শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার Logo রাষ্ট্র বিনির্মাণের ডাক: সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ঝালকাঠিতে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo ১৭ জানুয়ারি বায়রার ভোট গ্রহণ: সিন্ডিকেট মুক্ত বায়রা গঠনে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টকে জয়যুক্ত করার আহ্বান Logo ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আগুন, অগ্নি দগ্ধ শিশু Logo ভারতীয় নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ

আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জিয়ার হত্যা মামলার রায়

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৩৯ বার পড়া হয়েছে

আবদার-সলক-ইউনুচসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড !
নিউজ ডেস্ক:আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন আদালত। চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ মোহা. রবিউল ইসলাম গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্তরা হলেন, কায়েতপাড়া গ্রামের মৃত দুখী পরামানিকের ছেলে আব্দার হোসেন (৪২), মৃত আনসার আলী ম-লের ছেলে ইউনুচ আলী (৫২) ও মৃত তাহাজ আলী ম-লের ছেলে মুনিয়ার ম-ল (৪৭) এবং পাশের রামদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মো. সলক (৪০) ও আমজেদ আলী জোয়ার্দ্দারের ছেলে কবির আলী জোয়ার্দ্দার (৩২)।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে বাওড় পাহারা দিয়ে ফেরার পথে জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার মাথায় ও বুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই জিয়ারের ভাই আসাদুল ম-ল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ এইচ এম লুৎফুল কবীর ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত এ মামলায় ১৯ জন সাক্ষীকে পরীক্ষা করেন। মামলা পর্যালোচনা শেষে দ-প্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তকালে পুলিশ জিয়াউর রহমান হত্যার মোটিভ উম্মোচন করতে সক্ষম হন। একই সঙ্গে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কায়েতপাড়া গ্রামের আব্দার হোসেন, ইউনুচ আলী, মনিয়ার ম-ল, কবির হোসেন ও সলককে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে আসামি সলক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আলোচিত এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পরিদর্শক এএইচ এম লুৎফুল কবীর তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চাজশির্ট দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত এ মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করেন। রায়ে আদালত অভিযুক্ত ৫ জনকে দ-বিধি ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদ-ে দ-িত করেন।
আলোচিত এ মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন ও আসামি পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দীন খাঁন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। এদিকে, রায় ঘোষণার পর আসামিদেরকে কঠোর নিরাপত্তায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জিয়ার হত্যা মামলার রায়

আপডেট সময় : ১০:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯

আবদার-সলক-ইউনুচসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড !
নিউজ ডেস্ক:আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন আদালত। চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ মোহা. রবিউল ইসলাম গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্তরা হলেন, কায়েতপাড়া গ্রামের মৃত দুখী পরামানিকের ছেলে আব্দার হোসেন (৪২), মৃত আনসার আলী ম-লের ছেলে ইউনুচ আলী (৫২) ও মৃত তাহাজ আলী ম-লের ছেলে মুনিয়ার ম-ল (৪৭) এবং পাশের রামদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মো. সলক (৪০) ও আমজেদ আলী জোয়ার্দ্দারের ছেলে কবির আলী জোয়ার্দ্দার (৩২)।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে বাওড় পাহারা দিয়ে ফেরার পথে জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার মাথায় ও বুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই জিয়ারের ভাই আসাদুল ম-ল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ এইচ এম লুৎফুল কবীর ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত এ মামলায় ১৯ জন সাক্ষীকে পরীক্ষা করেন। মামলা পর্যালোচনা শেষে দ-প্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তকালে পুলিশ জিয়াউর রহমান হত্যার মোটিভ উম্মোচন করতে সক্ষম হন। একই সঙ্গে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কায়েতপাড়া গ্রামের আব্দার হোসেন, ইউনুচ আলী, মনিয়ার ম-ল, কবির হোসেন ও সলককে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে আসামি সলক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আলোচিত এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পরিদর্শক এএইচ এম লুৎফুল কবীর তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চাজশির্ট দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত এ মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করেন। রায়ে আদালত অভিযুক্ত ৫ জনকে দ-বিধি ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদ-ে দ-িত করেন।
আলোচিত এ মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন ও আসামি পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দীন খাঁন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। এদিকে, রায় ঘোষণার পর আসামিদেরকে কঠোর নিরাপত্তায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।