রবিবার | ৫ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করব : মির্জা ফখরুল Logo বীরগঞ্জ ক্লিনিকে সিজারে প্রসূতির মৃত্যু, কর্তৃপক্ষ পলাতক Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রাইভেট কার জব্দ, চালক পলাতক Logo খুলনায় অপহৃত শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেফতার Logo দেশে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে Logo গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে চাঁদপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩ বছর পূর্তি উদযাপন Logo খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন,বিচার দাবিতে ডিবি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা Logo ইবিস্থ নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সোহরাব ও রাজীব

ঝিনাইদহে সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ-

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৪০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১ জুলাই ২০১৯
  • ৭৫২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহে পৃথক তিনটি মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম, দ্বিতীয় ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জি আযম হত্যা, বিস্ফোরক ও মাদক মামলায় এ রায় প্রদান করেন। দ-িত ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাজিডাঙ্গা গ্রামের মৃত আফজাল ম-লের ছেলে নাজিম উদ্দিন, মায়াধরপুর গ্রামের মজিবর ম-লের ছেলে আসমত আলী, শ্রীপুর গ্রামের মৃত হাজারী ম-লের ছেলে তক্কেল ম-ল, কুটিদুর্গাপুর গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলাম ভুটান, মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়ীয়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, মফিজ উদ্দিনের মেয়ে রাবেয়া খাতুন ও খলিলুর রহমানের স্ত্রী মজিদা খাতুন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে আব্দুল গণিকে বোমা মেরে হত্যা করেন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা। এ ঘটনায় পরদিন নিহত ব্যক্তির ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় চারজনকে আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। ওই বছরেই পুলিশ চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নাজিম উদ্দিন, আসমত, তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন, জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলায় তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটান পলাতক রয়েছেন।
অপরদিকে ২০১৩ সালের ২৫ জুলাই মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর বাজার থেকে ফেনসিডিলসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিন পুলিশ বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মাদক মামলা করে। তদন্ত শেষে ওই বছরের শেষের দিকে পুলিশ আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আমেনা খাতুন, মজিদা খাতুন ও রাবেয়া খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলার অপর আসামি তারা মিয়া বর্তমানে মৃত ও রাবেয়া খাতুন এবং আমেনা খাতুন পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করব : মির্জা ফখরুল

ঝিনাইদহে সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ-

আপডেট সময় : ১০:২৪:৪০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১ জুলাই ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহে পৃথক তিনটি মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম, দ্বিতীয় ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জি আযম হত্যা, বিস্ফোরক ও মাদক মামলায় এ রায় প্রদান করেন। দ-িত ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাজিডাঙ্গা গ্রামের মৃত আফজাল ম-লের ছেলে নাজিম উদ্দিন, মায়াধরপুর গ্রামের মজিবর ম-লের ছেলে আসমত আলী, শ্রীপুর গ্রামের মৃত হাজারী ম-লের ছেলে তক্কেল ম-ল, কুটিদুর্গাপুর গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলাম ভুটান, মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়ীয়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, মফিজ উদ্দিনের মেয়ে রাবেয়া খাতুন ও খলিলুর রহমানের স্ত্রী মজিদা খাতুন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে আব্দুল গণিকে বোমা মেরে হত্যা করেন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা। এ ঘটনায় পরদিন নিহত ব্যক্তির ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় চারজনকে আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। ওই বছরেই পুলিশ চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নাজিম উদ্দিন, আসমত, তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন, জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলায় তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটান পলাতক রয়েছেন।
অপরদিকে ২০১৩ সালের ২৫ জুলাই মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর বাজার থেকে ফেনসিডিলসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিন পুলিশ বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মাদক মামলা করে। তদন্ত শেষে ওই বছরের শেষের দিকে পুলিশ আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আমেনা খাতুন, মজিদা খাতুন ও রাবেয়া খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলার অপর আসামি তারা মিয়া বর্তমানে মৃত ও রাবেয়া খাতুন এবং আমেনা খাতুন পলাতক রয়েছেন।