বৃহস্পতিবার | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত Logo খুবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বৈশ্বিক মানসম্পন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা হবে: উপাচার্য Logo রোজা শুরু বৃহস্পতিবার Logo পলাশবাড়ীতে যুবদল নেতার ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় প্রতিবাদ সমাবেশ Logo পলাশবাড়ীতে জামায়াতের হামলায় বিএনপি’র এজেন্ট নারী কর্মীসহ ২ জন আহত  Logo ঝিনাইদহে জাহেদী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষে মাসব্যাপী খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু, আজনতার অভিনন্দন Logo দক্ষিণ চট্টগ্রামে বুধবার রোজা শুরু করবেন যারা- Logo রমজানে ৩০০ অসহায় পরিবারের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি Logo ভুট্টায় বিষাক্ত রং মিশিয়ে পশুখাদ্য তৈরি, মিল মালিকের লাখ টাকা জরিমানা Logo শতাধিক নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে চাঁদপুরে বিজয়ীর উদ্যোগে বসন্ত বরন উৎসব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ, রোগীদের ভোগান্তি!

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯
  • ৭৪০ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন অকেজো

নিউজ ডেস্ক:আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়তই উন্নত হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। আধুনিকায়ন হচ্ছে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতিগুলোও। শরীরের ভেতর হাড়ের অবস্থা দেখতে ব্যবহার করা হয় এক্স-রে মেশিন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্তমানে এক্স-রে মেশিনও হয়েছে উন্নত প্রযুক্তির। নিখুঁত ও সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে চিকিৎসকেরা ব্যবহার করছেন ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন। ফলে রোগীদের আরও উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। তবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন অকেজো থাকায় এর সেবা পাচ্ছে না রোগীরা। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। যেখানে হাসপাতালে দুই শ টাকায় ডিজিটাল এক্স-রে করাতে পারত রোগীরা, সেখানে মেশিনটি নষ্ট হওয়াই চার শ থেকে পাঁচ শ টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়তই উন্নত হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। আধুনিকায়ন হচ্ছে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতিগুলোও। শরীরের ভেতর হাড়ের অবস্থা দেখতে ব্যবহার করা হয় এক্স-রে মেশিন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্তমানে এক্স-রে মেশিনও হয়েছে উন্নত প্রযুক্তির। নিখুঁত ও সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে চিকিৎসকেরা ব্যবহার করছেন ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন। ফলে রোগীদের আরও উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। তবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন অকেজো থাকায় এর সেবা পাচ্ছে না রোগীরা। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। যেখানে হাসপাতালে দুই শ টাকায় ডিজিটাল এক্স-রে করাতে পারত রোগীরা, সেখানে মেশিনটি নষ্ট হওয়াই চার শ থেকে পাঁচ শ টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের।  জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ফিতা কেটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। মেশিনে হাত রেখে নিজ হাতের ডিজিটাল এক্স-রে করিয়ে মেশিনটির প্রথম ডিজিটাল এক্স-রে করান তিনি। এরপর থেকে কম খরচে হাসপাতাল থেকেই রোগীদের ডিজিটাল এক্স-রে সুবিধা দেওয়া শুরু হয়। তবে বেশি দিন সে সুবিধা পায়নি রোগীরা। মাত্র কয়েক মাস চলার পরই নষ্ট হয়ে যায় ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনটি। বর্তমানে হাসপাতালে শুধুমাত্র অ্যানালগ এক্স-রে করানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে হাসপাতালের টিথ এক্স-রে মেশিনটিও। ঈদের পর মেশিনটি মেরামতের কথা থাকলেও তা আজও মেরামত হয়নি।  এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শামীম কবির বলেন, ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনটির একটি আইসি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে বর্তমানে ডিজিটাল এক্স-রে করানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে মেশিনটি মেরামতের ব্যাপারে কথা হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি মেশিনটি ঠিক করা হবে। মেশিনটি ঠিক হয়ে গেলেই রোগীরা আবার হাসপাতালেই ডিজিটাল এক্স-রে করাতে পারবে। বর্তমানে ডিজিটাল এক্স-রে করানো সম্ভব না হলেও অ্যানালগ এক্স-রে যথারীতি চালু রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত

গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ, রোগীদের ভোগান্তি!

আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন অকেজো

নিউজ ডেস্ক:আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়তই উন্নত হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। আধুনিকায়ন হচ্ছে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতিগুলোও। শরীরের ভেতর হাড়ের অবস্থা দেখতে ব্যবহার করা হয় এক্স-রে মেশিন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্তমানে এক্স-রে মেশিনও হয়েছে উন্নত প্রযুক্তির। নিখুঁত ও সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে চিকিৎসকেরা ব্যবহার করছেন ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন। ফলে রোগীদের আরও উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। তবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন অকেজো থাকায় এর সেবা পাচ্ছে না রোগীরা। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। যেখানে হাসপাতালে দুই শ টাকায় ডিজিটাল এক্স-রে করাতে পারত রোগীরা, সেখানে মেশিনটি নষ্ট হওয়াই চার শ থেকে পাঁচ শ টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়তই উন্নত হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। আধুনিকায়ন হচ্ছে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতিগুলোও। শরীরের ভেতর হাড়ের অবস্থা দেখতে ব্যবহার করা হয় এক্স-রে মেশিন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্তমানে এক্স-রে মেশিনও হয়েছে উন্নত প্রযুক্তির। নিখুঁত ও সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে চিকিৎসকেরা ব্যবহার করছেন ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন। ফলে রোগীদের আরও উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। তবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন অকেজো থাকায় এর সেবা পাচ্ছে না রোগীরা। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে হাসপাতালের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। যেখানে হাসপাতালে দুই শ টাকায় ডিজিটাল এক্স-রে করাতে পারত রোগীরা, সেখানে মেশিনটি নষ্ট হওয়াই চার শ থেকে পাঁচ শ টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের।  জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ফিতা কেটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। মেশিনে হাত রেখে নিজ হাতের ডিজিটাল এক্স-রে করিয়ে মেশিনটির প্রথম ডিজিটাল এক্স-রে করান তিনি। এরপর থেকে কম খরচে হাসপাতাল থেকেই রোগীদের ডিজিটাল এক্স-রে সুবিধা দেওয়া শুরু হয়। তবে বেশি দিন সে সুবিধা পায়নি রোগীরা। মাত্র কয়েক মাস চলার পরই নষ্ট হয়ে যায় ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনটি। বর্তমানে হাসপাতালে শুধুমাত্র অ্যানালগ এক্স-রে করানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে হাসপাতালের টিথ এক্স-রে মেশিনটিও। ঈদের পর মেশিনটি মেরামতের কথা থাকলেও তা আজও মেরামত হয়নি।  এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শামীম কবির বলেন, ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনটির একটি আইসি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে বর্তমানে ডিজিটাল এক্স-রে করানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে মেশিনটি মেরামতের ব্যাপারে কথা হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি মেশিনটি ঠিক করা হবে। মেশিনটি ঠিক হয়ে গেলেই রোগীরা আবার হাসপাতালেই ডিজিটাল এক্স-রে করাতে পারবে। বর্তমানে ডিজিটাল এক্স-রে করানো সম্ভব না হলেও অ্যানালগ এক্স-রে যথারীতি চালু রয়েছে।