বুধবার | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিতে রাঙ্গামাটিতে পুলিশের ব্রিফিং Logo খুবির আন্তঃডিসিপ্লিন ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ইংরেজি ডিসিপ্লিন  Logo সৈয়দ আবুল ওলা (রহ.) সৈয়দ সাহেব-এর ওফাত বার্ষিকী আজ Logo চাঁদপুরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ও প্রতিরোধে  অবহিতকরণ সভা Logo বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট : প্রস্তুতি সম্পন্ন Logo সারাদেশে ইইউ’র ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন Logo বীরগঞ্জে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত Logo ডক্টর মনিরুজ্জামানকে নির্বাচিত করলে উন্নয়নের ছয়লাব হবে: হুমায়ুন কবির Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা Logo খুলনা-৬ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা: কয়রায় এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির সমর্থনে বিশাল গণমিছিল

লামা উপজেলা পরিষদের পথম চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আলী মিয়ার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৭৭ বার পড়া হয়েছে
বেলাল আহমদ,লামা(বান্দরবান) প্রতিনিধি : আগামীকাল মঙ্গলবার বান্দরবানের লামা উপজেলার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. আলী মিয়ার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১০ সালের ২২ আগস্ট বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তার পিতার নাম মোহাম্মদ আনছার আলী খন্দকার। মাতার নাম ফুল বানু। ১৯৬২ সালের শেষের দিকে রামগড় মহকুমা প্রশাসক আলী মিয়ার নেতৃত্বে ২শত উদ্বাস্তু পরিবারকে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে প্রেরণ করেন। ওই সময় আলী মিয়া পাহাড়ি বাঙ্গালিদের সমর্থন নিয়ে লামা ইউনিয়ন পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সদস্য নির্বাচিত হন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী মিয়া বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক স্থানীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে তিনি লামা ইউনিয়ন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। ১৯৭৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি লামা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
১৯৮৫ সালে তিনি প্রথম লামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেই সময় তিনি স্কুল কলেজ মাদ্রাসা রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্টসহ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করে লামাকে আলোকিত করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৪ স্ত্রী, ১০ ছেলে, ১১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়াস্থ বড় মেয়ে আনোয়ারা বেগমের বাসায় কোরআন খানি ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকতে মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিতে রাঙ্গামাটিতে পুলিশের ব্রিফিং

লামা উপজেলা পরিষদের পথম চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আলী মিয়ার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭
বেলাল আহমদ,লামা(বান্দরবান) প্রতিনিধি : আগামীকাল মঙ্গলবার বান্দরবানের লামা উপজেলার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. আলী মিয়ার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১০ সালের ২২ আগস্ট বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তার পিতার নাম মোহাম্মদ আনছার আলী খন্দকার। মাতার নাম ফুল বানু। ১৯৬২ সালের শেষের দিকে রামগড় মহকুমা প্রশাসক আলী মিয়ার নেতৃত্বে ২শত উদ্বাস্তু পরিবারকে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে প্রেরণ করেন। ওই সময় আলী মিয়া পাহাড়ি বাঙ্গালিদের সমর্থন নিয়ে লামা ইউনিয়ন পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সদস্য নির্বাচিত হন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী মিয়া বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক স্থানীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে তিনি লামা ইউনিয়ন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। ১৯৭৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি লামা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
১৯৮৫ সালে তিনি প্রথম লামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেই সময় তিনি স্কুল কলেজ মাদ্রাসা রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্টসহ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করে লামাকে আলোকিত করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৪ স্ত্রী, ১০ ছেলে, ১১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়াস্থ বড় মেয়ে আনোয়ারা বেগমের বাসায় কোরআন খানি ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকতে মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।