শুক্রবার | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার Logo রাষ্ট্র বিনির্মাণের ডাক: সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ঝালকাঠিতে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo ১৭ জানুয়ারি বায়রার ভোট গ্রহণ: সিন্ডিকেট মুক্ত বায়রা গঠনে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টকে জয়যুক্ত করার আহ্বান Logo ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আগুন, অগ্নি দগ্ধ শিশু Logo ভারতীয় নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ

স্বর্ণ পাচার মামলায় রায় : মুন্সিগঞ্জ ও বরিশালের দুজনের ১৪ বছর করে কারাদন্ড

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:১৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গায় স্বর্ণ পাচারের আলাদা দুটি মামলায় দুজনকে ১৪ বছর করে কারাদ- দিয়েছেন স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদ- দেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক রবিউল ইসলাম জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন বরিশালের দরিকর উপজেলার বানুড়িপাড়া গ্রামের সাইদ নুরুল হকের ছেলে সৈয়দ রুমান (৩০) ও মুন্সিগঞ্জের দ্বীতপুর উপজেলার লোহজং গ্রামের সারাফাত শরীফের ছেলে মেসরিন আহমেদ (৪২)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ জুন সকালে দুইজন ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে স্বর্ণ পাচারের জন্য চুয়াডাঙ্গার জয়নগর চেকপোস্ট এলাকায় আসেন। সে সময় চুয়াডাঙ্গা বিজিবির দর্শনা আইসিপি বিওপির একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়নগর চেকপোস্ট এলাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার দ্বীতপুর গ্রামের মোহাম্মদ সারাফত শরিফের ছেলে মেসরিনসহ বরিশাল জেলার বানুরিপাড়া উপজেলার দরিশর গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সৈয়দ রুমনকে আটক করে। সে সময় আটক ওই আসামিদের শরীর তল্লাশি করে ১০৫ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়। পরে ওই ঘটনায় দর্শনা আইসিপি বিওপির হাবিলদার জাহাঙ্গীর হোসেন আটক আসামিদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে দামুড়হুদা থানায় পৃথক দুটি চোরাচালান মামলা করেন। পরে দামুড়হুদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন সরকার ও উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী আবু কাইয়ুম পৃথক ওই মামলা দুটি তদন্ত শেষে দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার মাস পর ওই মামলা দুটির সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গতকাল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা আদালতের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর অতিরিক্ত পুলিশ পাহারায় আসামিদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

স্বর্ণ পাচার মামলায় রায় : মুন্সিগঞ্জ ও বরিশালের দুজনের ১৪ বছর করে কারাদন্ড

আপডেট সময় : ০২:৩৭:১৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:চুয়াডাঙ্গায় স্বর্ণ পাচারের আলাদা দুটি মামলায় দুজনকে ১৪ বছর করে কারাদ- দিয়েছেন স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদ- দেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক রবিউল ইসলাম জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন বরিশালের দরিকর উপজেলার বানুড়িপাড়া গ্রামের সাইদ নুরুল হকের ছেলে সৈয়দ রুমান (৩০) ও মুন্সিগঞ্জের দ্বীতপুর উপজেলার লোহজং গ্রামের সারাফাত শরীফের ছেলে মেসরিন আহমেদ (৪২)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ জুন সকালে দুইজন ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে স্বর্ণ পাচারের জন্য চুয়াডাঙ্গার জয়নগর চেকপোস্ট এলাকায় আসেন। সে সময় চুয়াডাঙ্গা বিজিবির দর্শনা আইসিপি বিওপির একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়নগর চেকপোস্ট এলাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার দ্বীতপুর গ্রামের মোহাম্মদ সারাফত শরিফের ছেলে মেসরিনসহ বরিশাল জেলার বানুরিপাড়া উপজেলার দরিশর গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সৈয়দ রুমনকে আটক করে। সে সময় আটক ওই আসামিদের শরীর তল্লাশি করে ১০৫ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়। পরে ওই ঘটনায় দর্শনা আইসিপি বিওপির হাবিলদার জাহাঙ্গীর হোসেন আটক আসামিদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে দামুড়হুদা থানায় পৃথক দুটি চোরাচালান মামলা করেন। পরে দামুড়হুদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন সরকার ও উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী আবু কাইয়ুম পৃথক ওই মামলা দুটি তদন্ত শেষে দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার মাস পর ওই মামলা দুটির সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গতকাল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা আদালতের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর অতিরিক্ত পুলিশ পাহারায় আসামিদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।