শুক্রবার | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে প্লেকার্ড হাতে ভোট কেন্দ্রে বোন মাসুম Logo চাঁদপুর-৩ আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ, নারী ও তরুণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি Logo নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার Logo ভোট বর্জন করলেন হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী জসীম Logo ৪৬ কেন্দ্রে তিনগুণেরও বেশি ভোটে এগিয়ে হাসনাত Logo মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই Logo বগুড়া-৬ আসনে ১২ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে তারেক রহমান Logo ঢাকা ১৫ : তিন কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে জামায়াত আমির Logo ঢাকা-১১ : তিন কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে নাহিদ ইসলাম Logo ঢাকা-৯ : একটি কেন্দ্রে তাসনিম জারার ভোট মাত্র ১৩৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৮
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৭৭.৭%
প্রাপ্ত ভোট: ৬৯.৩+ হাজার
ভোট বিতরণ৭৭.৭%
না
২২.৩%
প্রাপ্ত ভোট: ১৯.৯+ হাজার
ভোট বিতরণ২২.৩%

২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশে গেছে ১১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি কর্মী, রেমিট্যান্স এসেছে ১৫,৭৯১ মিলিয়ন ডলার

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:৪৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৪৪ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১ লাখ ১৬ হাজার ৭২৫ জন নারী-পুরুষ কর্মী বিদেশে গেছেন এবং এ সময়ে তারা দেশে ১৫,৭৯১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১,৫৭৯ কোটি ১০ লাখ ডলার) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘জনশক্তি রপ্তানি একটি সম্ভাবনাময় খাত এবং সরকার একে থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করেছে।’ তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির বাস্তবধর্মী নীতির মাধ্যমে বিদেশে কর্মী পাঠাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানে গেছেন ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪৫৩ জন বাংলাদেশি, আর ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ১১ হাজার ৯৬৯ জন, জানান ওই কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৫,৭৯১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৩,৫৪৫ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ২০২৪ু২৫ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩০ বিলিয়ন ডলার (৩ হাজার কোটি ডলার) ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬.৪ বিলিয়ন ডলার বেশি। এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ু২১ অর্থবছরে, যার পরিমাণ ছিল ২৪.৮ বিলিয়ন ডলার।

রিক্রুটিং এজেন্ট ও অভিবাসী শ্রমিক অধিকার সংগঠনগুলোর মতে, মালয়েশিয়ার মতো কিছু ঐতিহ্যবাহী গন্তব্যে বিদেশে কর্মসংস্থান কিছুটা বাধাগ্রস্ত হলেও নতুন গন্তব্য চিহ্নিত করা এবং বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা বাড়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি ও অনানুষ্ঠানিক বিনিময় হারের ব্যবধান কমে আসা এবং মানি লন্ডারিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার কারণে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) সূত্র জানায়, গত ১১ মাস ২৮ দিনে কর্মসংস্থানের জন্য ৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬১৯ জন বাংলাদেশি সৌদি আরব গেছেন, কাতারে গেছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৮০৫ জন, আর সিঙ্গাপুরে গেছেন ৬৯ হাজার ৪৯১ জন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বিদেশে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেও আমরা কাজ করছি।’

তিনি জানান, দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য রাশিয়া, ব্রুনাই দারুসসালাম ও পূর্ব ইউরোপসহ কিছু নতুন গন্তব্য দেশ অনুসন্ধান করেছে সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ২৬,৮৮৯.৫৪ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত ও প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর সঞ্চিত অর্থই মূলত প্রবাসীরা দেশে পাঠান। তারা আরও বলেন, নার্স, চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীসহ চাহিদাভিত্তিক দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকারকে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, কারণ ভবিষ্যতে বহু দেশে এসব পেশার চাহিদা আরও বাড়বে।

সরকার বিভিন্ন জেলায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করেছে। এসব প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে—শিপ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা, রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং, জেনারেল মেকানিক্স, ইলেকট্রিক্যাল মেশিন মেইনটেন্যান্স, অটো ক্যাড ২ডি ও ৩ডি, ওয়েল্ডিং (৬জি), ক্যাটারিং, রাজমিস্ত্রি প্রশিক্ষণ এবং কোরিয়ান, আরবি, ক্যান্টনিজ ও জাপানি ভাষা শিক্ষা।

সরকার বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিদেশে নথিভুক্ত (ডকুমেন্টেড) কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে প্লেকার্ড হাতে ভোট কেন্দ্রে বোন মাসুম

২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশে গেছে ১১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি কর্মী, রেমিট্যান্স এসেছে ১৫,৭৯১ মিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৪৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১ লাখ ১৬ হাজার ৭২৫ জন নারী-পুরুষ কর্মী বিদেশে গেছেন এবং এ সময়ে তারা দেশে ১৫,৭৯১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১,৫৭৯ কোটি ১০ লাখ ডলার) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘জনশক্তি রপ্তানি একটি সম্ভাবনাময় খাত এবং সরকার একে থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করেছে।’ তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির বাস্তবধর্মী নীতির মাধ্যমে বিদেশে কর্মী পাঠাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানে গেছেন ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪৫৩ জন বাংলাদেশি, আর ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ১১ হাজার ৯৬৯ জন, জানান ওই কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৫,৭৯১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৩,৫৪৫ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ২০২৪ু২৫ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩০ বিলিয়ন ডলার (৩ হাজার কোটি ডলার) ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬.৪ বিলিয়ন ডলার বেশি। এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ু২১ অর্থবছরে, যার পরিমাণ ছিল ২৪.৮ বিলিয়ন ডলার।

রিক্রুটিং এজেন্ট ও অভিবাসী শ্রমিক অধিকার সংগঠনগুলোর মতে, মালয়েশিয়ার মতো কিছু ঐতিহ্যবাহী গন্তব্যে বিদেশে কর্মসংস্থান কিছুটা বাধাগ্রস্ত হলেও নতুন গন্তব্য চিহ্নিত করা এবং বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা বাড়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি ও অনানুষ্ঠানিক বিনিময় হারের ব্যবধান কমে আসা এবং মানি লন্ডারিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার কারণে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) সূত্র জানায়, গত ১১ মাস ২৮ দিনে কর্মসংস্থানের জন্য ৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬১৯ জন বাংলাদেশি সৌদি আরব গেছেন, কাতারে গেছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৮০৫ জন, আর সিঙ্গাপুরে গেছেন ৬৯ হাজার ৪৯১ জন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বিদেশে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেও আমরা কাজ করছি।’

তিনি জানান, দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য রাশিয়া, ব্রুনাই দারুসসালাম ও পূর্ব ইউরোপসহ কিছু নতুন গন্তব্য দেশ অনুসন্ধান করেছে সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ২৬,৮৮৯.৫৪ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত ও প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর সঞ্চিত অর্থই মূলত প্রবাসীরা দেশে পাঠান। তারা আরও বলেন, নার্স, চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীসহ চাহিদাভিত্তিক দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকারকে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, কারণ ভবিষ্যতে বহু দেশে এসব পেশার চাহিদা আরও বাড়বে।

সরকার বিভিন্ন জেলায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করেছে। এসব প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে—শিপ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা, রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং, জেনারেল মেকানিক্স, ইলেকট্রিক্যাল মেশিন মেইনটেন্যান্স, অটো ক্যাড ২ডি ও ৩ডি, ওয়েল্ডিং (৬জি), ক্যাটারিং, রাজমিস্ত্রি প্রশিক্ষণ এবং কোরিয়ান, আরবি, ক্যান্টনিজ ও জাপানি ভাষা শিক্ষা।

সরকার বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিদেশে নথিভুক্ত (ডকুমেন্টেড) কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।