শনিবার | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুর শহর জামায়াতের যাকাত বিষয়ক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুর জেলা পরিবেশক ব্যবসায়ী সমিতির আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল Logo ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর সদর উপজেলার আয়োজনে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo ঝালকাঠিতে ইফতার ও দোয়ার মধ্য দিয়ে ” রিপোর্টার্স ক্লাব ” র আত্মপ্রকাশ Logo বনাঞ্চলে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ: সুন্দরবন-এ এক জেলে আটক Logo নারী শক্তির জয়গান: বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোক্তা সম্মাননা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কয়রায় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা Logo জাবির নেত্রকোনা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কয়রা বাজার তদারকি

চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় ছাত্রদলের সাবেক ৭ নেতা খালাস !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি অফিসের সামনে ১৮ বছর আগে নগর ছাত্রদল নেতা গোলাম সরওয়ারকে গুলিবিদ্ধ করে হত্যার ঘটনায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেখসুর খালাস পেয়েছেন একই সংগঠনের তৎকালীন সাত নেতা।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মীর মো. রহুল আমিন এই রায় দেন। খালাস প্রাপ্তরা হলেন, নগর ছাত্রদলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও সদস্য সাহেদ আকবর, ছাত্রদলের সাবেক নেতা টিংকু দাশ, আলাউদ্দিন, নাসিরউদ্দিন, অরূপ বড়ুয়া এবং রাজা প্রকাশ আজিম উদ্দিন।

বিশেষ জজ আদালতের পিপি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সাক্ষীদের সাক্ষ্যে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আনা অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় আদালত সবাইকে  বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্ত যুবদল নেতা সাহেদ আকবর বলেন, আমরা নোমান গ্রুপ করতাম বলে আমাদের ফাঁসানো হয়েছিল। আমাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনও করা হয়েছিল। আজ সত্যটাই প্রকাশ পেয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ৮ মার্চ রাত ৮টার দিকে নগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদল নেতা গোলাম সরওয়ার গুলিবিদ্ধ হন। চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তার মা মেহেরুন্নেছা বাদি হয়ে ছাত্রদলের নেতাদের আসামি করে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

২০০১ সালের ১৬ মার্চ পুলিশ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০০৩ সালের ২৫ আগস্ট অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ চারজনের সাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপন করে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাম সরওয়ার ছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি মীর মো. নাছির উদ্দিনের অনুসারী। আসামিরা সবাই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের অনুসারী ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় ছাত্রদলের সাবেক ৭ নেতা খালাস !

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি অফিসের সামনে ১৮ বছর আগে নগর ছাত্রদল নেতা গোলাম সরওয়ারকে গুলিবিদ্ধ করে হত্যার ঘটনায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেখসুর খালাস পেয়েছেন একই সংগঠনের তৎকালীন সাত নেতা।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মীর মো. রহুল আমিন এই রায় দেন। খালাস প্রাপ্তরা হলেন, নগর ছাত্রদলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও সদস্য সাহেদ আকবর, ছাত্রদলের সাবেক নেতা টিংকু দাশ, আলাউদ্দিন, নাসিরউদ্দিন, অরূপ বড়ুয়া এবং রাজা প্রকাশ আজিম উদ্দিন।

বিশেষ জজ আদালতের পিপি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সাক্ষীদের সাক্ষ্যে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আনা অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় আদালত সবাইকে  বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্ত যুবদল নেতা সাহেদ আকবর বলেন, আমরা নোমান গ্রুপ করতাম বলে আমাদের ফাঁসানো হয়েছিল। আমাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনও করা হয়েছিল। আজ সত্যটাই প্রকাশ পেয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ৮ মার্চ রাত ৮টার দিকে নগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদল নেতা গোলাম সরওয়ার গুলিবিদ্ধ হন। চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তার মা মেহেরুন্নেছা বাদি হয়ে ছাত্রদলের নেতাদের আসামি করে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

২০০১ সালের ১৬ মার্চ পুলিশ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০০৩ সালের ২৫ আগস্ট অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ চারজনের সাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপন করে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাম সরওয়ার ছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি মীর মো. নাছির উদ্দিনের অনুসারী। আসামিরা সবাই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের অনুসারী ছিলেন।