বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন Logo গণমাধ্যমে লেখালেখি: পেশাগত নীতিনৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ – ড. মাহরুফ চৌধুরী Logo স্টুডেন্ট স্কয়ার: শিক্ষার্থী থেকেই টেকসই পরিবর্তনের সূচনা Logo কেউ নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo এনবিআরের ওয়েবসাইটে এইচএস কোডভিত্তিক আমদানি তথ্য প্রকাশ Logo গাজীপুর-৪ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে তৌফিক সুলতান স্যারের ‘জ্ঞানের জগৎ’ বই Logo পবিত্র লাইলাতুল বরাত আনজুমান ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি Logo পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ Logo পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাতে আহত মুরগীর ব্যবসায়ী Logo ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে: উপ-উপাচার্য

চেয়ারে বসে নামাজ পড়া কি জায়েজ ?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:০২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২২ মার্চ ২০১৭
  • ৮৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রশ্ন : আমার আম্মা হচ্ছেন কিডনির রোগী। উনাকে ডাক্তার একদম হাঁটু গেড়ে বসতে নিষেধ করে দিয়েছেন। তো, উনি চেয়ারে বসে নামাজ পড়েন। সূরা ও রুকু দাঁড়িয়ে করেন। কিন্তু সেজদাহ চেয়ারে বসে বালিশে দেন অথবা ইশারায় সেজদাহ দেন। কিন্তু আমি আমাদের এলাকার মসজিদে লেখা দেখলাম যে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া অকাট্যভাবে নাজায়েজ। তাহলে আমার আম্মা কীভাবে নামাজ পড়বেন, যেহেতু তাঁর বসা একদম নিষেধ।

উত্তর : চেয়ারে বসে নামাজ পড়া অকাট্যভাবে হারাম বা নিষিদ্ধ, এ রকম কোনো দলিল আছে বলে আমার জানা নেই। অকাট্যভাবে এটি দলিলবিহীন কথা। কারণ, ওজরের জন্য যেকোনো অবস্থায় সালাত আদায় করা জায়েজ। ওজরের জন্য যদি শুয়ে নামাজ পড়া যায়, ইশারায় নামাজ পড়া যায়, তাহলে বসে পড়া যাবে না কেন?

কোরআনে কারিমের মধ্যে আল্লাহ সুবানাহুতায়ালা বলেছেন, ‘তোমাদের সাধ্যে যতটুকু কুলায়’ (সূরা-তাগাবু)। সুতরাং কেউ যদি দাঁড়াতে না পারেন, তিনি বসে পড়বেন; কেউ যদি বসতে না পারেন, তিনি শুয়ে পড়বেন; আর শুয়েও পড়তে না পারলে তিনি যেভাবে পারেন, সেভাবেই নামাজ পড়বেন। এটি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বিধান। সুতরাং ‘অকাট্যভাবে’ এটি দলিলবিহীন বক্তব্য।

ওজরের মাসয়ালা কোনোভাবেই স্বাভাবিক মাসয়ালার ওপর করার বৈধতা নেই। ইমাম শাফি (রা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো কারণে মানুষের ওপর কোনো বিষয় কঠিন, সংকীর্ণ হয়ে যায়, তখন ইসলাম এটাকে প্রশস্ত করে দেয়, সহজ করে দেয়।’ এটা সহজ করে দেওয়া হয়েছে। এটি একেবারেই জায়েজ। যাঁরা ফতোয়া দিয়েছেন, তাঁরা আন্দাজে ফতোয়া দিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

চেয়ারে বসে নামাজ পড়া কি জায়েজ ?

আপডেট সময় : ০৬:১১:০২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২২ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রশ্ন : আমার আম্মা হচ্ছেন কিডনির রোগী। উনাকে ডাক্তার একদম হাঁটু গেড়ে বসতে নিষেধ করে দিয়েছেন। তো, উনি চেয়ারে বসে নামাজ পড়েন। সূরা ও রুকু দাঁড়িয়ে করেন। কিন্তু সেজদাহ চেয়ারে বসে বালিশে দেন অথবা ইশারায় সেজদাহ দেন। কিন্তু আমি আমাদের এলাকার মসজিদে লেখা দেখলাম যে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া অকাট্যভাবে নাজায়েজ। তাহলে আমার আম্মা কীভাবে নামাজ পড়বেন, যেহেতু তাঁর বসা একদম নিষেধ।

উত্তর : চেয়ারে বসে নামাজ পড়া অকাট্যভাবে হারাম বা নিষিদ্ধ, এ রকম কোনো দলিল আছে বলে আমার জানা নেই। অকাট্যভাবে এটি দলিলবিহীন কথা। কারণ, ওজরের জন্য যেকোনো অবস্থায় সালাত আদায় করা জায়েজ। ওজরের জন্য যদি শুয়ে নামাজ পড়া যায়, ইশারায় নামাজ পড়া যায়, তাহলে বসে পড়া যাবে না কেন?

কোরআনে কারিমের মধ্যে আল্লাহ সুবানাহুতায়ালা বলেছেন, ‘তোমাদের সাধ্যে যতটুকু কুলায়’ (সূরা-তাগাবু)। সুতরাং কেউ যদি দাঁড়াতে না পারেন, তিনি বসে পড়বেন; কেউ যদি বসতে না পারেন, তিনি শুয়ে পড়বেন; আর শুয়েও পড়তে না পারলে তিনি যেভাবে পারেন, সেভাবেই নামাজ পড়বেন। এটি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বিধান। সুতরাং ‘অকাট্যভাবে’ এটি দলিলবিহীন বক্তব্য।

ওজরের মাসয়ালা কোনোভাবেই স্বাভাবিক মাসয়ালার ওপর করার বৈধতা নেই। ইমাম শাফি (রা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো কারণে মানুষের ওপর কোনো বিষয় কঠিন, সংকীর্ণ হয়ে যায়, তখন ইসলাম এটাকে প্রশস্ত করে দেয়, সহজ করে দেয়।’ এটা সহজ করে দেওয়া হয়েছে। এটি একেবারেই জায়েজ। যাঁরা ফতোয়া দিয়েছেন, তাঁরা আন্দাজে ফতোয়া দিয়েছেন।