বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার Logo রাষ্ট্র বিনির্মাণের ডাক: সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ঝালকাঠিতে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo শেরপুরে বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo ১৭ জানুয়ারি বায়রার ভোট গ্রহণ: সিন্ডিকেট মুক্ত বায়রা গঠনে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টকে জয়যুক্ত করার আহ্বান Logo ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আগুন, অগ্নি দগ্ধ শিশু Logo ভারতীয় নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ

ঝিনাইদহে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:৪০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

তিন রাজাকারের তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত!
নিউজ ডেস্ক:একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঝিনাইদহ জেলার হলিধানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ফলে বিচারের কাঠগড়ায় উঠতে হচ্ছে তাঁদের। গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন চূড়ান্তের কথা জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম সানাউল হক। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ৭৫তম প্রতিবেদন। দুটি অভিযোগ তদন্ত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক খান। যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে, তাঁদের দুজন হলেন রাজাকার মো. আবদুর রশিদ মিয়া (৬৬), মো. সাহেব আলী মালিথা (৬৮) ও আছমত আলী। গত ২১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা মোতাবেক ঝিনাইদহ পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় পাঠায়। এর মধ্যে কোলা গ্রামের আব্দুল গণি ম-লের ছেলে আছমত রাজাকার পলাতক রয়েছেন। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুলের প্রসিকিউশনের কাছে দাখিলের কথা জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।
এদিকে, গ্রেপ্তারের পরই আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে আব্দুর রশিদকে। তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এ রাজাকার পরিবারের সন্তানেরা যুবলীগ ও মহিলা লীগের বিভিন্ন পদে বহাল রয়েছেন। রাজাকারের নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে প্রতিবন্ধী স্কুল। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেও পরিবারটি আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছে। ক্ষমতা প্রভাব ও প্রতিপত্তি গড়ে তুলে গোটা হলিধানী ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে আব্দুর রশিদ পরিবার। ইউনিয়নবাসী এই রাজাকার পরিবারের প্রতি প্রশাসন ও সরকারি দলের কতিপয় নেতার কেন এত দুর্বলতা, তা তদন্ত করে দেখতে দলীয় সভানেত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

ঝিনাইদহে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

আপডেট সময় : ০৬:১৬:৪০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯

তিন রাজাকারের তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত!
নিউজ ডেস্ক:একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঝিনাইদহ জেলার হলিধানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ফলে বিচারের কাঠগড়ায় উঠতে হচ্ছে তাঁদের। গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন চূড়ান্তের কথা জানান সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম সানাউল হক। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ৭৫তম প্রতিবেদন। দুটি অভিযোগ তদন্ত করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক খান। যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে, তাঁদের দুজন হলেন রাজাকার মো. আবদুর রশিদ মিয়া (৬৬), মো. সাহেব আলী মালিথা (৬৮) ও আছমত আলী। গত ২১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা মোতাবেক ঝিনাইদহ পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় পাঠায়। এর মধ্যে কোলা গ্রামের আব্দুল গণি ম-লের ছেলে আছমত রাজাকার পলাতক রয়েছেন। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুলের প্রসিকিউশনের কাছে দাখিলের কথা জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।
এদিকে, গ্রেপ্তারের পরই আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে আব্দুর রশিদকে। তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এ রাজাকার পরিবারের সন্তানেরা যুবলীগ ও মহিলা লীগের বিভিন্ন পদে বহাল রয়েছেন। রাজাকারের নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে প্রতিবন্ধী স্কুল। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেও পরিবারটি আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছে। ক্ষমতা প্রভাব ও প্রতিপত্তি গড়ে তুলে গোটা হলিধানী ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে আব্দুর রশিদ পরিবার। ইউনিয়নবাসী এই রাজাকার পরিবারের প্রতি প্রশাসন ও সরকারি দলের কতিপয় নেতার কেন এত দুর্বলতা, তা তদন্ত করে দেখতে দলীয় সভানেত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন।