সোমবার | ৩০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় Logo সুন্দরবনে ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ মৌসুম শুরু, প্রস্তুত মৌয়ালরা—তবে ডাকাত আতঙ্কে অনিশ্চয়তা Logo বীরগঞ্জে দুই সিনটা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী আটক Logo বীরগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ী হতে জ্বালানি তেল উদ্ধার Logo চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলীর যোগদান Logo পলাশবাড়ীতে আইন-শৃঙ্খলার লাল সংকেত: হামলা, হত্যাকাণ্ড ও কিশোর সহিংসতায় উদ্বেগজনক চিত্র Logo নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালি খুলতে হবে: ‘ট্রাম্প Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo ভান্ডারিয়ায় পূর্ব সত্রুতার জেরে হামলা আহত ১

দর্শনায় ট্রেনে মাথা দিয়ে দেলু কবিরাজ আত্মহত্যা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯
  • ৭৪১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:দর্শনায় বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু কবিরাজ (৫৯) নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দর্শনা হল্ট স্টেশনের অদূরে আকন্দবাড়িয়া কেরুজ জৈব সার কারখানার নিকটবর্তী রেললাইনের ছোট পোল ব্রিজের নিকট এ ঘটনা ঘটে। এতে দেলোয়ারের শরীর থেকে মাথা বিছিন্ন হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দেলু কবিরাজ জীবননগর উপজেলার বেনীপুর ধান্যখোলা গ্রামের মাঝপাড়ার মৃত আদিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেলোয়ার হোসেন কবিরাজ দর্শনা হল্ট স্টেশনের অদূরে কেরুজ জৈব সার কারখানার নিবটবর্তী ছোটপোল রেললাইনের ব্রিজ নামক স্থানে ঘুরাঘুরি করছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যশোর বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। পরে সেখানে কয়েকজন বালক ছুটে গিয়ে দেখে ট্রেনের চাকায় দেলোয়ারের দেহ থেকে মাথা দ্বিখ-িত দেকতে পান।
আকন্দবাড়ীয়া গ্রামসূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন চার পুত্র সন্তানের জনক। তিনি একজন কবিরাজ। তাঁর বাড়ি জীবননগর উপজেলার বেনীপুর ধান্যখোলা গ্রামের মাঝের পাড়ায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজের সূত্র ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের আকন্দবাড়িয়া গ্রামে বিভিন্ন রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে আসছে। তিনি আত্মহত্যার আগমূহুর্তে আকন্দবাড়িয়া গ্রামের বেশ কয়েকজন রোগীকে কবিরাজি চিকিৎসা দেন। এরপর গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বসে চা-পান করতেও দেখা যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহবুবুর রহমান ও দর্শনা হল্ট স্টেশন জিআরপি পুলিশের ইনচার্জ তবিবুর রহমান। দর্শনা হল্ট স্টেশন জিআরপি পুলিশের ইনচার্জ তবিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার স্থলে পৌঁছে নিহত ব্যক্তির সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত দেলু কবিরাজের ছোট ছেলে খাইরুল ইসলামের লাশ তাঁর পিতার বলে শনাক্ত করেন। আত্মহত্যাকারী দেলোয়ার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর ধান্যখোলা গ্রামের মাঝপাড়ার মৃত আদিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। এ মৃত্যু ঘটনায় পোড়াদহ জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনুমোদনের পর লাশের ময়নাতদন্ত ছাড়ায় গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে পরিবারের কাছে দেলোয়ার কবিরাজের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় জিআরপি পুলিশ।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএড প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়ালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

দর্শনায় ট্রেনে মাথা দিয়ে দেলু কবিরাজ আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১১:২৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:দর্শনায় বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু কবিরাজ (৫৯) নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দর্শনা হল্ট স্টেশনের অদূরে আকন্দবাড়িয়া কেরুজ জৈব সার কারখানার নিকটবর্তী রেললাইনের ছোট পোল ব্রিজের নিকট এ ঘটনা ঘটে। এতে দেলোয়ারের শরীর থেকে মাথা বিছিন্ন হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দেলু কবিরাজ জীবননগর উপজেলার বেনীপুর ধান্যখোলা গ্রামের মাঝপাড়ার মৃত আদিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেলোয়ার হোসেন কবিরাজ দর্শনা হল্ট স্টেশনের অদূরে কেরুজ জৈব সার কারখানার নিবটবর্তী ছোটপোল রেললাইনের ব্রিজ নামক স্থানে ঘুরাঘুরি করছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যশোর বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। পরে সেখানে কয়েকজন বালক ছুটে গিয়ে দেখে ট্রেনের চাকায় দেলোয়ারের দেহ থেকে মাথা দ্বিখ-িত দেকতে পান।
আকন্দবাড়ীয়া গ্রামসূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন চার পুত্র সন্তানের জনক। তিনি একজন কবিরাজ। তাঁর বাড়ি জীবননগর উপজেলার বেনীপুর ধান্যখোলা গ্রামের মাঝের পাড়ায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজের সূত্র ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের আকন্দবাড়িয়া গ্রামে বিভিন্ন রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে আসছে। তিনি আত্মহত্যার আগমূহুর্তে আকন্দবাড়িয়া গ্রামের বেশ কয়েকজন রোগীকে কবিরাজি চিকিৎসা দেন। এরপর গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বসে চা-পান করতেও দেখা যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহবুবুর রহমান ও দর্শনা হল্ট স্টেশন জিআরপি পুলিশের ইনচার্জ তবিবুর রহমান। দর্শনা হল্ট স্টেশন জিআরপি পুলিশের ইনচার্জ তবিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার স্থলে পৌঁছে নিহত ব্যক্তির সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত দেলু কবিরাজের ছোট ছেলে খাইরুল ইসলামের লাশ তাঁর পিতার বলে শনাক্ত করেন। আত্মহত্যাকারী দেলোয়ার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর ধান্যখোলা গ্রামের মাঝপাড়ার মৃত আদিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। এ মৃত্যু ঘটনায় পোড়াদহ জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনুমোদনের পর লাশের ময়নাতদন্ত ছাড়ায় গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে পরিবারের কাছে দেলোয়ার কবিরাজের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় জিআরপি পুলিশ।