রবিবার | ২৯ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo সুন্দরবনে ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু, প্রস্তুত মৌয়ালরা—তবে ডাকাত আতঙ্কে অনিশ্চয়তা Logo বীরগঞ্জে দুই সিনটা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী আটক Logo বীরগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ী হতে জ্বালানি তেল উদ্ধার Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলীর যোগদান Logo পলাশবাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলার লাল সংকেত: হামলা, হত্যাকাণ্ড ও কিশোর সহিংসতায় উদ্বেগজনক চিত্র Logo নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালি খুলতে হবে: ‘ট্রাম্প Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo ভান্ডারিয়ায় পূর্ব সত্রুতার জেরে হামলা আহত ১ Logo পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে গিয়ে ১ জনের মৃতু

আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জিয়ার হত্যা মামলার রায়

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৪১ বার পড়া হয়েছে

আবদার-সলক-ইউনুচসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড !
নিউজ ডেস্ক:আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন আদালত। চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ মোহা. রবিউল ইসলাম গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্তরা হলেন, কায়েতপাড়া গ্রামের মৃত দুখী পরামানিকের ছেলে আব্দার হোসেন (৪২), মৃত আনসার আলী ম-লের ছেলে ইউনুচ আলী (৫২) ও মৃত তাহাজ আলী ম-লের ছেলে মুনিয়ার ম-ল (৪৭) এবং পাশের রামদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মো. সলক (৪০) ও আমজেদ আলী জোয়ার্দ্দারের ছেলে কবির আলী জোয়ার্দ্দার (৩২)।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে বাওড় পাহারা দিয়ে ফেরার পথে জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার মাথায় ও বুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই জিয়ারের ভাই আসাদুল ম-ল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ এইচ এম লুৎফুল কবীর ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত এ মামলায় ১৯ জন সাক্ষীকে পরীক্ষা করেন। মামলা পর্যালোচনা শেষে দ-প্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তকালে পুলিশ জিয়াউর রহমান হত্যার মোটিভ উম্মোচন করতে সক্ষম হন। একই সঙ্গে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কায়েতপাড়া গ্রামের আব্দার হোসেন, ইউনুচ আলী, মনিয়ার ম-ল, কবির হোসেন ও সলককে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে আসামি সলক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আলোচিত এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পরিদর্শক এএইচ এম লুৎফুল কবীর তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চাজশির্ট দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত এ মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করেন। রায়ে আদালত অভিযুক্ত ৫ জনকে দ-বিধি ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদ-ে দ-িত করেন।
আলোচিত এ মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন ও আসামি পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দীন খাঁন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। এদিকে, রায় ঘোষণার পর আসামিদেরকে কঠোর নিরাপত্তায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু, প্রস্তুত মৌয়ালরা—তবে ডাকাত আতঙ্কে অনিশ্চয়তা

আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জিয়ার হত্যা মামলার রায়

আপডেট সময় : ১০:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯

আবদার-সলক-ইউনুচসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড !
নিউজ ডেস্ক:আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন আদালত। চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ মোহা. রবিউল ইসলাম গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্তরা হলেন, কায়েতপাড়া গ্রামের মৃত দুখী পরামানিকের ছেলে আব্দার হোসেন (৪২), মৃত আনসার আলী ম-লের ছেলে ইউনুচ আলী (৫২) ও মৃত তাহাজ আলী ম-লের ছেলে মুনিয়ার ম-ল (৪৭) এবং পাশের রামদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মো. সলক (৪০) ও আমজেদ আলী জোয়ার্দ্দারের ছেলে কবির আলী জোয়ার্দ্দার (৩২)।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে বাওড় পাহারা দিয়ে ফেরার পথে জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার মাথায় ও বুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই জিয়ারের ভাই আসাদুল ম-ল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ এইচ এম লুৎফুল কবীর ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত এ মামলায় ১৯ জন সাক্ষীকে পরীক্ষা করেন। মামলা পর্যালোচনা শেষে দ-প্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তকালে পুলিশ জিয়াউর রহমান হত্যার মোটিভ উম্মোচন করতে সক্ষম হন। একই সঙ্গে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কায়েতপাড়া গ্রামের আব্দার হোসেন, ইউনুচ আলী, মনিয়ার ম-ল, কবির হোসেন ও সলককে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে আসামি সলক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আলোচিত এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার তৎকালীন পরিদর্শক এএইচ এম লুৎফুল কবীর তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চাজশির্ট দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত এ মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করেন। রায়ে আদালত অভিযুক্ত ৫ জনকে দ-বিধি ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদ-ে দ-িত করেন।
আলোচিত এ মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন ও আসামি পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দীন খাঁন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন। এদিকে, রায় ঘোষণার পর আসামিদেরকে কঠোর নিরাপত্তায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।