শনিবার | ১১ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান Logo চাঁদপুরে বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ Logo চাঁদের চারপাশ ঘুরে পৃথিবীমুখী আর্টেমিস–২, সমুদ্রে অবতরণ Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন

পলিয়ে এসেও হচ্ছে না রক্ষা অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এক প্রতিবন্ধি !

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০
  • ৭৪৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
সম্পত্তির লোভে ভাই ভাবীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আমেরিকা প্রবাসি শারীরিক প্রতিবন্ধি সানজিদা চৌধুরী মাহির (২১) জীবন। ঝিনাইদহে পালিয়ে এসেও তিনি রক্ষা পাচ্ছেন না। বড় ভাই প্রতিনিয়ত মোবাইলে হুমকী দিচ্ছেন। বাধ্য হয়ে তিনি এঘটনায় বড় ভাই মাহবুব মুকাম্মেল হোসেন রোমেলের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ থানায় সাধারন ডায়রি করেছেন (যার জিডি নং-১১০,তাং-২১-০৭-২০ ইং)। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে দাবী করেছেন মাহি। প্রতিবন্ধি মাহির অভিযোগ ও ডায়েরী সুত্র থেকে জানা গেছে, পৈত্রিক বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার হাসিনা বাড়ি গ্রামে। দেশ স্বাধীনের পর পিতা এমএম আব্দুল মুতালিব পরিবার নিয়ে আমেরিকায় চলে যান এবং সেখানে বাড়ি কিনে বসবাস শুরু করেন। ২০০৬ সালে মা-বাবা বড় ভাই মাহবুব রোমেলকে নিয়ে বাংলাদেশে এসে ঢাকা বারিধারায় বসবাস করছেন। তাদের মা মাহবুবা বেগম জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। শারিরীক প্রতিবন্ধি হওয়ার কারনে দাদা জহিরুল হক চৌধুরী সানজিদার নামে জমি লিখে দিয়ে যান। ছোট ভাই মাহবুব মোবাশের হোসেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর আগে তিনিও তার সম্পত্তি বোন মাহির নামে লিখে দেন। ২০১৬ সালে সানজিদা আমেরিকায় থেকে দেশে ফিরে আসেন। মাহি দেশে আসার পর থেকে তার বিপুল পরিমান সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। বড় ভাই ও ভাবি মিলে মাহির উপর অত্যাচার শুরু করেন। মাহির পিতাও অসুস্থ হয়ে বিছানাগত হয়ে পড়লে মাহির উপর নিষ্ঠুরতা আরো বেড়ে যায়। মাহি একা চলাফেরা করতে পারে না। উপায় না পেয়ে জীবন বাচানোর তাগিদে ২০১৭ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলার ফার্মপাড়া জান্টু মন্ডলের ছেলে রাজমিস্ত্রি আব্দুল আলিমের সাথে মাহির বিয়ে হয়। বিয়ের পর মাহির স্বামীকে ব্যবসায়ীক সহায়তার আশ্বাস দিলেও বড় ভাই বিভিন্ন সময়ে তার ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে স্বামীকে মারধোর করতেন। সেখান থেকে পালিয়ে এসে মাহি ও তার স্বামী ঝিনাইদহ শহরের গোবিন্দুপর গ্রামে জনৈক সেনা সদস্যের বাড়ি ভাড়া করে বসবাস শুরু করেন। এখানে এসে ভাই রোমেল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি ও ছাড়াছাড়ি করার চেষ্টা করেন। যাওয়ার সময় বড় ভাই রোমেল আমার স্বামীর ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। আমার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গ্রাস করার জন্যই ভাই আমার ও স্বামীর উপর অকথ্য নির্যাতন করছেন বলে মাহির অভিযোগ। এ ব্যাপারে মাহির বড় ভাই ভাই মাহবুব মোকাম্মেল হোসন রোমেল জানান, আমার বোন সানজিদার অভিযোগ সব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন আমরা তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

পলিয়ে এসেও হচ্ছে না রক্ষা অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এক প্রতিবন্ধি !

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
সম্পত্তির লোভে ভাই ভাবীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আমেরিকা প্রবাসি শারীরিক প্রতিবন্ধি সানজিদা চৌধুরী মাহির (২১) জীবন। ঝিনাইদহে পালিয়ে এসেও তিনি রক্ষা পাচ্ছেন না। বড় ভাই প্রতিনিয়ত মোবাইলে হুমকী দিচ্ছেন। বাধ্য হয়ে তিনি এঘটনায় বড় ভাই মাহবুব মুকাম্মেল হোসেন রোমেলের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ থানায় সাধারন ডায়রি করেছেন (যার জিডি নং-১১০,তাং-২১-০৭-২০ ইং)। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে দাবী করেছেন মাহি। প্রতিবন্ধি মাহির অভিযোগ ও ডায়েরী সুত্র থেকে জানা গেছে, পৈত্রিক বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার হাসিনা বাড়ি গ্রামে। দেশ স্বাধীনের পর পিতা এমএম আব্দুল মুতালিব পরিবার নিয়ে আমেরিকায় চলে যান এবং সেখানে বাড়ি কিনে বসবাস শুরু করেন। ২০০৬ সালে মা-বাবা বড় ভাই মাহবুব রোমেলকে নিয়ে বাংলাদেশে এসে ঢাকা বারিধারায় বসবাস করছেন। তাদের মা মাহবুবা বেগম জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। শারিরীক প্রতিবন্ধি হওয়ার কারনে দাদা জহিরুল হক চৌধুরী সানজিদার নামে জমি লিখে দিয়ে যান। ছোট ভাই মাহবুব মোবাশের হোসেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর আগে তিনিও তার সম্পত্তি বোন মাহির নামে লিখে দেন। ২০১৬ সালে সানজিদা আমেরিকায় থেকে দেশে ফিরে আসেন। মাহি দেশে আসার পর থেকে তার বিপুল পরিমান সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। বড় ভাই ও ভাবি মিলে মাহির উপর অত্যাচার শুরু করেন। মাহির পিতাও অসুস্থ হয়ে বিছানাগত হয়ে পড়লে মাহির উপর নিষ্ঠুরতা আরো বেড়ে যায়। মাহি একা চলাফেরা করতে পারে না। উপায় না পেয়ে জীবন বাচানোর তাগিদে ২০১৭ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলার ফার্মপাড়া জান্টু মন্ডলের ছেলে রাজমিস্ত্রি আব্দুল আলিমের সাথে মাহির বিয়ে হয়। বিয়ের পর মাহির স্বামীকে ব্যবসায়ীক সহায়তার আশ্বাস দিলেও বড় ভাই বিভিন্ন সময়ে তার ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে স্বামীকে মারধোর করতেন। সেখান থেকে পালিয়ে এসে মাহি ও তার স্বামী ঝিনাইদহ শহরের গোবিন্দুপর গ্রামে জনৈক সেনা সদস্যের বাড়ি ভাড়া করে বসবাস শুরু করেন। এখানে এসে ভাই রোমেল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি ও ছাড়াছাড়ি করার চেষ্টা করেন। যাওয়ার সময় বড় ভাই রোমেল আমার স্বামীর ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। আমার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গ্রাস করার জন্যই ভাই আমার ও স্বামীর উপর অকথ্য নির্যাতন করছেন বলে মাহির অভিযোগ। এ ব্যাপারে মাহির বড় ভাই ভাই মাহবুব মোকাম্মেল হোসন রোমেল জানান, আমার বোন সানজিদার অভিযোগ সব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন আমরা তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।