শনিবার | ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় Logo খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খুবিতে ‘রান ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির Logo দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অগ্রযাত্রা Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন Logo হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ দিনভর গণসংযোগ Logo হাল্ট প্রাইজ অ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল Logo চাঁদপুর ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

যেকোনো কিছুর বিনিময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে বিজিবি প্রস্তুত: বিজিবি মহাপরিচালক !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৮২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো কিছুর বিনিময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সীমান্তে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) মহাপরিচালক জেনারেল আবুল হোসেন বলেছেন, মিয়ানমারের সংঘঠিত ঘটনার পর থেকে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির পক্ষ থেকে কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যাতে কোন মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।

গতকাল রবিবার বিকেল ৪টায় সীমান্তের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ঘুমধুম বিওপিতে প্রেস ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, আমরা বাঙালি জাতি, বীরের জাতি, যুদ্ধ করে আমরা এই দেশ স্বাধীন করেছি, সুতারাং আমাদের ভূ-খণ্ডে বিন্দুমাত্রও যদি আঘাত আসে অথবা (বিজিপি) মিয়ানমারের বর্ডার গাড অব পুলিশ সীমান্তের জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে থাকে, তাহলে সাথে সাথে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিয়ানমারের কোন বিদ্রোহী গোষ্ঠি নেই। কারণ বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাসী বা বিদ্রোহীর স্থান নেই। রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশে কোন দালাল যদি প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে তিনি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন এবং মিয়ানমারের অভ্যন্তরের কিছু বাস্তব চিত্র প্রত্যক্ষ করেন।

ব্রিফিংকালে মহাপরিচালকের সাথে ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দীলিপ কুমার বণিক, কক্সবাজারস্থ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনোয়ারুল আজিম, রিজিওন কমান্ডার কর্নেল আনিসুল হক, কক্সবাজার ৩৪-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মনজুরুল হাসান খান, টেকনাফ ২-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম আরিফুল ইসলাম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সরওয়ার কামাল, ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একে জাহাঙ্গীর আজিজ প্রমুখ।

গত শুক্রবার মিয়ানমারে সশস্ত্র রোহিঙ্গারা ২৪টি পুলিশ পোস্টে সমন্বিত হামলা চালানোর পাশাপাশি একটি সেনাঘাঁটিতে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে সে সময় অন্তত ৮৯ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বলে দাবি করেছে মিয়ানমার সরকার।

বর্তমানে সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় ঘুমধুম জলপাইতলি, তুমব্রু পূর্বকূল এলাকায় অন্তত ২০ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা আটকে আছে কাঁটাতারের বেড়া পাশের সীমান্তের জিরো পয়েন্টে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায়

যেকোনো কিছুর বিনিময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে বিজিবি প্রস্তুত: বিজিবি মহাপরিচালক !

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

যেকোনো কিছুর বিনিময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সীমান্তে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) মহাপরিচালক জেনারেল আবুল হোসেন বলেছেন, মিয়ানমারের সংঘঠিত ঘটনার পর থেকে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির পক্ষ থেকে কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যাতে কোন মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।

গতকাল রবিবার বিকেল ৪টায় সীমান্তের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ঘুমধুম বিওপিতে প্রেস ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, আমরা বাঙালি জাতি, বীরের জাতি, যুদ্ধ করে আমরা এই দেশ স্বাধীন করেছি, সুতারাং আমাদের ভূ-খণ্ডে বিন্দুমাত্রও যদি আঘাত আসে অথবা (বিজিপি) মিয়ানমারের বর্ডার গাড অব পুলিশ সীমান্তের জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে থাকে, তাহলে সাথে সাথে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিয়ানমারের কোন বিদ্রোহী গোষ্ঠি নেই। কারণ বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাসী বা বিদ্রোহীর স্থান নেই। রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশে কোন দালাল যদি প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে তিনি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন এবং মিয়ানমারের অভ্যন্তরের কিছু বাস্তব চিত্র প্রত্যক্ষ করেন।

ব্রিফিংকালে মহাপরিচালকের সাথে ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দীলিপ কুমার বণিক, কক্সবাজারস্থ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনোয়ারুল আজিম, রিজিওন কমান্ডার কর্নেল আনিসুল হক, কক্সবাজার ৩৪-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মনজুরুল হাসান খান, টেকনাফ ২-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম আরিফুল ইসলাম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সরওয়ার কামাল, ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একে জাহাঙ্গীর আজিজ প্রমুখ।

গত শুক্রবার মিয়ানমারে সশস্ত্র রোহিঙ্গারা ২৪টি পুলিশ পোস্টে সমন্বিত হামলা চালানোর পাশাপাশি একটি সেনাঘাঁটিতে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে সে সময় অন্তত ৮৯ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বলে দাবি করেছে মিয়ানমার সরকার।

বর্তমানে সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় ঘুমধুম জলপাইতলি, তুমব্রু পূর্বকূল এলাকায় অন্তত ২০ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা আটকে আছে কাঁটাতারের বেড়া পাশের সীমান্তের জিরো পয়েন্টে।