বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

মঙ্গলে ফের যান পাঠাবে নাসা !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৬ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৮১৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মঙ্গলে পরবর্তী মিশনের জন্য তৈরি হচ্ছে নাসা। মিশনের নাম ইনসাইট।
২০১৮ সালে মিশনটি শুরু হবে। মঙ্গলকে আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করতে ইনসাইট কাজ করবে বলে নাসা সূত্রে জানানো হয়েছে। ইনসাইট (InSight) এর সম্পূর্ণ কথা ইন্টিরিয়র এক্সপ্লোশন ইউজিং সেইসমিক ইনভেস্টিগেশনস, জিওডেসি অ্যান্ড হিট ট্রান্সপোর্ট৷ পরের বছর ৮ মে ক্যার্লিফোর্নিয়ার ভেন্ডেনবার্গ এয়ার ফোর্স থেকে মিশনটি শুরু হওয়ার কথা৷ মঙ্গলে যানটি নামবে অক্টোবর নাগাদ৷ পৃথিবী সহ অন্যান্য গ্রহগুলি কীভাবে তৈরি হল, তা নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণা করা হবে এই মিশনে৷

নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির ব্রুস বানের্ড একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন৷ সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ৩ বিলিয়ন বছরে পৃথিবীতে যতটা পরিবর্তন হয়েছে, মঙ্গলে হয়নি৷ মঙ্গলে তাই অনেক প্রমাণ সঞ্চিত রয়েছে৷ তাই আমাদের গ্রহের থেকে গ্রহের শৈশব অবস্থা মঙ্গলেই ধরা পড়বে বেশি৷

২০৩০ সালে মঙ্গলে মানুষ পাঠাবে নাসা৷ তাই তার আগে গ্রহটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে চাইছে তারা৷ এরপর রোবোটিক পরীক্ষা হবে৷ তারপর মঙ্গলে মানুষ পাঠানো হবে৷ মঙ্গলের বিষুবরেখা বরাবর একটি স্টেশনারি ল্যান্ডার স্থাপন করবে নাসা৷ এর দৈর্ঘ্য ৬ মিটার৷ ল্যান্ডারে থাকবে ২টি সোলার প্যানেল৷ কাগজের পাখার মতো সেগুলি কাজ করবে৷ অবতরণের এক সপ্তাহ পর মঙ্গলের মাটিতে পাকাপাকিভাবে ২টি যন্ত্র স্থাপন করবে নাসা৷

২০১৬ সালের মার্চে এই মিশনটি হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু নাসা সেটি পিছিয়ে দেয়৷ লেন্ডারের মুখ্য সায়েন্স ইনস্ট্রুমেন্টের ভ্যাকুয়ম লিক নিয়ে সমস্যা দেখা গিয়েছিল৷ এবার সেটি তৈরি হয়ে গেছে ও তার পরীক্ষানিরীক্ষাও হয়ে গেছে৷ অন্য যন্ত্রপাতির পরীক্ষাও শেষ৷ স্বাভাবিকভাবেই প্রজেক্টের বাজেট বেড়ে যায়৷ আগে এর বাজেট ছিল ৬৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৩.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

মঙ্গলে ফের যান পাঠাবে নাসা !

আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৬ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

মঙ্গলে পরবর্তী মিশনের জন্য তৈরি হচ্ছে নাসা। মিশনের নাম ইনসাইট।
২০১৮ সালে মিশনটি শুরু হবে। মঙ্গলকে আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করতে ইনসাইট কাজ করবে বলে নাসা সূত্রে জানানো হয়েছে। ইনসাইট (InSight) এর সম্পূর্ণ কথা ইন্টিরিয়র এক্সপ্লোশন ইউজিং সেইসমিক ইনভেস্টিগেশনস, জিওডেসি অ্যান্ড হিট ট্রান্সপোর্ট৷ পরের বছর ৮ মে ক্যার্লিফোর্নিয়ার ভেন্ডেনবার্গ এয়ার ফোর্স থেকে মিশনটি শুরু হওয়ার কথা৷ মঙ্গলে যানটি নামবে অক্টোবর নাগাদ৷ পৃথিবী সহ অন্যান্য গ্রহগুলি কীভাবে তৈরি হল, তা নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণা করা হবে এই মিশনে৷

নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির ব্রুস বানের্ড একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন৷ সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ৩ বিলিয়ন বছরে পৃথিবীতে যতটা পরিবর্তন হয়েছে, মঙ্গলে হয়নি৷ মঙ্গলে তাই অনেক প্রমাণ সঞ্চিত রয়েছে৷ তাই আমাদের গ্রহের থেকে গ্রহের শৈশব অবস্থা মঙ্গলেই ধরা পড়বে বেশি৷

২০৩০ সালে মঙ্গলে মানুষ পাঠাবে নাসা৷ তাই তার আগে গ্রহটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে চাইছে তারা৷ এরপর রোবোটিক পরীক্ষা হবে৷ তারপর মঙ্গলে মানুষ পাঠানো হবে৷ মঙ্গলের বিষুবরেখা বরাবর একটি স্টেশনারি ল্যান্ডার স্থাপন করবে নাসা৷ এর দৈর্ঘ্য ৬ মিটার৷ ল্যান্ডারে থাকবে ২টি সোলার প্যানেল৷ কাগজের পাখার মতো সেগুলি কাজ করবে৷ অবতরণের এক সপ্তাহ পর মঙ্গলের মাটিতে পাকাপাকিভাবে ২টি যন্ত্র স্থাপন করবে নাসা৷

২০১৬ সালের মার্চে এই মিশনটি হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু নাসা সেটি পিছিয়ে দেয়৷ লেন্ডারের মুখ্য সায়েন্স ইনস্ট্রুমেন্টের ভ্যাকুয়ম লিক নিয়ে সমস্যা দেখা গিয়েছিল৷ এবার সেটি তৈরি হয়ে গেছে ও তার পরীক্ষানিরীক্ষাও হয়ে গেছে৷ অন্য যন্ত্রপাতির পরীক্ষাও শেষ৷ স্বাভাবিকভাবেই প্রজেক্টের বাজেট বেড়ে যায়৷ আগে এর বাজেট ছিল ৬৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৩.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।