বৃহস্পতিবার | ১ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo রাতে হাসপাতাল ও এতিমখানায় গিয়ে কম্বল বিতরণ করলেন ইউএনও Logo জন্মদিন পালন না করে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার আয়োজন জাবি ছাত্রদল নেতার Logo পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন Logo তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চাঁদপুরে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত Logo অস্ত্র কিনতে এসে খাগড়াছড়িতে আটক রাঙ্গুনিয়ার আইয়ুব Logo ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ভাঙল তাপমাত্রার রেকর্ড Logo বিশ্বব্যাপী ‘বিভাজন’ বিশ্বের সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে : জাতিসংঘের শরণার্থী প্রধান Logo সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে Logo বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নেবেন পাকিস্তানের স্পিকার Logo বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেত্রী ও দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ

ঝিনাইদহে সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ-

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৪০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১ জুলাই ২০১৯
  • ৭৪৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহে পৃথক তিনটি মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম, দ্বিতীয় ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জি আযম হত্যা, বিস্ফোরক ও মাদক মামলায় এ রায় প্রদান করেন। দ-িত ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাজিডাঙ্গা গ্রামের মৃত আফজাল ম-লের ছেলে নাজিম উদ্দিন, মায়াধরপুর গ্রামের মজিবর ম-লের ছেলে আসমত আলী, শ্রীপুর গ্রামের মৃত হাজারী ম-লের ছেলে তক্কেল ম-ল, কুটিদুর্গাপুর গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলাম ভুটান, মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়ীয়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, মফিজ উদ্দিনের মেয়ে রাবেয়া খাতুন ও খলিলুর রহমানের স্ত্রী মজিদা খাতুন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে আব্দুল গণিকে বোমা মেরে হত্যা করেন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা। এ ঘটনায় পরদিন নিহত ব্যক্তির ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় চারজনকে আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। ওই বছরেই পুলিশ চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নাজিম উদ্দিন, আসমত, তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন, জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলায় তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটান পলাতক রয়েছেন।
অপরদিকে ২০১৩ সালের ২৫ জুলাই মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর বাজার থেকে ফেনসিডিলসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিন পুলিশ বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মাদক মামলা করে। তদন্ত শেষে ওই বছরের শেষের দিকে পুলিশ আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আমেনা খাতুন, মজিদা খাতুন ও রাবেয়া খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলার অপর আসামি তারা মিয়া বর্তমানে মৃত ও রাবেয়া খাতুন এবং আমেনা খাতুন পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাতে হাসপাতাল ও এতিমখানায় গিয়ে কম্বল বিতরণ করলেন ইউএনও

ঝিনাইদহে সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ-

আপডেট সময় : ১০:২৪:৪০ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১ জুলাই ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:ঝিনাইদহে পৃথক তিনটি মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম, দ্বিতীয় ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জি আযম হত্যা, বিস্ফোরক ও মাদক মামলায় এ রায় প্রদান করেন। দ-িত ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাজিডাঙ্গা গ্রামের মৃত আফজাল ম-লের ছেলে নাজিম উদ্দিন, মায়াধরপুর গ্রামের মজিবর ম-লের ছেলে আসমত আলী, শ্রীপুর গ্রামের মৃত হাজারী ম-লের ছেলে তক্কেল ম-ল, কুটিদুর্গাপুর গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলাম ভুটান, মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়ীয়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, মফিজ উদ্দিনের মেয়ে রাবেয়া খাতুন ও খলিলুর রহমানের স্ত্রী মজিদা খাতুন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে আব্দুল গণিকে বোমা মেরে হত্যা করেন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা। এ ঘটনায় পরদিন নিহত ব্যক্তির ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় চারজনকে আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। ওই বছরেই পুলিশ চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নাজিম উদ্দিন, আসমত, তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন, জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলায় তক্কেল ও নজরুল ইসলাম ভুটান পলাতক রয়েছেন।
অপরদিকে ২০১৩ সালের ২৫ জুলাই মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর বাজার থেকে ফেনসিডিলসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিন পুলিশ বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মাদক মামলা করে। তদন্ত শেষে ওই বছরের শেষের দিকে পুলিশ আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আমেনা খাতুন, মজিদা খাতুন ও রাবেয়া খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। এ মামলার অপর আসামি তারা মিয়া বর্তমানে মৃত ও রাবেয়া খাতুন এবং আমেনা খাতুন পলাতক রয়েছেন।