিত্তিক স্যানডং ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন কর্পোরেশন (এসআইটিসি) যৌথভাবে নতুন বে বেঙ্গল এক্সপ্রেস-২ (বিবিএক্স-২) নামে এই সার্ভিস চালু করেছে।

এই সার্ভিস বাংলাদেশ, চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বন্দরগুলোকে সংযুক্ত করবে। বিবিএক্স-২ শিপমেন্টগুলো সিএমএ সিজিএমের গ্লোবাল নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকবে বলে এসআইটিসি’র স্থানীয় এজেন্ট এফএএমএফএ সল্যুশন চেয়ারম্যান শওকাতুল ইসলাম জানিয়েছেন।

চীনের নিংবো বন্দর থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়ে ১৩ দিন পর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। পথে এটি চীনের সাংহাই ও শেকু বন্দর ও মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাংয়ে থামবে।

ফেরার পথে জাহাজটি প্রথমে সিঙ্গাপুর যাবে। পরে ভিয়েতনামের হোচিমিন সিটি হয়ে নিংবোতে ফিরে যাবে।

আগে চীন-বাংলাদেশ পণ্য আনা নেয়া করতে সময় লাগতো ২২ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত। সেখানে ১৩ দিন, অর্থাৎ ৯ থেকে ১২ দিন কমে যাবে এবং পণ্য আনা নেয়ার খরচও কমে আসবে। চীন থেকে প্রচুর গার্মেন্টসের কাঁচামাল আসে। এর ফলে রফতানিযোগ্য গার্মেন্টস পণ্য জাহাজে তুলতে Lead Timeও কমে আসবে।

এছাড়া ভিয়েতনাম বাংলাদেশের জন্য খুই উপকারী পোর্ট অব কল হবে কারণ সেখানে থেকে বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট কোস্টে পৌঁছাতে চার থেকে পাঁচ দিন কম লাগবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কোনো রফতানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে প্রায় এক মাস লাগে। এগুলো সিঙ্গাপুর হয়ে যায়। তখন চট্টগ্রাম ও ভিয়েতনামের মধ্যে কোনো ফিডার সার্ভিস ছিল না।

এই সার্ভিস চালু হওয়ায় চট্টগ্রাম ও চীনের মধ্যে চারটি ফিডার সার্ভিস চালু হলো।