বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

পাট খাতের আয় ২৬ বিয়িলন মার্কিন ডলার

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:৩৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭
  • ৭৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোকে (ইপিবি) উদ্ধৃত করে বলেছেন, চলতি অর্থ বছরের গত মে পর্যন্ত বস্ত্র খাত থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ প্রায় ২৬ দশমিক ৪৬  বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বাজেট অধিবেশনে গতকাল বুধবার বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর (সিলেট-৩) প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এন্টিডাম্পিং ডিউটি আরোপে ভারতে পাটপণ্যে রফতানিতে ধস নেমেছে।

মহিলা এমপি বেগম উম্মে রাজিয়া কাজলের প্রশ্নের জবাবে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক বলেন, ভারত সরকারের এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের ফলে দেশটিতে পাটপণ্যের রফতানিতে ধস নেমেছে। তিনি জানান, ভারত সরকার কর্তৃক এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের ফলে সেদেশে পাট পণ্য রফতানিতে আগের ২৭৫ থেকে ৩০০ কোটি টাকার স্থলে এখন মাত্র ৫০ কোটি টাকাতে নেমেছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজেএমসির নানামুখী কার্যক্রমে মোট রফতানি কমে নাই। ফলে ২০১৬ সালে দেশের পাট পণ্য রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৭৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৯১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

মন্ত্রী জানান, পাটকে কৃষি পণ্য হিসেবে ঘোষণা করে নগদ সহায়তায় বর্তমানে সাড়ে ৭ ভাগ থেকে বাড়ানোর প্রক্রিয়া রয়েছে। পাট শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে রফতানি উন্নয়ন তহবিলের আদলে ২ ভাগ সুদ হারে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

দেশে কাপড়ের চাহিদার প্রায় ২৪শ’ মিলিয়ন মিটার উৎপাদিত হয় ২ হাজার মিলিয়ন মিটার :
বেগম সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে পাটমন্ত্রী জানান, বিটিএমএ হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, দেশে কাপড়ের চাহিদার পরিমাণ প্রায় ২৪শ’ মিলিয়ন মিটার। চাহিদা অনুযায়ী দেশে উৎপাদিত কাপড়ের পরিমাণ প্রায় ১৭শ’ থেকে ২ হাজার মিলিয়ন মিটার। যা দিয়ে চাহিদার ৭০ থেকে ৮৩ ভাগ পূরণ হয়। বাকি ৪শ’ থেকে ৭শ’ মিলিয়ন মিটার কাপড় চীন, জাপান, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ইত্যাদি বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

২৩টি পাটকলের সবগুলোই অলাভজনক :
সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ইস্রাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক জানান, বিজেএমসির নিয়ন্ত্রিত চালু মিলের সংখ্যা ২৬টি। যার মধ্যে ২৩টি পাটকল, বাকি তিনটি জুট মিল। বর্তমানে ২৩টি পাটকলের সবগুলোই অলাভজনক। তবে চলতি ২০১৬-১৭ অর্থ-বছরে বিজেএমসি গত বছরের চেয়ে প্রায় ২শ’ কোটি টাকা লোকসান কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য যে, সকর সরকারি অর্থায়ন হতে প্রায় অর্থ বিজেএমসিকে ভর্তুকির পরিবর্তে ঋণ হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সংসদ সদস্য রহিম উল্লাহ’র প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিগত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে কাঁচা পাট রফতানির পরিমাণ ১১ লাখ ৩৭ হাজার এবং রফতানি আয় ১৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর একই সময়ে পাটজাত পণ্য রফতানির পরিমাণ ৮ লাখ ২৫ হাজার টন এবং রফতানি আয় ৮শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

পাট খাতের আয় ২৬ বিয়িলন মার্কিন ডলার

আপডেট সময় : ১২:০৪:৩৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোকে (ইপিবি) উদ্ধৃত করে বলেছেন, চলতি অর্থ বছরের গত মে পর্যন্ত বস্ত্র খাত থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ প্রায় ২৬ দশমিক ৪৬  বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বাজেট অধিবেশনে গতকাল বুধবার বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর (সিলেট-৩) প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এন্টিডাম্পিং ডিউটি আরোপে ভারতে পাটপণ্যে রফতানিতে ধস নেমেছে।

মহিলা এমপি বেগম উম্মে রাজিয়া কাজলের প্রশ্নের জবাবে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক বলেন, ভারত সরকারের এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের ফলে দেশটিতে পাটপণ্যের রফতানিতে ধস নেমেছে। তিনি জানান, ভারত সরকার কর্তৃক এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের ফলে সেদেশে পাট পণ্য রফতানিতে আগের ২৭৫ থেকে ৩০০ কোটি টাকার স্থলে এখন মাত্র ৫০ কোটি টাকাতে নেমেছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজেএমসির নানামুখী কার্যক্রমে মোট রফতানি কমে নাই। ফলে ২০১৬ সালে দেশের পাট পণ্য রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৭৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৯১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

মন্ত্রী জানান, পাটকে কৃষি পণ্য হিসেবে ঘোষণা করে নগদ সহায়তায় বর্তমানে সাড়ে ৭ ভাগ থেকে বাড়ানোর প্রক্রিয়া রয়েছে। পাট শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে রফতানি উন্নয়ন তহবিলের আদলে ২ ভাগ সুদ হারে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

দেশে কাপড়ের চাহিদার প্রায় ২৪শ’ মিলিয়ন মিটার উৎপাদিত হয় ২ হাজার মিলিয়ন মিটার :
বেগম সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে পাটমন্ত্রী জানান, বিটিএমএ হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, দেশে কাপড়ের চাহিদার পরিমাণ প্রায় ২৪শ’ মিলিয়ন মিটার। চাহিদা অনুযায়ী দেশে উৎপাদিত কাপড়ের পরিমাণ প্রায় ১৭শ’ থেকে ২ হাজার মিলিয়ন মিটার। যা দিয়ে চাহিদার ৭০ থেকে ৮৩ ভাগ পূরণ হয়। বাকি ৪শ’ থেকে ৭শ’ মিলিয়ন মিটার কাপড় চীন, জাপান, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ইত্যাদি বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

২৩টি পাটকলের সবগুলোই অলাভজনক :
সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ইস্রাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক জানান, বিজেএমসির নিয়ন্ত্রিত চালু মিলের সংখ্যা ২৬টি। যার মধ্যে ২৩টি পাটকল, বাকি তিনটি জুট মিল। বর্তমানে ২৩টি পাটকলের সবগুলোই অলাভজনক। তবে চলতি ২০১৬-১৭ অর্থ-বছরে বিজেএমসি গত বছরের চেয়ে প্রায় ২শ’ কোটি টাকা লোকসান কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য যে, সকর সরকারি অর্থায়ন হতে প্রায় অর্থ বিজেএমসিকে ভর্তুকির পরিবর্তে ঋণ হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সংসদ সদস্য রহিম উল্লাহ’র প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিগত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে কাঁচা পাট রফতানির পরিমাণ ১১ লাখ ৩৭ হাজার এবং রফতানি আয় ১৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর একই সময়ে পাটজাত পণ্য রফতানির পরিমাণ ৮ লাখ ২৫ হাজার টন এবং রফতানি আয় ৮শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।