রবিবার | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় Logo খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খুবিতে ‘রান ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির Logo দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অগ্রযাত্রা Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন Logo হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ দিনভর গণসংযোগ Logo হাল্ট প্রাইজ অ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল Logo চাঁদপুর ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ভারতীয় গরু কারনে দেশীয় গরুর খামারীরা ক্ষতিগ্রস্থ

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৬৫ বার পড়া হয়েছে

শার্শা প্রতিনিধি:--কোরাবানির ঈদ উপলক্ষে ভারতীয় গরুর চাপে দেশীয় গরু খামারিরা পথে বসতে বসেছে। শার্শা বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় ছোট বড় বড় প্রায় ১৪ থেকে ১৫ শত গরুর খামার রয়েছে। এছাড়া ও রয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলার গ্রামাঞ্চলে দেশীয় গরুর খামার।

সারাবছর দেশের গরু খামার ব্যবসায়িরা সারা বছর পর বাজার ধরার আশায় খেয়ে না খেয়ে সন্তানের মত লালন পালন করে থাকে গরুকে। তারা গরুর খাদ্য সহ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন শীত গরম বুঝে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সহ রাতের ঘুম হারাম করে গরুর সেবা প্রদান করে থাকে।

সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে বেশী মুনাফা লাভের আশায় সীমান্ত দিয়ে ব্যবসায়িরা ভারত থেকে গরু আনছে। ভারত ও গরুর টাকা ভাল পাওয়ায় এসময় বাংলাদেশে গরু পাঠাচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এদেশের গরুর খামারিরা।এখন থেকে লোকসানের চিন্তায় খামারীরা।

বেনাপোল সীমান্ত এলাকার ঘিবা গ্রামের ছাকিলা বেগম জানায় সারা বছর গরু লালন পালন করে থাকি কোরবানির সময় কিছু টাকা পাওযার আশায় সারা বছর সন্তান পালনের চেয়ে ও বেশী পরিশ্রম করে গরুর সেবা করে থাকে। এ বছর সে ১৫ টি বড় জাতের গরু পালন করেছে বলে জানায়। গোয়াল ঘরে ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হয় ।

বেনাপোল সীমান্ত এলাকার বড় বড় খামার পুটখালী গ্রাম। এখানে ছোট বড় অনেক খামার রয়েছে। খামার ব্যবসায়ীরা হতাশায় ভুগছে। তারা জানায় সারা বছর পর ভারত কোরবানির সময় দেদারছে সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ করায় আমাদের ব্যবসা ধ্বংস করছে। আমরা গরুকে একজন সন্তান যে ভাবে লালন পালন করে বড় করে তার চেয়ে বেশী পরিশ্রম করে লালন পালন করে থাকি।

এখন ঈদের সময় আমাদের গরুর দাম নির্ঘাত বাজারে পড়ে যাবে যে ভাবে ভারত থেকে গরু প্রবেশ করছে।

আমরা সারাবছর ধার দেনা করে গরু যতœ সহকারে পালন করি বছর শেষে কিছু পয়সা পাওয়ার জন্য। আমরা এ থেকে সংসারের যাবতীয় খরচ ছেলেমেয়ের লেখা পড়া অসুখ বিসুখের খরচ করে থাকি।

বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় এর যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় পুটখালি, গোগা, রঘুনাথপুর ঘিবা ধান্যখোলা সীমান্ত দিয়ে কমবেশী গরু ভারত থেকে আসছে। অথচ কিছুদিন আগে গরু আসা ছিল শুন্যের কোটায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায়

ভারতীয় গরু কারনে দেশীয় গরুর খামারীরা ক্ষতিগ্রস্থ

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭

শার্শা প্রতিনিধি:--কোরাবানির ঈদ উপলক্ষে ভারতীয় গরুর চাপে দেশীয় গরু খামারিরা পথে বসতে বসেছে। শার্শা বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় ছোট বড় বড় প্রায় ১৪ থেকে ১৫ শত গরুর খামার রয়েছে। এছাড়া ও রয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলার গ্রামাঞ্চলে দেশীয় গরুর খামার।

সারাবছর দেশের গরু খামার ব্যবসায়িরা সারা বছর পর বাজার ধরার আশায় খেয়ে না খেয়ে সন্তানের মত লালন পালন করে থাকে গরুকে। তারা গরুর খাদ্য সহ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন শীত গরম বুঝে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সহ রাতের ঘুম হারাম করে গরুর সেবা প্রদান করে থাকে।

সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে বেশী মুনাফা লাভের আশায় সীমান্ত দিয়ে ব্যবসায়িরা ভারত থেকে গরু আনছে। ভারত ও গরুর টাকা ভাল পাওয়ায় এসময় বাংলাদেশে গরু পাঠাচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এদেশের গরুর খামারিরা।এখন থেকে লোকসানের চিন্তায় খামারীরা।

বেনাপোল সীমান্ত এলাকার ঘিবা গ্রামের ছাকিলা বেগম জানায় সারা বছর গরু লালন পালন করে থাকি কোরবানির সময় কিছু টাকা পাওযার আশায় সারা বছর সন্তান পালনের চেয়ে ও বেশী পরিশ্রম করে গরুর সেবা করে থাকে। এ বছর সে ১৫ টি বড় জাতের গরু পালন করেছে বলে জানায়। গোয়াল ঘরে ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হয় ।

বেনাপোল সীমান্ত এলাকার বড় বড় খামার পুটখালী গ্রাম। এখানে ছোট বড় অনেক খামার রয়েছে। খামার ব্যবসায়ীরা হতাশায় ভুগছে। তারা জানায় সারা বছর পর ভারত কোরবানির সময় দেদারছে সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ করায় আমাদের ব্যবসা ধ্বংস করছে। আমরা গরুকে একজন সন্তান যে ভাবে লালন পালন করে বড় করে তার চেয়ে বেশী পরিশ্রম করে লালন পালন করে থাকি।

এখন ঈদের সময় আমাদের গরুর দাম নির্ঘাত বাজারে পড়ে যাবে যে ভাবে ভারত থেকে গরু প্রবেশ করছে।

আমরা সারাবছর ধার দেনা করে গরু যতœ সহকারে পালন করি বছর শেষে কিছু পয়সা পাওয়ার জন্য। আমরা এ থেকে সংসারের যাবতীয় খরচ ছেলেমেয়ের লেখা পড়া অসুখ বিসুখের খরচ করে থাকি।

বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় এর যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় পুটখালি, গোগা, রঘুনাথপুর ঘিবা ধান্যখোলা সীমান্ত দিয়ে কমবেশী গরু ভারত থেকে আসছে। অথচ কিছুদিন আগে গরু আসা ছিল শুন্যের কোটায়।