সোমবার | ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা Logo জীবননগরে বাবু খানরে নেতৃত্বে এক কিলোমিটারজুড়ে বিএনপির গণমিছিল Logo বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণে বিএনপির পক্ষে ভোট চাইলেন জাবি শিক্ষকরা Logo আগামীর রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায় ও ইনসাফের অঙ্গীকার: কয়রায় জামায়াতের জনসমাবেশ Logo হাইমচরে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সমর্থনে বিশাল জনসভা Logo চাঁদপুর ৩ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়ার নির্বাচনী গনমিছিল Logo ফরিদগঞ্জে হাতপাখার সমর্থনে বিশাল সমাবেশ Logo প্রাথমিকে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেল আব্দুল্লাহ আরিয়ান রাকিন Logo গাইবান্ধার ০৩ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ভোটারদের ভূমিকা এমপি নির্বাচনে অনেকটাই ভাগ্য নির্ধারক হিসেবে দেখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা  Logo চাঁদপুরে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শিতের শুরুতেই ঝিনাইদহে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
  • ৭৫১ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শিতের শুরুতেই ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলা জুড়েই ঝিনাইদহে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে গাছীরা। জেলা সদরের সাধুহাটি এলাকা সহ হরিণাকুন্ডু উপজেলার গাছিরাও খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছে। বিভিন্ন গ্রামের গাছিদের সাথে মত বিনিময় করে জানা যায় একাটি খেজুর গাছ থেকে রস পেতে হলে প্রায় চল্লিশ দিন বিভিন্ন পর্যায়ের পরিচর্যা করতে হয়, তারপর রস আহরণের পালা। তাহেরহুদা গ্রামের কাশেম, মান্দারতলা গ্রামের আকুল আলী, শ্রীপুর গ্রামের খাকচার গাছি জামান কার্তিক মাসের শুরুতে গাছ ঝোড়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকান্ড শুরু হয় চৈত্র মাস পর্যন্ত আমরা রস আহরণ করতে পারি। প্রথম পর্যায়ে গাছ ঝোড়া হয়, দ্বিতীয় পর্যায়ে দশ দিন পর চাচ দেওয়া হয়, তৃতীয় পর্যায়ে আরও দশদিন পর নলীমারা বা বাঁশের কাঠি পোতা হয়, চতুর্থ পর্যায়ে দশ থেকে বারদিন পর ফুল চাচ দেওয়া হয় তখন গাছ থেকে যে রস আসে তাকে বেগোর রস বলে এরপর দুই তিন বার চাচ দেওয়ার পর যে রস আসে তাকে মোচার রস বলে এই রস খেতে খুব স্বুসাধু গাছিরা গাছকাটা কাজে ব্যবহার করে গাছি দা বা ছোল এই ধারালো অস্ত্রটি রাখার জন্য বাঁশের চটা দিয়ে তৈরি পাত্রটির নাম দা খাচি গাছিরা মাজা ও গাছের সাথে বেড় দিয়ে আটকানো মোটা দড়িকে বলে গাছদড়া যেটা দ্বারা তারা গাছে ঝুলে থেকে গাছে চাচ দেয়। খেজুরের রস প্রধানত চার প্রকারঃ জিড়েন রস, সাঁজ বা সন্ধ্যা রস, বাসি রস বা ভোর বেলার রস এবং উলারস। সাজরস খেতে খুব স্বুসাধু হয় সাধারনত গ্রাম ও শহরের মানুষ শখ করে সন্ধ্যায় এইরস খায় বাঁশিরস দিয়ে সাধারণত পিঠা ভেজানো, নলীনি গুড়, পাটালি তৈরী কওে গাছিরা এবং উলারস থেকে চিটা গুড়, ঝোল গুড় ও গ্যাদোর পাটালি তৈরি করে বাজার জাত করা হয় যাদিয়ে মা চাচীরা মোয়া মুড়কি সহ কুলের আচার ও গবাদি পশুর ঘাসের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শিতের শুরুতেই ঝিনাইদহে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শিতের শুরুতেই ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলা জুড়েই ঝিনাইদহে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে গাছীরা। জেলা সদরের সাধুহাটি এলাকা সহ হরিণাকুন্ডু উপজেলার গাছিরাও খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছে। বিভিন্ন গ্রামের গাছিদের সাথে মত বিনিময় করে জানা যায় একাটি খেজুর গাছ থেকে রস পেতে হলে প্রায় চল্লিশ দিন বিভিন্ন পর্যায়ের পরিচর্যা করতে হয়, তারপর রস আহরণের পালা। তাহেরহুদা গ্রামের কাশেম, মান্দারতলা গ্রামের আকুল আলী, শ্রীপুর গ্রামের খাকচার গাছি জামান কার্তিক মাসের শুরুতে গাছ ঝোড়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকান্ড শুরু হয় চৈত্র মাস পর্যন্ত আমরা রস আহরণ করতে পারি। প্রথম পর্যায়ে গাছ ঝোড়া হয়, দ্বিতীয় পর্যায়ে দশ দিন পর চাচ দেওয়া হয়, তৃতীয় পর্যায়ে আরও দশদিন পর নলীমারা বা বাঁশের কাঠি পোতা হয়, চতুর্থ পর্যায়ে দশ থেকে বারদিন পর ফুল চাচ দেওয়া হয় তখন গাছ থেকে যে রস আসে তাকে বেগোর রস বলে এরপর দুই তিন বার চাচ দেওয়ার পর যে রস আসে তাকে মোচার রস বলে এই রস খেতে খুব স্বুসাধু গাছিরা গাছকাটা কাজে ব্যবহার করে গাছি দা বা ছোল এই ধারালো অস্ত্রটি রাখার জন্য বাঁশের চটা দিয়ে তৈরি পাত্রটির নাম দা খাচি গাছিরা মাজা ও গাছের সাথে বেড় দিয়ে আটকানো মোটা দড়িকে বলে গাছদড়া যেটা দ্বারা তারা গাছে ঝুলে থেকে গাছে চাচ দেয়। খেজুরের রস প্রধানত চার প্রকারঃ জিড়েন রস, সাঁজ বা সন্ধ্যা রস, বাসি রস বা ভোর বেলার রস এবং উলারস। সাজরস খেতে খুব স্বুসাধু হয় সাধারনত গ্রাম ও শহরের মানুষ শখ করে সন্ধ্যায় এইরস খায় বাঁশিরস দিয়ে সাধারণত পিঠা ভেজানো, নলীনি গুড়, পাটালি তৈরী কওে গাছিরা এবং উলারস থেকে চিটা গুড়, ঝোল গুড় ও গ্যাদোর পাটালি তৈরি করে বাজার জাত করা হয় যাদিয়ে মা চাচীরা মোয়া মুড়কি সহ কুলের আচার ও গবাদি পশুর ঘাসের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়।