গাইবান্ধা সদর ও পলাশবাড়ী উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে চার পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার পরীক্ষা চলাকালীন বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অবৈধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও নকলসহ তাঁদের আটক করা হয়।
পুলিশ ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রের এবং একজন পলাশবাড়ী উপজেলার একটি কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী।
সদর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কড়া নজরদারি চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় শহরের তিনটি পৃথক কেন্দ্রে তল্লাশি চালিয়ে তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাঁদের শরীরের বিশেষ স্থানে লুকানো অবস্থায় অত্যন্ত ক্ষুদ্রাকৃতির ডিজিটাল ডিভাইস ও ব্লুটুথ উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, পলাশবাড়ী উপজেলার একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালে সন্দেহভাজন এক পরীক্ষার্থীকে তল্লাশি করেন কক্ষ পরিদর্শক। পরে তাঁর কাছে ডিজিটাল ডিভাইস পাওয়া গেলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আটক পরীক্ষার্থীরা উন্নত প্রযুক্তির ডিভাইস ব্যবহার করে বাইরে থেকে উত্তর সংগ্রহের চেষ্টা করছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, “পরীক্ষা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ অত্যন্ত তৎপর ছিল। জালিয়াতির চেষ্টা করায় তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের আটক করে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ধরনের চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, আজ সকালে সারা দেশের মতো গাইবান্ধাতেও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জালিয়াতি রোধে কেন্দ্রগুলোতে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহারের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার ছিল।
























































