বুধবার | ৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর সদরে মাসিক এনজিও সমন্বয় সভা সমন্বিত উদ্যোগেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব …….ইউএনও এস এম এন জামিউল হিকমা Logo গাইবান্ধায় তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন Logo গণভোটের প্রচারণায় জীবননগরে ভোটের গাড়ি Logo চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি Logo নোবিপ্রবিতে একযোগে ২১ শিক্ষক নিয়োগ Logo প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্বাচনী প্রচারণা করা যাবে না: ইসি Logo প্রকাশ্যে চরমপন্থি নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা Logo সাতক্ষীরার যুগিপোতায় মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি Logo বরিশাল ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়া’র রুহে মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo দুই মেধাবীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে প্যাপিরাস পাঠাগার

ঝিনাইদহে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, বিপাকে গ্রাহকরা!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:২৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০
  • ৭৪২ বার পড়া হয়েছে

লকডাউনে মিটারে রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহে করোনাকালে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। লকডাউনে মিটার রিডিং না করেই বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সঠিক বিল দেয়ার দাবি গ্রাহকদের। এ ব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি ওজোপাডিকো কর্মকর্তারা। ঝিনাইদহ সদরের ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা ঝালমুড়ি বিক্রেতা আজিজুর রহমান। গতকাল পর্যন্ত মিটারের রিডিং ৭ হাজার ৩৪১ ইউনিট থাকলেও ক’দিন আগের দেয়া বিদ্যুৎ বিলে রিডিং দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৪’শ ইউনিট। করোনায় কর্মহীন তার উপর বাড়তি এই বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে তিনি। আজিজুর রহমান বলেন, ৬০ ইউনিট বেশি এসেছে। আমি দিন আনি দিন খাই।আমার উপার্জন বন্ধ। এখন বাড়তি বিল কীভাবে দেবো।

শহরের কাঞ্চননগর এলাকার একটি বাসভবনের বিদ্যুৎ বিলে বর্তমান মিটার রিডিং দেখানো হয়েছে ১,৯৪০ ইউনিট। পূর্ববর্তী ইউনিট দেখানো হয়েছে ১,৮৬০ ইউনিট। কিন্তু মিটারের দেখা যাচ্ছে বর্তমান রিডিং ১,৮৪৭ ইউনিট। এমনই ভুতুড়ে বিলের খপ্পরে পড়েছেন ঝিনাইদহ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড’র হাজার হাজার গ্রাহক। গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। প্রতিদিন বিদ্যুৎ অফিসের অভিযোগ কেন্দ্রে লাইন দিচ্ছে ভুক্তভোগীরা। সেখানেও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। এক ভুক্তভোগী বলেন, প্রতি মাসে যেখানে ১৫০ টাকা বিল আসে।

সেখানে তিন মাসে করেছে ১৫শ’ টাকা। তিন থেকে চার গুন বেশি বিল হয়েছে যা আমার পক্ষে পরিশোধ করা অসম্ভব। এ ব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোলি’র নির্বাহী প্রকৌশলী পরিতোষ চন্দ্র সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের দেয়া তথ্যমতে জেলা শহর, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর শহরে ওজোপাডিকো’র গ্রাহক সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর সদরে মাসিক এনজিও সমন্বয় সভা সমন্বিত উদ্যোগেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব …….ইউএনও এস এম এন জামিউল হিকমা

ঝিনাইদহে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, বিপাকে গ্রাহকরা!

আপডেট সময় : ০৮:১১:২৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

লকডাউনে মিটারে রিডিং না দেখেই বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহে করোনাকালে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। লকডাউনে মিটার রিডিং না করেই বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সঠিক বিল দেয়ার দাবি গ্রাহকদের। এ ব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি ওজোপাডিকো কর্মকর্তারা। ঝিনাইদহ সদরের ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা ঝালমুড়ি বিক্রেতা আজিজুর রহমান। গতকাল পর্যন্ত মিটারের রিডিং ৭ হাজার ৩৪১ ইউনিট থাকলেও ক’দিন আগের দেয়া বিদ্যুৎ বিলে রিডিং দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৪’শ ইউনিট। করোনায় কর্মহীন তার উপর বাড়তি এই বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে তিনি। আজিজুর রহমান বলেন, ৬০ ইউনিট বেশি এসেছে। আমি দিন আনি দিন খাই।আমার উপার্জন বন্ধ। এখন বাড়তি বিল কীভাবে দেবো।

শহরের কাঞ্চননগর এলাকার একটি বাসভবনের বিদ্যুৎ বিলে বর্তমান মিটার রিডিং দেখানো হয়েছে ১,৯৪০ ইউনিট। পূর্ববর্তী ইউনিট দেখানো হয়েছে ১,৮৬০ ইউনিট। কিন্তু মিটারের দেখা যাচ্ছে বর্তমান রিডিং ১,৮৪৭ ইউনিট। এমনই ভুতুড়ে বিলের খপ্পরে পড়েছেন ঝিনাইদহ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড’র হাজার হাজার গ্রাহক। গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। প্রতিদিন বিদ্যুৎ অফিসের অভিযোগ কেন্দ্রে লাইন দিচ্ছে ভুক্তভোগীরা। সেখানেও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। এক ভুক্তভোগী বলেন, প্রতি মাসে যেখানে ১৫০ টাকা বিল আসে।

সেখানে তিন মাসে করেছে ১৫শ’ টাকা। তিন থেকে চার গুন বেশি বিল হয়েছে যা আমার পক্ষে পরিশোধ করা অসম্ভব। এ ব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোলি’র নির্বাহী প্রকৌশলী পরিতোষ চন্দ্র সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের দেয়া তথ্যমতে জেলা শহর, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর শহরে ওজোপাডিকো’র গ্রাহক সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার।