ঠাণ্ডা গ্রহ শুক্রের সেই হট স্পটের রহস্য!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:৫৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সৌরজগতের অন্যতম ঠাণ্ডা গ্রহ শুক্রে যে হট স্পটের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল তার রহস্য উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি অগ্নুৎপাত হতে দেখা গেছে এই গ্রহে। আর এই অগ্ন্যুৎপাতই সেই হট স্পটের কারণ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

গবেষকরা শুক্র গ্রহের একটি আগ্নেয়গিরিকে চিহ্নিত করেছেন যার নাম ইডুন মনস। এটি গ্রহটির দক্ষিণ অংশে অবস্থিত। ২০১০ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির ‘ভেনাস এক্সপ্রেসের’ গবেষণায় দেখা যায় গ্রহটির একাংশে হটস্পট ও তার আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

সে সময় বিষয়টির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে আরও অনুসন্ধানের পর গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন সে অঞ্চলে একটি আগ্নেয়গিরি রয়েছে এবং তার চারপাশে লাভা প্রবাহিত হওয়ার চিহ্ন রয়েছে। আর সে এলাকাটি এখনও অন্য অংশের তুলনায় উত্তপ্ত।

শুক্র গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর প্রচুর মিল থাকায় তাদের জমজ বোন বলা হয়। এ বিষয়ে জার্মান এরোস্পেস সেন্টারের গবেষক পিয়েরো ডি’ইনসেকো বলেন, ‘গ্রহটির মেঘমালা বহু বিষয়কে গোপন করে রাখে।’

তবে সে সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই যে তথ্য পাওয়া গেছে তা সত্যিই দারুণ। গ্রহটির বেশিভাগ অঞ্চলই ঠাণ্ডা। আর এর অর্থ তা বহু বছর ধরে কোনো পরিবর্তন নেই। কিন্তু একটি আগ্নেয়গিরি পাওয়া গেছে। সে অঞ্চলটি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।এখন গবেষকরা একটি মডেলিং তৈরি করছেন। এতে গ্রহটির ভূ-প্রাকৃতিক পরিস্থিতি জানা মানুষের পক্ষে সহজ হবে।

ট্যাগস :

ঠাণ্ডা গ্রহ শুক্রের সেই হট স্পটের রহস্য!

আপডেট সময় : ০৩:২০:৫৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

সৌরজগতের অন্যতম ঠাণ্ডা গ্রহ শুক্রে যে হট স্পটের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল তার রহস্য উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি অগ্নুৎপাত হতে দেখা গেছে এই গ্রহে। আর এই অগ্ন্যুৎপাতই সেই হট স্পটের কারণ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

গবেষকরা শুক্র গ্রহের একটি আগ্নেয়গিরিকে চিহ্নিত করেছেন যার নাম ইডুন মনস। এটি গ্রহটির দক্ষিণ অংশে অবস্থিত। ২০১০ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির ‘ভেনাস এক্সপ্রেসের’ গবেষণায় দেখা যায় গ্রহটির একাংশে হটস্পট ও তার আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

সে সময় বিষয়টির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে আরও অনুসন্ধানের পর গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন সে অঞ্চলে একটি আগ্নেয়গিরি রয়েছে এবং তার চারপাশে লাভা প্রবাহিত হওয়ার চিহ্ন রয়েছে। আর সে এলাকাটি এখনও অন্য অংশের তুলনায় উত্তপ্ত।

শুক্র গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর প্রচুর মিল থাকায় তাদের জমজ বোন বলা হয়। এ বিষয়ে জার্মান এরোস্পেস সেন্টারের গবেষক পিয়েরো ডি’ইনসেকো বলেন, ‘গ্রহটির মেঘমালা বহু বিষয়কে গোপন করে রাখে।’

তবে সে সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই যে তথ্য পাওয়া গেছে তা সত্যিই দারুণ। গ্রহটির বেশিভাগ অঞ্চলই ঠাণ্ডা। আর এর অর্থ তা বহু বছর ধরে কোনো পরিবর্তন নেই। কিন্তু একটি আগ্নেয়গিরি পাওয়া গেছে। সে অঞ্চলটি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।এখন গবেষকরা একটি মডেলিং তৈরি করছেন। এতে গ্রহটির ভূ-প্রাকৃতিক পরিস্থিতি জানা মানুষের পক্ষে সহজ হবে।