রবিবার | ২৯ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় Logo সুন্দরবনে ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু, প্রস্তুত মৌয়ালরা—তবে ডাকাত আতঙ্কে অনিশ্চয়তা Logo বীরগঞ্জে দুই সিনটা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী আটক Logo বীরগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ী হতে জ্বালানি তেল উদ্ধার Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলীর যোগদান Logo পলাশবাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলার লাল সংকেত: হামলা, হত্যাকাণ্ড ও কিশোর সহিংসতায় উদ্বেগজনক চিত্র Logo নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালি খুলতে হবে: ‘ট্রাম্প Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo ভান্ডারিয়ায় পূর্ব সত্রুতার জেরে হামলা আহত ১

ঝিনাইদহে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:৪০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৫০ বার পড়া হয়েছে

তিন রাজাকারের তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত!
নিউজ ডেস্ক:একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঝিনাইদহ জেলার হলিধানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ফলে বিচারের কাঠগড়ায় উঠতে হচ্ছে তাঁদের। গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন চূড়ান্তের কথা জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম সানাউল হক। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ৭৫তম প্রতিবেদন। দুটি অভিযোগ তদন্ত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক খান। যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে, তাঁদের দুজন হলেন রাজাকার মো. আবদুর রশিদ মিয়া (৬৬), মো. সাহেব আলী মালিথা (৬৮) ও আছমত আলী। গত ২১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা মোতাবেক ঝিনাইদহ পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় পাঠায়। এর মধ্যে কোলা গ্রামের আব্দুল গণি ম-লের ছেলে আছমত রাজাকার পলাতক রয়েছেন। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুলের প্রসিকিউশনের কাছে দাখিলের কথা জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।
এদিকে, গ্রেপ্তারের পরই আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে আব্দুর রশিদকে। তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এ রাজাকার পরিবারের সন্তানেরা যুবলীগ ও মহিলা লীগের বিভিন্ন পদে বহাল রয়েছেন। রাজাকারের নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে প্রতিবন্ধী স্কুল। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেও পরিবারটি আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছে। ক্ষমতা প্রভাব ও প্রতিপত্তি গড়ে তুলে গোটা হলিধানী ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে আব্দুর রশিদ পরিবার। ইউনিয়নবাসী এই রাজাকার পরিবারের প্রতি প্রশাসন ও সরকারি দলের কতিপয় নেতার কেন এত দুর্বলতা, তা তদন্ত করে দেখতে দলীয় সভানেত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ঝিনাইদহে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

আপডেট সময় : ০৬:১৬:৪০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯

তিন রাজাকারের তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত!
নিউজ ডেস্ক:একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঝিনাইদহ জেলার হলিধানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ফলে বিচারের কাঠগড়ায় উঠতে হচ্ছে তাঁদের। গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন চূড়ান্তের কথা জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম সানাউল হক। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ৭৫তম প্রতিবেদন। দুটি অভিযোগ তদন্ত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক খান। যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে, তাঁদের দুজন হলেন রাজাকার মো. আবদুর রশিদ মিয়া (৬৬), মো. সাহেব আলী মালিথা (৬৮) ও আছমত আলী। গত ২১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা মোতাবেক ঝিনাইদহ পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় পাঠায়। এর মধ্যে কোলা গ্রামের আব্দুল গণি ম-লের ছেলে আছমত রাজাকার পলাতক রয়েছেন। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুলের প্রসিকিউশনের কাছে দাখিলের কথা জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।
এদিকে, গ্রেপ্তারের পরই আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে আব্দুর রশিদকে। তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এ রাজাকার পরিবারের সন্তানেরা যুবলীগ ও মহিলা লীগের বিভিন্ন পদে বহাল রয়েছেন। রাজাকারের নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে প্রতিবন্ধী স্কুল। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেও পরিবারটি আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছে। ক্ষমতা প্রভাব ও প্রতিপত্তি গড়ে তুলে গোটা হলিধানী ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে আব্দুর রশিদ পরিবার। ইউনিয়নবাসী এই রাজাকার পরিবারের প্রতি প্রশাসন ও সরকারি দলের কতিপয় নেতার কেন এত দুর্বলতা, তা তদন্ত করে দেখতে দলীয় সভানেত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন।