বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

‘খুনি রোবট’ নিষিদ্ধ করতে একজোট প্রযুক্তিবিদরা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:০৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সাধারণত মানুষের কাজের চাপ কমানোর যন্ত্র হিসেবে রোবটকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জেনে হয়তো চমকে যাবেন যে, সম্প্রতি তৈরি হচ্ছে এমন রোবট, যার কাজ হবে শুধু খুন করা।

বিভিন্ন দেশের সামরিক বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চায় এসব রোবট। আর এ ধরনের রোবট নিষিদ্ধ করার জন্য জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে একজোট হয়েছেন বিশ্বের নানা দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিবিদরা।

মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও টেসলার সিইও ইলন মাস্ক সম্প্রতি খুনি রোবট নিষিদ্ধ করার জন্য জাতিসংঘের দ্বারস্থ হয়েছেন। এক্ষেত্রে তাদের দাবি সারা বিশ্বেই এ ধরনের খুনি যন্ত্র বন্ধ করা হোক। আর তাদের দাবি এ নিষেধাজ্ঞায় থাকতে হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যা করতে সক্ষম ড্রোন, ট্যাংক ও মেশিনগান নিষিদ্ধ করা। এর কারণ, ক্রমে সারা বিশ্বের আতঙ্ক হয়ে দাঁড়াচ্ছে কিলার রোবট, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ খুন করতে পারবে। খুনে রোবট বলতে এমন রোবটের কথা বলা হয় যার সঙ্গে মারণাস্ত্র জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যে রোবট যোদ্ধা হিসেবে ব্যবহৃত হবে তারাই কিলার রোবট। সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হবে এসব রোবট।

ইতিমধ্যে এসব রোবট রয়েছে বিভিন্ন সেনাবাহিনীর হাতে। শুধু তা মানুষের অবয়বে দেহ কাঠামো পায়নি। প্রযুক্তিবিদদের আশঙ্কা, টারমিনেটরের মতো খুনে রোবট বানানো হলে ভবিষ্যতে কি হবে তা এখন কল্পনাও করা যাচ্ছে না। এ কারণে বিশ্বের বড় বড় এআই গবেষক এবং প্রযুক্তিবিদরা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সাবধান করেছেন, যদি সবাই এআই অস্ত্র নিয়ে কাজ করেন, তবে গ্লোবালি যার যার সংশ্লিষ্ট সেনাবাহিনী গড়ে উঠবে। শুধু প্রযুক্তিবিদরাই নন, কিলার রোবট তৈরি বন্ধে ৫০টিরও বেশি বেসরকারী সংস্থা ক্যাম্পেইন করেছে। এর মাধ্যমে কেমিক্যাল অস্ত্রকে বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে জাতিসংঘ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

‘খুনি রোবট’ নিষিদ্ধ করতে একজোট প্রযুক্তিবিদরা !

আপডেট সময় : ০২:৩৩:০৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

সাধারণত মানুষের কাজের চাপ কমানোর যন্ত্র হিসেবে রোবটকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জেনে হয়তো চমকে যাবেন যে, সম্প্রতি তৈরি হচ্ছে এমন রোবট, যার কাজ হবে শুধু খুন করা।

বিভিন্ন দেশের সামরিক বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চায় এসব রোবট। আর এ ধরনের রোবট নিষিদ্ধ করার জন্য জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে একজোট হয়েছেন বিশ্বের নানা দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিবিদরা।

মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও টেসলার সিইও ইলন মাস্ক সম্প্রতি খুনি রোবট নিষিদ্ধ করার জন্য জাতিসংঘের দ্বারস্থ হয়েছেন। এক্ষেত্রে তাদের দাবি সারা বিশ্বেই এ ধরনের খুনি যন্ত্র বন্ধ করা হোক। আর তাদের দাবি এ নিষেধাজ্ঞায় থাকতে হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যা করতে সক্ষম ড্রোন, ট্যাংক ও মেশিনগান নিষিদ্ধ করা। এর কারণ, ক্রমে সারা বিশ্বের আতঙ্ক হয়ে দাঁড়াচ্ছে কিলার রোবট, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ খুন করতে পারবে। খুনে রোবট বলতে এমন রোবটের কথা বলা হয় যার সঙ্গে মারণাস্ত্র জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যে রোবট যোদ্ধা হিসেবে ব্যবহৃত হবে তারাই কিলার রোবট। সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হবে এসব রোবট।

ইতিমধ্যে এসব রোবট রয়েছে বিভিন্ন সেনাবাহিনীর হাতে। শুধু তা মানুষের অবয়বে দেহ কাঠামো পায়নি। প্রযুক্তিবিদদের আশঙ্কা, টারমিনেটরের মতো খুনে রোবট বানানো হলে ভবিষ্যতে কি হবে তা এখন কল্পনাও করা যাচ্ছে না। এ কারণে বিশ্বের বড় বড় এআই গবেষক এবং প্রযুক্তিবিদরা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সাবধান করেছেন, যদি সবাই এআই অস্ত্র নিয়ে কাজ করেন, তবে গ্লোবালি যার যার সংশ্লিষ্ট সেনাবাহিনী গড়ে উঠবে। শুধু প্রযুক্তিবিদরাই নন, কিলার রোবট তৈরি বন্ধে ৫০টিরও বেশি বেসরকারী সংস্থা ক্যাম্পেইন করেছে। এর মাধ্যমে কেমিক্যাল অস্ত্রকে বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে জাতিসংঘ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছে।