নারীদেহের স্পর্শকাতর স্থানগুলো সম্পর্কে জানালো গবেষণা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৬ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

কোন স্থানে স্পর্শ করলে নারী শিহরিত হয়ে ওঠেন বা যৌনতায় আগ্রহ বোধ করেন কিংবা নারী দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর স্থান কোনগুলো সেটা জানার আগ্রহের কিন্তু কমতি নেই। সকল পুরুষের ম্পনেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়।

এবাত এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে একটু নতুন ধরণের গবেষণা চালিয়েছিলেন কানাডার মনট্রিলের একদল গবেষক। সম্প্রতি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেন তারা।

কানাডার মনট্রিলের গবেষকদের সেই গবেষণায় দেখা যায়, আলতো স্পর্শের ক্ষেত্রে নারীদেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর স্থান হচ্ছে গলা ও ঘাড়, কব্জির ওপরের অংশ ও ভ্যাজাইনাল মার্জিন। অন্যদিকে চাপ প্রয়োগে সবচাইতে বেশি উত্তেজিত হয় নিপল ও ক্লাইটোরিস। আর ভাইব্রেশনের ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি সাড়া দেয় ক্লাইটোরিস।

গবেষকরা ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৩০ জন নারীর ওপরে এই গবেষণা চালান। তারা তাদের গবেষণার জন্য সেই সকল নারীদের শরীরে নানান ধরণের স্পর্শের অনুভব তৈরি করেন। এবং পরবর্তীতে সেই সকল নারীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়  যে কোন স্পর্শের অনুভব কেমন ছিল।

গবেষকদের দাবী এই যে এমন গবেষণা আগে কখনো করা হয়নি। জার্নাল অব সেক্সুয়াল মেডিসিনে-এ তারা এই গবেষণা তথ্য প্রকাশ করেন। তারা জানান, আলতো স্পর্শে সবচাইতে কম সাড়া দেয় অ্যারিওলা, অন্যদিকে চাপ প্রয়োগে সবচাইতে কম সাড়া দেয় পেটের অংশগুলো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদেহের স্পর্শকাতর স্থানগুলো সম্পর্কে জানালো গবেষণা !

আপডেট সময় : ০১:০৪:২২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৬ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

কোন স্থানে স্পর্শ করলে নারী শিহরিত হয়ে ওঠেন বা যৌনতায় আগ্রহ বোধ করেন কিংবা নারী দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর স্থান কোনগুলো সেটা জানার আগ্রহের কিন্তু কমতি নেই। সকল পুরুষের ম্পনেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়।

এবাত এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে একটু নতুন ধরণের গবেষণা চালিয়েছিলেন কানাডার মনট্রিলের একদল গবেষক। সম্প্রতি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেন তারা।

কানাডার মনট্রিলের গবেষকদের সেই গবেষণায় দেখা যায়, আলতো স্পর্শের ক্ষেত্রে নারীদেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর স্থান হচ্ছে গলা ও ঘাড়, কব্জির ওপরের অংশ ও ভ্যাজাইনাল মার্জিন। অন্যদিকে চাপ প্রয়োগে সবচাইতে বেশি উত্তেজিত হয় নিপল ও ক্লাইটোরিস। আর ভাইব্রেশনের ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি সাড়া দেয় ক্লাইটোরিস।

গবেষকরা ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৩০ জন নারীর ওপরে এই গবেষণা চালান। তারা তাদের গবেষণার জন্য সেই সকল নারীদের শরীরে নানান ধরণের স্পর্শের অনুভব তৈরি করেন। এবং পরবর্তীতে সেই সকল নারীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়  যে কোন স্পর্শের অনুভব কেমন ছিল।

গবেষকদের দাবী এই যে এমন গবেষণা আগে কখনো করা হয়নি। জার্নাল অব সেক্সুয়াল মেডিসিনে-এ তারা এই গবেষণা তথ্য প্রকাশ করেন। তারা জানান, আলতো স্পর্শে সবচাইতে কম সাড়া দেয় অ্যারিওলা, অন্যদিকে চাপ প্রয়োগে সবচাইতে কম সাড়া দেয় পেটের অংশগুলো।